11:10 pm, Wednesday, 8 July 2026

ধর্ষক মাসুক মিয়ার  ফাঁসির দাবিতে  জুড়ীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

স্টাফ রিপোটার: জুড়ীতে ধর্ষক মাসুক মিয়ার ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।১৫ অক্টোবর শুক্রবার বেলা দুইটায় উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের রাণীমুড়া বীরগুগালী এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জুড়ীর ইয়াবা সিন্ডিকেটের হোতা, নারীলোভী, লম্পট ও ধর্ষক মাসুক মিয়ার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তার বিরুদ্ধে এলাকায় কেউ কোনো প্রতিবাদ করলে তার উপর নেমে আসতো অত্যাচারের খড়গ। মানুষকে বাড়িতে আটকে রেখে অত্যাচার ও হুমকি প্রদর্শন করে সে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। ‌তার ইয়াবা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কেউ যাতে মুখ খুলতে না পারে সেজন্য সে সবাইকে  নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে রাখে। ‌
বক্তারা আরো বলেন, ধর্ষক মাসুকের একাধিক স্ত্রী রয়েছে। তার প্রথম স্ত্রী তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে ধর্ষক মাসুক মিয়ার ফাঁসির করার দাবি জানিয়েছেন। ‌
নজরুল ইসলাম ও মুজাহিদুল ইসলাম জয়দুলের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক ইউপি সদস্য তারা মিয়া, আবদু মিয়া আবদন, আব্দুস শহীদ,দেলোয়ার হোসেন দিলু, জলিল মিয়া, মোঃ শাহীন মিয়া,  হাফেজ হাফিজ আহমদ,মোজাহিদুল ইসলাম বেলাল, আমিরুল ইসলাম কাওসার, আনোয়ার হোসেন, আব্দুল হাসিব নয়ন প্রমুখ। এলাকার মানুষ মানববন্ধনে অংশ নিয়ে ধর্ষক মাসুক মিয়ার বিচার দাবি করেন। উল্লেখ্য, মাসুক মিয়া তার ১৬ বছর বয়সী  চাচাত বোনকে  গত ৮ অক্টোবর বিকেলে মেয়ের বিয়ের কথা বলে কুলাউড়ার বাসা থেকে  বাড়ীতে নিয়ে  যায়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রাতে  নারীলোভী, লম্পট মাসুক মিয়া তার ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোররাত অবদি ইচ্ছার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করে। ধর্ষনের বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে মেরে বলার হুমকি দেয় অভিযুক্ত লম্পট মাসুক মিয়া। সকালে মাসুক মিয়ার ছেলের মোবাইল থেকে ভিকটিম তার ভাইকে বিষয়টি জানালে তার ভাই তাকে উদ্ধার করে
মৌলভীবাজার সদর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে ধর্ষণের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায়  ধর্ষিতার ভাই বাদী হয়ে জুড়ী থানায় মাসুক মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ধর্ষক মাসুককে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কাউয়াদিঘি হাওরের পানি দ্রুত নিষ্কাষণ করে ধান রুপনের সুযোগ তৈরী করে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

ধর্ষক মাসুক মিয়ার  ফাঁসির দাবিতে  জুড়ীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

Update Time : 02:37:25 pm, Friday, 14 October 2022

স্টাফ রিপোটার: জুড়ীতে ধর্ষক মাসুক মিয়ার ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।১৫ অক্টোবর শুক্রবার বেলা দুইটায় উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের রাণীমুড়া বীরগুগালী এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জুড়ীর ইয়াবা সিন্ডিকেটের হোতা, নারীলোভী, লম্পট ও ধর্ষক মাসুক মিয়ার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তার বিরুদ্ধে এলাকায় কেউ কোনো প্রতিবাদ করলে তার উপর নেমে আসতো অত্যাচারের খড়গ। মানুষকে বাড়িতে আটকে রেখে অত্যাচার ও হুমকি প্রদর্শন করে সে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। ‌তার ইয়াবা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কেউ যাতে মুখ খুলতে না পারে সেজন্য সে সবাইকে  নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে রাখে। ‌
বক্তারা আরো বলেন, ধর্ষক মাসুকের একাধিক স্ত্রী রয়েছে। তার প্রথম স্ত্রী তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে ধর্ষক মাসুক মিয়ার ফাঁসির করার দাবি জানিয়েছেন। ‌
নজরুল ইসলাম ও মুজাহিদুল ইসলাম জয়দুলের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক ইউপি সদস্য তারা মিয়া, আবদু মিয়া আবদন, আব্দুস শহীদ,দেলোয়ার হোসেন দিলু, জলিল মিয়া, মোঃ শাহীন মিয়া,  হাফেজ হাফিজ আহমদ,মোজাহিদুল ইসলাম বেলাল, আমিরুল ইসলাম কাওসার, আনোয়ার হোসেন, আব্দুল হাসিব নয়ন প্রমুখ। এলাকার মানুষ মানববন্ধনে অংশ নিয়ে ধর্ষক মাসুক মিয়ার বিচার দাবি করেন। উল্লেখ্য, মাসুক মিয়া তার ১৬ বছর বয়সী  চাচাত বোনকে  গত ৮ অক্টোবর বিকেলে মেয়ের বিয়ের কথা বলে কুলাউড়ার বাসা থেকে  বাড়ীতে নিয়ে  যায়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রাতে  নারীলোভী, লম্পট মাসুক মিয়া তার ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোররাত অবদি ইচ্ছার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করে। ধর্ষনের বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে মেরে বলার হুমকি দেয় অভিযুক্ত লম্পট মাসুক মিয়া। সকালে মাসুক মিয়ার ছেলের মোবাইল থেকে ভিকটিম তার ভাইকে বিষয়টি জানালে তার ভাই তাকে উদ্ধার করে
মৌলভীবাজার সদর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে ধর্ষণের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায়  ধর্ষিতার ভাই বাদী হয়ে জুড়ী থানায় মাসুক মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ধর্ষক মাসুককে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।