12:20 am, Saturday, 29 August 2026

দেশে ফিরবেন আন্তর্জাতিক আদালতে গণতন্ত্র হত্যা মামলার বাদী দারাদ আহমদ

বিশেষ প্রতিবেদক: আওয়ামী সরকারের অত্যাচারে দেশ ছাড়াতে বাধ্য আন্তর্জাতিক আদালতে গণতন্ত্র হত্যা মামলার বাদী বিএনপি নেতা দারাদ আহমদ শ্রীঘ্রই দেশে ফিরছেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুঠো ফোনে বিএনপি নেতা দারাদ আহমদ জানান, আল্লাহর বিচার হয়েছে। জুলুমবাজ আওয়ামীলীগ সরকারের গুম, খুন ও মামলা-হামলার ভয়ে তিনিসহ অনেক নেতা দীর্ঘদিন দেশে আসতে পারছিলেন না। এখন আল্লাহ মুখ তুলে তাকিয়েছন।পতন হয়েছে স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ সরকারের। অনেক নেতা দেশে ফিরেছেন। ইতিমধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ দেশে ফিরেছেন। কাছাকাছি সময়েই তিনিও দেশে ফিরবেন।

জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক যুমগ সাধারন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির উপদেষ্টা গণতন্ত্র হত্যা মামলার বাদী দারাদ আহমদ আরো জানান, বিগত ১/১১ প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া কারান্তরীন হবার পর নেদারল্যান্ডের দি হেগ সিটিতে আর্ন্তজাতিক আদালতে নেত্রীর মুক্তি ও গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।এতে শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের সচেতন বাংলা ভাষাভাষীদের সুদৃঢ় সমর্থন।

এছাড়াও তিনি সংস্কারপন্থী শীর্ষ নেতাদের অবাঞ্চিত ঘোষনা করে সিলেট বিভাগের বিএনপিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেন তিনি। সংস্কার পন্থীদের দাপটে যখন বিএনপির দুরবস্থা ঠিক সেই সময়ে মহাসচিবের নির্দেশে দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে প্রবাসী নেতাকর্মীদের মনোবল দৃঢ় করার পাশাপাশি দলের কমিটি গঠনে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আর এ কারনে দলের নীতি নির্ধারকদের পাশাপাশি খালেদা জিয়ার গুডবুকে চলে আসেন দারাদ। সে সময় তাকে দেশেও আসতে দেওয়া হয়নি। যোগাযোগের স্বার্থে দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে দারাদকে ছদ্মবেশে দেশে ফিরতে হয়েছে।

দারাদ আহমেদ বলেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ১/১১ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করায় সরকারের রোষানলে পরে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছি। মামলা-মোকদ্দমার কারণে বিদেশে চলে গিয়েও শান্তি পাইনি। ১৫ বছরে সরকারের হামলা-মামলা ও নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়ে বিএনপির প্রায় তিন ডজন নেতা দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়েছেন। এই তালিকায় থাকা নেতাদের অনেকে সাজাপ্রাপ্ত। এ অবস্থায় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করেই নেতারা দেশে ফিরবেন।

দারাদ আহমেদ আরো বলেন, শেয়ারবাজার ও ব্যাংক খাতের কেলেঙ্কারি এবং কারসাজির অন্যতম মাফিয়া সালমান এফ রহমানের কারণে সব হারিয়ে কয়েক হাজার ব্যবসায়ী আজ নিস্ব হয়ে পড়েছেন। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করে সব সময়ই থেকেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ঋণখেলাপি, অর্থ পাচার এবং শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে শীর্ষে থাকা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করে বিচার দাবি করেন তিনি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

দেশে ফিরবেন আন্তর্জাতিক আদালতে গণতন্ত্র হত্যা মামলার বাদী দারাদ আহমদ

Update Time : 04:21:53 pm, Friday, 16 August 2024

বিশেষ প্রতিবেদক: আওয়ামী সরকারের অত্যাচারে দেশ ছাড়াতে বাধ্য আন্তর্জাতিক আদালতে গণতন্ত্র হত্যা মামলার বাদী বিএনপি নেতা দারাদ আহমদ শ্রীঘ্রই দেশে ফিরছেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুঠো ফোনে বিএনপি নেতা দারাদ আহমদ জানান, আল্লাহর বিচার হয়েছে। জুলুমবাজ আওয়ামীলীগ সরকারের গুম, খুন ও মামলা-হামলার ভয়ে তিনিসহ অনেক নেতা দীর্ঘদিন দেশে আসতে পারছিলেন না। এখন আল্লাহ মুখ তুলে তাকিয়েছন।পতন হয়েছে স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ সরকারের। অনেক নেতা দেশে ফিরেছেন। ইতিমধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ দেশে ফিরেছেন। কাছাকাছি সময়েই তিনিও দেশে ফিরবেন।

জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক যুমগ সাধারন সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির উপদেষ্টা গণতন্ত্র হত্যা মামলার বাদী দারাদ আহমদ আরো জানান, বিগত ১/১১ প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া কারান্তরীন হবার পর নেদারল্যান্ডের দি হেগ সিটিতে আর্ন্তজাতিক আদালতে নেত্রীর মুক্তি ও গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।এতে শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের সচেতন বাংলা ভাষাভাষীদের সুদৃঢ় সমর্থন।

এছাড়াও তিনি সংস্কারপন্থী শীর্ষ নেতাদের অবাঞ্চিত ঘোষনা করে সিলেট বিভাগের বিএনপিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেন তিনি। সংস্কার পন্থীদের দাপটে যখন বিএনপির দুরবস্থা ঠিক সেই সময়ে মহাসচিবের নির্দেশে দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে প্রবাসী নেতাকর্মীদের মনোবল দৃঢ় করার পাশাপাশি দলের কমিটি গঠনে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আর এ কারনে দলের নীতি নির্ধারকদের পাশাপাশি খালেদা জিয়ার গুডবুকে চলে আসেন দারাদ। সে সময় তাকে দেশেও আসতে দেওয়া হয়নি। যোগাযোগের স্বার্থে দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে দারাদকে ছদ্মবেশে দেশে ফিরতে হয়েছে।

দারাদ আহমেদ বলেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ১/১১ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করায় সরকারের রোষানলে পরে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছি। মামলা-মোকদ্দমার কারণে বিদেশে চলে গিয়েও শান্তি পাইনি। ১৫ বছরে সরকারের হামলা-মামলা ও নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়ে বিএনপির প্রায় তিন ডজন নেতা দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়েছেন। এই তালিকায় থাকা নেতাদের অনেকে সাজাপ্রাপ্ত। এ অবস্থায় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করেই নেতারা দেশে ফিরবেন।

দারাদ আহমেদ আরো বলেন, শেয়ারবাজার ও ব্যাংক খাতের কেলেঙ্কারি এবং কারসাজির অন্যতম মাফিয়া সালমান এফ রহমানের কারণে সব হারিয়ে কয়েক হাজার ব্যবসায়ী আজ নিস্ব হয়ে পড়েছেন। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করে সব সময়ই থেকেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ঋণখেলাপি, অর্থ পাচার এবং শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে শীর্ষে থাকা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করে বিচার দাবি করেন তিনি।