2:54 pm, Friday, 6 November 2026

গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতায় সৌদি আরবে ব্লিংকেন

ডেস্ক রিপোর্ট : ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করতে সৌদে আরব সফর করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন।

সোমবার হামাস-ইসরায়েল সংঘাতের পর প্রথমবারের মতো রিয়াদে পা রাখেন তিনি।

গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, রাফাহ গাজার একটি সীমান্ত শহর। গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের আকাশ ও স্থল হামলা শুরু হওয়ার পর গাজার প্রায় অর্ধেক বাসিন্দা এ অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছে। রাফাহ সীমান্তে পুনরায় ইসরায়েলের হামলা শুরুর আগেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে বলে আশা করছেন গাজাবাসী।

গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমন শুরু করেছে মার্কিন এই কূটনৈতিক। তার ধারাবাহিকতায় সোমবার তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে দুই ঘণ্টাব্যাপী এক দীর্ঘ আলোচনা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

তিনি বলেছেন, ব্লিংকেন এবং সৌদি যুবরাজ গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। এছাড়া উপত্যকাটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং সংঘাত যেন পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়েও তারা আলাপ করেন।

গাজায় চলমান সংকট নিয়ে ব্লিংকেন সরাসরি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেননি বলে জানিয়েছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স। এর আগে গত সপ্তাহে কাতার এবং মিশরের মধ্যস্থতায় হামাসকে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাতে সায় দেয়নি হামাস। চার মাস ধরে চলা এই সংঘাত নিরসনে কোনো ধরনের শর্ত মানতে রাজি নয় ফিলিস্তিনের স্বাধীনাতাকামী এই গোষ্ঠী।

এক্ষেত্রে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, আমরা এই আলোচনার কোনও অগ্রগতি পাব কি না সেটা এখনি বলা সম্ভব নয়, কারণ এ বিষয়টি নির্ভর করছে হামাসের ওপর।

গাজা ইস্যুতে মার্কিন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ভাবমূর্তি ধরে রাখতে ওই অঞ্চল সফর করছেন ব্লিংকেন। এর আগে ইসরায়েল ওয়াশিংটনের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নাকচ করায় আরব-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে কূটনৈতিক চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে আমেরিকা।

সম্প্রতি ইরান সমর্থিত সশস্ত্র বাহিনীগুলোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চলাচ্ছে আমেরিকা। সেক্ষেত্রে এই উত্তেজনা যেন মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে না পড়ে সেদিকটাও নজরে রেখেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

সাংবাদিক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতায় সৌদি আরবে ব্লিংকেন

Update Time : 07:44:05 am, Tuesday, 6 February 2024

ডেস্ক রিপোর্ট : ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতা করতে সৌদে আরব সফর করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন।

সোমবার হামাস-ইসরায়েল সংঘাতের পর প্রথমবারের মতো রিয়াদে পা রাখেন তিনি।

গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, রাফাহ গাজার একটি সীমান্ত শহর। গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের আকাশ ও স্থল হামলা শুরু হওয়ার পর গাজার প্রায় অর্ধেক বাসিন্দা এ অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছে। রাফাহ সীমান্তে পুনরায় ইসরায়েলের হামলা শুরুর আগেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে বলে আশা করছেন গাজাবাসী।

গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্য ভ্রমন শুরু করেছে মার্কিন এই কূটনৈতিক। তার ধারাবাহিকতায় সোমবার তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে দুই ঘণ্টাব্যাপী এক দীর্ঘ আলোচনা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

তিনি বলেছেন, ব্লিংকেন এবং সৌদি যুবরাজ গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। এছাড়া উপত্যকাটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং সংঘাত যেন পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়েও তারা আলাপ করেন।

গাজায় চলমান সংকট নিয়ে ব্লিংকেন সরাসরি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেননি বলে জানিয়েছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স। এর আগে গত সপ্তাহে কাতার এবং মিশরের মধ্যস্থতায় হামাসকে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাতে সায় দেয়নি হামাস। চার মাস ধরে চলা এই সংঘাত নিরসনে কোনো ধরনের শর্ত মানতে রাজি নয় ফিলিস্তিনের স্বাধীনাতাকামী এই গোষ্ঠী।

এক্ষেত্রে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, আমরা এই আলোচনার কোনও অগ্রগতি পাব কি না সেটা এখনি বলা সম্ভব নয়, কারণ এ বিষয়টি নির্ভর করছে হামাসের ওপর।

গাজা ইস্যুতে মার্কিন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ভাবমূর্তি ধরে রাখতে ওই অঞ্চল সফর করছেন ব্লিংকেন। এর আগে ইসরায়েল ওয়াশিংটনের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নাকচ করায় আরব-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে কূটনৈতিক চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে আমেরিকা।

সম্প্রতি ইরান সমর্থিত সশস্ত্র বাহিনীগুলোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চলাচ্ছে আমেরিকা। সেক্ষেত্রে এই উত্তেজনা যেন মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে না পড়ে সেদিকটাও নজরে রেখেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।