2:06 am, Saturday, 7 November 2026

দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ যেনো মৌলভীবাজারের সকাল সন্ধ্যা

আহমেদ ফারুকমিল্লাদ
হযরত শাহ মোস্তফা (রঃ) পূর্ণভূমি, সারি সারি চাবাগান পাহাড়, নদী, হাওর, ঝর্নাধারা পরিবেষ্টিত ঘেরা পর্যটন জেলা মৌলভীবাজার। অপার সম্ভাবনাময় এই জেল াশিল্পসাহিত্য থেকে সাংবাদিকতায় অনেক সমৃদ্ধ। শত বছরের সাংবাদিকুার ইতিহাস থেকে যতটুক ুজানা যায়, মাসিক মৈত্রী এবং সাপÍাহিক প্রজাশক্তি প্রকাশের মাধ্যমে মৌলভীবাজারের সাংবাদিকুার সূচনা হয়। ১৯০৯ সালে সদর থানার জসৎসীর মহেন্দ্রনাথ দে হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশ করেন মাসিক মৈত্রী ও সাপ্তাহিক প্রজাশক্তি। পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে দেশ বাগের পর ১৯৬০ সালে মৌলভীবাজারের প্রথম পত্রিকা সাপ্তাহিক জনদূত এর সম্পাদক ছিলেন উলুআইলের গোলাম মোস্তফা। পরবর্তীতে পত্রিকাটি রসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন রাধিকা মোহন গোস্বামী। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালপর্যন্ত মৌলভীবাজার থেকে আর কোন পত্রিকা প্রকাশিতনা হলে ও সাংবাদিকতায় অনেকে সরবছিলেন। জেলার গন্ডি পেরিয়ে দেশ ও প্রবাসে সুনামের সাথে সাংবাদিকতা করেছেন। সেইধারা বাহিকতায় মুক্তিযোদ্ধ পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ সালে গাজী গোলামছর ওয়ারের সম্পাদনায় বিপ্লবী বাংলার কয়েকটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়। এটি স্বাধীনতা পরবর্তী মৌলভীবাজারের প্রথম প্রকাশনা। তাছাড়া ১৯৭৯ সাল থেকে এপর্যন্ত মৌলভীবাজার থেকে যতগুলো সাপ্তাহিক ও দৈনিক পত্রিকা বের হয়েছে। যেগুলোরমধ্যে গত ৮ বছর ধওে দৈনিক পত্রিকা হিসাবে মৌমাছি কন্ঠ জেলার পাঠকদেও মাঝে স্থান কওে নিয়েছে।

এই সময়ে এসে মৌলভীবাজারের সকাল সন্ধ্যায় যে পত্রিকাটি চোখে পড়ে সেটি হচ্ছে দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ। যেটির সম্পাদক ও প্রকাশক আমার খুবই ¯েœহের অনুজ সহকর্মী শেখ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ সাপ্তাহিক হিসাবে আতœপ্রকাশ যে দিন করেছিলো, সেইঅনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত হতে পেরেছিলাম। পরবর্তীতে দৈনিক হিসাবে আতœপ্রকাশ কওে পত্রিকাটি। আর এখন নিয়মিতভাবে দৈনিক হিসাবে জেলা শহর থেকে প্রতিদিন বেরহচ্ছে মৌমাছি কন্ঠ।

এশটি নিয়মিত প্রকাশনা কতটা পরিশ্রমের। সেখানে সময় অর্থ শুধুব্যয় হয়না, সাথে নানান ধরনের প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতেহয়।পত্রিকারঅফিসখরচ থেকে জেলাউপজেলায়প্রতিনিধি দেওয়া। তাদেও সুযোগসুবিধা দেখবাল করা। প্রতিদিন কি নিউজ যাবে, কি নিউজ যাবে না। পত্রিকা সময় মতো পাঠকের হাতে পৌছানো যাবে কিনা। এসব মাথায় রেখে কাজ করতে হয়। এত সবসমস্যার মাঝেও শেখ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এখনো চেষ্টা কওে যাচ্ছেন পত্রিকাটি সকাল সন্ধ্যা পাঠকের চোখের সামনে তুলে ধরতে। শুধু মৌলভীবাজার জেলাশহর নয়, জেলার প্রতিটি উপজেলায় দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ দৈনিক হিসাবে পৌছে দিতে পত্রিকাটির সম্পাদক থেকে শুরু কওে জেলা উপজেলার প্রতিনিধি, ফটো সাংবাদিক,অফিসের স্টাফ রির্পোটার, কম্পিউটার অপারেটর, সাকুলেশন ম্যানেজার সবাই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যান। যারধারা বাহিকতায় পত্রিকাটি প্রতিদিন সকালে পাঠকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তবে নিয়মিতভাবে পত্রিকাটি প্রকাশ হয় ঢাকা থেকে। প্রতিদিন মেটার ঠিক করে অনলাইনে ঢাকার সংশ্লিষ্ট প্রিন্টার্স এ পাঠানো হয়। সেখান থেকে পত্রিকাটি ছাপা হয়ে সংবাদপত্রের গাড়িতে করে সেটি সকালে মৌলভীবাজারএসে পৌছে। এভাবেই প্রতিদিন পাঠকের হাতে পৌছে দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ।
শুরুতে যে কথা বলছিলাম মৌলভীবাজারের সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকতা অঙ্গন এতটা সমৃদ্ধ যালিখতে গেলে দীর্ঘ সময়ের দরকার। তাই স্বল্প পরিসরে লিখতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ভূলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। পরিশেষে দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ সহ জেলার সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা অঙ্গন আরও বেশি সমৃদ্ধ হোক সেই প্রত্যাশা রাখি।

লেখক- কবি ও প্রাবন্ধিক, সিনিয়রসাংবাদিক, জেলাপ্রতিনিধিএকাত্তর টেলিভিশন, মৌলভীবাজার।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

সাংবাদিক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ যেনো মৌলভীবাজারের সকাল সন্ধ্যা

Update Time : 04:41:43 pm, Saturday, 16 December 2017

আহমেদ ফারুকমিল্লাদ
হযরত শাহ মোস্তফা (রঃ) পূর্ণভূমি, সারি সারি চাবাগান পাহাড়, নদী, হাওর, ঝর্নাধারা পরিবেষ্টিত ঘেরা পর্যটন জেলা মৌলভীবাজার। অপার সম্ভাবনাময় এই জেল াশিল্পসাহিত্য থেকে সাংবাদিকতায় অনেক সমৃদ্ধ। শত বছরের সাংবাদিকুার ইতিহাস থেকে যতটুক ুজানা যায়, মাসিক মৈত্রী এবং সাপÍাহিক প্রজাশক্তি প্রকাশের মাধ্যমে মৌলভীবাজারের সাংবাদিকুার সূচনা হয়। ১৯০৯ সালে সদর থানার জসৎসীর মহেন্দ্রনাথ দে হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশ করেন মাসিক মৈত্রী ও সাপ্তাহিক প্রজাশক্তি। পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে দেশ বাগের পর ১৯৬০ সালে মৌলভীবাজারের প্রথম পত্রিকা সাপ্তাহিক জনদূত এর সম্পাদক ছিলেন উলুআইলের গোলাম মোস্তফা। পরবর্তীতে পত্রিকাটি রসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন রাধিকা মোহন গোস্বামী। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালপর্যন্ত মৌলভীবাজার থেকে আর কোন পত্রিকা প্রকাশিতনা হলে ও সাংবাদিকতায় অনেকে সরবছিলেন। জেলার গন্ডি পেরিয়ে দেশ ও প্রবাসে সুনামের সাথে সাংবাদিকতা করেছেন। সেইধারা বাহিকতায় মুক্তিযোদ্ধ পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ সালে গাজী গোলামছর ওয়ারের সম্পাদনায় বিপ্লবী বাংলার কয়েকটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়। এটি স্বাধীনতা পরবর্তী মৌলভীবাজারের প্রথম প্রকাশনা। তাছাড়া ১৯৭৯ সাল থেকে এপর্যন্ত মৌলভীবাজার থেকে যতগুলো সাপ্তাহিক ও দৈনিক পত্রিকা বের হয়েছে। যেগুলোরমধ্যে গত ৮ বছর ধওে দৈনিক পত্রিকা হিসাবে মৌমাছি কন্ঠ জেলার পাঠকদেও মাঝে স্থান কওে নিয়েছে।

এই সময়ে এসে মৌলভীবাজারের সকাল সন্ধ্যায় যে পত্রিকাটি চোখে পড়ে সেটি হচ্ছে দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ। যেটির সম্পাদক ও প্রকাশক আমার খুবই ¯েœহের অনুজ সহকর্মী শেখ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ সাপ্তাহিক হিসাবে আতœপ্রকাশ যে দিন করেছিলো, সেইঅনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত হতে পেরেছিলাম। পরবর্তীতে দৈনিক হিসাবে আতœপ্রকাশ কওে পত্রিকাটি। আর এখন নিয়মিতভাবে দৈনিক হিসাবে জেলা শহর থেকে প্রতিদিন বেরহচ্ছে মৌমাছি কন্ঠ।

এশটি নিয়মিত প্রকাশনা কতটা পরিশ্রমের। সেখানে সময় অর্থ শুধুব্যয় হয়না, সাথে নানান ধরনের প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতেহয়।পত্রিকারঅফিসখরচ থেকে জেলাউপজেলায়প্রতিনিধি দেওয়া। তাদেও সুযোগসুবিধা দেখবাল করা। প্রতিদিন কি নিউজ যাবে, কি নিউজ যাবে না। পত্রিকা সময় মতো পাঠকের হাতে পৌছানো যাবে কিনা। এসব মাথায় রেখে কাজ করতে হয়। এত সবসমস্যার মাঝেও শেখ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এখনো চেষ্টা কওে যাচ্ছেন পত্রিকাটি সকাল সন্ধ্যা পাঠকের চোখের সামনে তুলে ধরতে। শুধু মৌলভীবাজার জেলাশহর নয়, জেলার প্রতিটি উপজেলায় দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ দৈনিক হিসাবে পৌছে দিতে পত্রিকাটির সম্পাদক থেকে শুরু কওে জেলা উপজেলার প্রতিনিধি, ফটো সাংবাদিক,অফিসের স্টাফ রির্পোটার, কম্পিউটার অপারেটর, সাকুলেশন ম্যানেজার সবাই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যান। যারধারা বাহিকতায় পত্রিকাটি প্রতিদিন সকালে পাঠকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তবে নিয়মিতভাবে পত্রিকাটি প্রকাশ হয় ঢাকা থেকে। প্রতিদিন মেটার ঠিক করে অনলাইনে ঢাকার সংশ্লিষ্ট প্রিন্টার্স এ পাঠানো হয়। সেখান থেকে পত্রিকাটি ছাপা হয়ে সংবাদপত্রের গাড়িতে করে সেটি সকালে মৌলভীবাজারএসে পৌছে। এভাবেই প্রতিদিন পাঠকের হাতে পৌছে দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ।
শুরুতে যে কথা বলছিলাম মৌলভীবাজারের সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকতা অঙ্গন এতটা সমৃদ্ধ যালিখতে গেলে দীর্ঘ সময়ের দরকার। তাই স্বল্প পরিসরে লিখতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ভূলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। পরিশেষে দৈনিক মৌমাছি কন্ঠ সহ জেলার সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা অঙ্গন আরও বেশি সমৃদ্ধ হোক সেই প্রত্যাশা রাখি।

লেখক- কবি ও প্রাবন্ধিক, সিনিয়রসাংবাদিক, জেলাপ্রতিনিধিএকাত্তর টেলিভিশন, মৌলভীবাজার।