1:09 am, Friday, 3 July 2026

নবীগঞ্জে বন্যা কবলিত এলাকায় বিভাগীয় কমিশনার

মোঃ ফাহাদ আহমদ, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে: নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন এবং বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী।

রবিবার (২৩ জুলাই) উপজেলার ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, ইনাতগঞ্জ কলেজ ও প্রাইমারী স্কুল আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই বন্যার্ত প্রায় ৩ শতাধিক মানুষের মাঝে তিনি শুকনো খাবার প্রদান করেন। এদিন তিনি হবিগঞ্জ জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিদর্শনের লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

এসময় তিনি এক বক্তব্যে বলেন, সরকারের পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে, ত্রানের জন্য অভাব করতে হবে না। বন্যা শেষ নয় বার বার বন্যা আসবে, সেই বন্যা মুখাবেলা করতে প্রস্তুতি নিতে হবে। বন্যায় সাংবাদিকদের ভুমিকা অনেক গুরুত্ব, ত্রাণ না পৌঁছালে সাংবাদিকরা সেই খবর তুলে ধরেন। কোথায় কি হচ্ছে, সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য তুলে ধরতে হবে। ত্রান সামগ্রী পেলে সেটা স্বীকার করতে হবে।

এলাকা বাসী সার্বিক পরিস্থিতি জেলা প্রশাসককে জানান। সবধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে। বন্যার পরে সবার কি করতে হবে পরিকল্পনা করতে হবে। বন্যার আক্রান্তদের ডাটা বেজ তৈরি করতে হবে, যাতে বন্যা আসলেই আক্রান্ত এলাকা ও বর্ন্যাতদের চিহিৃত করতে সহজ হয়। অনেক জায়গায় সাংবাদিকরা রিপোর্ট করেও ত্রান পাচ্ছে না, রিপোর্ট করা হয় ত্রান আসার জন্য। আসলে ত্রানের কোন সমস্যা নেই।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- ৫৭০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত কুশিয়ারা ডাইক (নদী রক্ষা বাঁধ) নিয়ে বন্যার শেষে পরিকল্পনা করা হবে এর স্থায়ী সমাধান কি। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙ্গন রোধে আবারও ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরকারের মেগার প্রকল্পে কুশিয়ারা নদী ড্রেজিংসহ ভাঙন মেরামত করা হবে। কোন ত্রুটি থাকলে সেটা খতিয়ে দেখা হবে।

বন্যা পরবর্তী পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে ২৯৭টি মেডিক্যাল টিম সিলেট বিভাগে কাজ করছে। রাসেল ভাইপার প্রতিরোধে এন্ট্রি ভেনম প্রতিটি উপজেলায় যথেষ্ট পরিমাণ রয়েছে।

এ সময় হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোছা. জিলুফা সুলতানা , অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) প্রভাংশু সোম মহান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান চৌধুরী শেফু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুপম দাস অনুপ, ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল জাহান চৌধুরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছৈইফা রহমান কাকলী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন দেলোয়ার,

নবীগঞ্জ বাহুবল এর সার্কেল এএসপি আবুল খায়ের, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ, নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত মোঃ মাসুক আলী, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম.এ. আহমদ আজাদ, সাধারণ সম্পাদক সেলিম তালুকদার, সাবেক সভাপতি রাকিল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়া, কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দরা অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

স্পন্দন মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ইউনিট কমিটি অনুমোদন

নবীগঞ্জে বন্যা কবলিত এলাকায় বিভাগীয় কমিশনার

Update Time : 05:30:05 pm, Sunday, 23 June 2024

মোঃ ফাহাদ আহমদ, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে: নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন এবং বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেছেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী।

রবিবার (২৩ জুলাই) উপজেলার ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, ইনাতগঞ্জ কলেজ ও প্রাইমারী স্কুল আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই বন্যার্ত প্রায় ৩ শতাধিক মানুষের মাঝে তিনি শুকনো খাবার প্রদান করেন। এদিন তিনি হবিগঞ্জ জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিদর্শনের লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

এসময় তিনি এক বক্তব্যে বলেন, সরকারের পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে, ত্রানের জন্য অভাব করতে হবে না। বন্যা শেষ নয় বার বার বন্যা আসবে, সেই বন্যা মুখাবেলা করতে প্রস্তুতি নিতে হবে। বন্যায় সাংবাদিকদের ভুমিকা অনেক গুরুত্ব, ত্রাণ না পৌঁছালে সাংবাদিকরা সেই খবর তুলে ধরেন। কোথায় কি হচ্ছে, সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য তুলে ধরতে হবে। ত্রান সামগ্রী পেলে সেটা স্বীকার করতে হবে।

এলাকা বাসী সার্বিক পরিস্থিতি জেলা প্রশাসককে জানান। সবধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে। বন্যার পরে সবার কি করতে হবে পরিকল্পনা করতে হবে। বন্যার আক্রান্তদের ডাটা বেজ তৈরি করতে হবে, যাতে বন্যা আসলেই আক্রান্ত এলাকা ও বর্ন্যাতদের চিহিৃত করতে সহজ হয়। অনেক জায়গায় সাংবাদিকরা রিপোর্ট করেও ত্রান পাচ্ছে না, রিপোর্ট করা হয় ত্রান আসার জন্য। আসলে ত্রানের কোন সমস্যা নেই।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- ৫৭০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত কুশিয়ারা ডাইক (নদী রক্ষা বাঁধ) নিয়ে বন্যার শেষে পরিকল্পনা করা হবে এর স্থায়ী সমাধান কি। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙ্গন রোধে আবারও ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরকারের মেগার প্রকল্পে কুশিয়ারা নদী ড্রেজিংসহ ভাঙন মেরামত করা হবে। কোন ত্রুটি থাকলে সেটা খতিয়ে দেখা হবে।

বন্যা পরবর্তী পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে ২৯৭টি মেডিক্যাল টিম সিলেট বিভাগে কাজ করছে। রাসেল ভাইপার প্রতিরোধে এন্ট্রি ভেনম প্রতিটি উপজেলায় যথেষ্ট পরিমাণ রয়েছে।

এ সময় হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোছা. জিলুফা সুলতানা , অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) প্রভাংশু সোম মহান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান চৌধুরী শেফু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুপম দাস অনুপ, ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল জাহান চৌধুরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছৈইফা রহমান কাকলী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন দেলোয়ার,

নবীগঞ্জ বাহুবল এর সার্কেল এএসপি আবুল খায়ের, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ, নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত মোঃ মাসুক আলী, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম.এ. আহমদ আজাদ, সাধারণ সম্পাদক সেলিম তালুকদার, সাবেক সভাপতি রাকিল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়া, কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দরা অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।