5:09 am, Friday, 7 August 2026

বড়লেখার সমনবাগ বাগানে আনুষ্ঠানিকভাবে চা পাতা উত্তোলন শুরু

বড়লেখা প্রতিনিধি :

শেষ ফাগুনের বৃষ্টি যেন আর্শীবাদ হয়ে ওঠেছে চা বাগানগুলোর জন্য। বৃষ্টির ৭ দিনেই সবুজ পাতায় ভরে ওঠেছে বড়লেখার বিভিন্ন চা বাগান।

সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে চা পাতা চয়ন শুরু করেছে বাংলাদেশ চা বোর্ড পরিচালিত নিউ সমনবাগ চা বাগান, পাথারিয়া চা বাগান ও মোকাম ডিভিশনের বাগানগুলো। সরেজমিনে দেখা গেছে, শ্রমিকরা উৎসব-আনন্দে মেতে চায়ের নতুন কুঁড়ি উত্তোলন করছে। শ্রমিকদের মাঝে দেখা দিয়েছে একধরণের প্রাণচাঞ্চল্য।

নিউ সমনবাগ চা বাগানের ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) এমদাদ-উর রহমান জানান, বৃষ্টি ওঠে গেলে ডিসেম্বরে পাতি উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। এসময় চা গাছ পুনিং করা হয়। ৩ থেকে ৪ মাস গাছে পাতা গজায় না। পুনিংয়ের পর বৃষ্টি পড়লেই গাছে নতুন কুঁড়ি আসে। সবুজের সমারোহে ভরে ওঠে চা বাগান। এরপর পূজা আর্চনার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পাতা উত্তোলন শুরু হয়। এবার ‘আমাদের চা বাগানে মৌসুমের প্রথম পাতা চয়ন শুরু করেছি বৃষ্টির সাত দিনে। যা অত্যন্ত শুভ লক্ষণ। আশা করছেন, এ মৌসুমটি চায়ের জন্য ভালো হবে। আবহওয়া অনুকূলে থাকলে চা উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সোমবার পূজা আর্চনার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে চা পাতা চয়নের উদ্বোধন করেন নিউ সমনবাগ চা বাগানের ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) এমদাদ-উর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিউ সমনবাগ চা বাগানের প্রধান ঠিলা করনিক কৃপাময় দাস (পিংকু), দীপক কুর্মী ও বদ্রি প্রসাদ উপাধ্যায়, মোকাম ডিভিশনের প্রধান ঠিলা করণিক সাইদুল ইসলাম, কামাল হোসেন ও জিতেন বাউরি, বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি নারায়ণ কালোয়ার, সাধারণ সম্পাদক রাঙ্গা চরণ সাঁওতাল, সাবেক ইউপি সদস্য মতিলাল রায়, চা শ্রমিক নেতা রাস বিহারী রবিদাস, মোকাম ডিভিশনের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ফজল তাঁতি প্রমুখ।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্কুলে ভর্তিতে দ্বিতীয়-নবমে পরীক্ষা, প্রথম শ্রেণিতে লটারি

বড়লেখার সমনবাগ বাগানে আনুষ্ঠানিকভাবে চা পাতা উত্তোলন শুরু

Update Time : 11:28:03 am, Tuesday, 17 March 2026

বড়লেখা প্রতিনিধি :

শেষ ফাগুনের বৃষ্টি যেন আর্শীবাদ হয়ে ওঠেছে চা বাগানগুলোর জন্য। বৃষ্টির ৭ দিনেই সবুজ পাতায় ভরে ওঠেছে বড়লেখার বিভিন্ন চা বাগান।

সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে চা পাতা চয়ন শুরু করেছে বাংলাদেশ চা বোর্ড পরিচালিত নিউ সমনবাগ চা বাগান, পাথারিয়া চা বাগান ও মোকাম ডিভিশনের বাগানগুলো। সরেজমিনে দেখা গেছে, শ্রমিকরা উৎসব-আনন্দে মেতে চায়ের নতুন কুঁড়ি উত্তোলন করছে। শ্রমিকদের মাঝে দেখা দিয়েছে একধরণের প্রাণচাঞ্চল্য।

নিউ সমনবাগ চা বাগানের ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) এমদাদ-উর রহমান জানান, বৃষ্টি ওঠে গেলে ডিসেম্বরে পাতি উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। এসময় চা গাছ পুনিং করা হয়। ৩ থেকে ৪ মাস গাছে পাতা গজায় না। পুনিংয়ের পর বৃষ্টি পড়লেই গাছে নতুন কুঁড়ি আসে। সবুজের সমারোহে ভরে ওঠে চা বাগান। এরপর পূজা আর্চনার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পাতা উত্তোলন শুরু হয়। এবার ‘আমাদের চা বাগানে মৌসুমের প্রথম পাতা চয়ন শুরু করেছি বৃষ্টির সাত দিনে। যা অত্যন্ত শুভ লক্ষণ। আশা করছেন, এ মৌসুমটি চায়ের জন্য ভালো হবে। আবহওয়া অনুকূলে থাকলে চা উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সোমবার পূজা আর্চনার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে চা পাতা চয়নের উদ্বোধন করেন নিউ সমনবাগ চা বাগানের ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) এমদাদ-উর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিউ সমনবাগ চা বাগানের প্রধান ঠিলা করনিক কৃপাময় দাস (পিংকু), দীপক কুর্মী ও বদ্রি প্রসাদ উপাধ্যায়, মোকাম ডিভিশনের প্রধান ঠিলা করণিক সাইদুল ইসলাম, কামাল হোসেন ও জিতেন বাউরি, বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি নারায়ণ কালোয়ার, সাধারণ সম্পাদক রাঙ্গা চরণ সাঁওতাল, সাবেক ইউপি সদস্য মতিলাল রায়, চা শ্রমিক নেতা রাস বিহারী রবিদাস, মোকাম ডিভিশনের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ফজল তাঁতি প্রমুখ।