2:54 pm, Tuesday, 19 May 2026

নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব বলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কোনও নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে না। এতেই প্রমাণিত হয় তারা নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। কারণ, তাদের কর্মসূচি ও সমাবেশগুলোতে মানুষ হচ্ছে না। ফলে তারা বুঝতে পেরেছে নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা নাই, তাই নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। এজন্য নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে তারা।’
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে একুশে পত্রিকার সদ্যপ্রয়াত সম্পাদক আজাদ তালুকদারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী। শোকসভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করে দেশের গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে। সেটি এই দেশের মানুষ হতে দেবে না। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং কেউ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালালে দেশের মানুষ যেমন প্রতিহত করবে, একইভাবে বিদেশিরাও এটি সমর্থন করে না।’
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আল্টিমেটাম তো বিএনপি গত ১৩-১৪ বছরে বহুবার দিয়েছে। গত ডিসেম্বরেও তাদের আল্টিমেটাম ছিল। তারপর খালেদা জিয়াকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিদেশে পাঠানোর আল্টিমেটামও ছিল। এখন ১৮ তারিখ আবার দিয়েছে। এই বছরের ১৮ তারিখ নাকি আগামী বছরের ১৮ তারিখ, নাকি তারও পরের বছরের ১৮ তারিখ; সেটিও অনেকে প্রশ্ন রেখেছেন। বিএনপির আল্টিমেটাম ফাঁকা বুলি ছাড়া অন্য কোনও কিছু নয়।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব চট্টগ্রামে দলীয় কার্যালয়ের সামনে রোডমার্চ শেষে যে বক্তব্য রেখেছেন সেখানে যে সংখ্যক মানুষ হয়েছে। চট্টগ্রামের লালদিঘির পাড়ে অনেকসময় যখন পাগল নাচে তখনও এর কাছাকাছি মানুষ হয়। সুতরাং তাদের কর্মসূচিতে লোকসমাগম সেভাবে হয়নি এবং তারা প্রচণ্ড হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। আশা করেছিল, বিদেশিরা তাদেরকে কোলে করে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে, সেই আশাও বুমেরাং হয়েছে।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক হয়েছে। জি-২০ সম্মেলনে কীভাবে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে। জো বাইডেনসহ অন্যান্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। এতে বিএনপি হতাশ হয়ে পড়েছে।’
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব বলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কোনও নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে না। এতেই প্রমাণিত হয় তারা নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। কারণ, তাদের কর্মসূচি ও সমাবেশগুলোতে মানুষ হচ্ছে না। ফলে তারা বুঝতে পেরেছে নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা নাই, তাই নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। এজন্য নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে তারা।’
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে একুশে পত্রিকার সদ্যপ্রয়াত সম্পাদক আজাদ তালুকদারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী। শোকসভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করে দেশের গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে। সেটি এই দেশের মানুষ হতে দেবে না। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং কেউ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালালে দেশের মানুষ যেমন প্রতিহত করবে, একইভাবে বিদেশিরাও এটি সমর্থন করে না।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আল্টিমেটাম তো বিএনপি গত ১৩-১৪ বছরে বহুবার দিয়েছে। গত ডিসেম্বরেও তাদের আল্টিমেটাম ছিল। তারপর খালেদা জিয়াকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিদেশে পাঠানোর আল্টিমেটামও ছিল। এখন ১৮ তারিখ আবার দিয়েছে। এই বছরের ১৮ তারিখ নাকি আগামী বছরের ১৮ তারিখ, নাকি তারও পরের বছরের ১৮ তারিখ; সেটিও অনেকে প্রশ্ন রেখেছেন। বিএনপির আল্টিমেটাম ফাঁকা বুলি ছাড়া অন্য কোনও কিছু নয়।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব চট্টগ্রামে দলীয় কার্যালয়ের সামনে রোডমার্চ শেষে যে বক্তব্য রেখেছেন সেখানে যে সংখ্যক মানুষ হয়েছে। চট্টগ্রামের লালদিঘির পাড়ে অনেকসময় যখন পাগল নাচে তখনও এর কাছাকাছি মানুষ হয়। সুতরাং তাদের কর্মসূচিতে লোকসমাগম সেভাবে হয়নি এবং তারা প্রচণ্ড হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। আশা করেছিল, বিদেশিরা তাদেরকে কোলে করে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে, সেই আশাও বুমেরাং হয়েছে।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক হয়েছে। জি-২০ সম্মেলনে কীভাবে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে। জো বাইডেনসহ অন্যান্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। এতে বিএনপি হতাশ হয়ে পড়েছে।’
এর আগে শোকসভায় প্রয়াত একুশে পত্রিকা সম্পাদক আজাদ তালুকদারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তিনি যেমন অকুতোভয় সাংবাদিক ছিলেন, একইসঙ্গে একজন লড়াকু মানুষ ছিলেন। ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পরও তিনি কিন্তু ক্ষান্ত হননি, দমে যাননি। ক্যানসারের সঙ্গে অবিরত লড়াই করেছেন। তিনি জানতেন ধীরে ধীরে তার জীবনপ্রদীপ নিভে যাচ্ছে। মৃত্যুর কদিন আগে আমি যখন হাসপাতালে তাকে দেখতে যাই, তখন তিনি যেভাবে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং মৃত্যুর পর কী করতে হবে দুয়েকটি কথাও আমাকে বলেছেন। একটা মানুষ জানেন তিনি মৃত্যুপথযাত্রী, এরপরও অবিচল। সেই চারিত্রিক দৃঢ়তা আমি তার মধ্যে দেখেছি।’

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট কার্যক্রম অব্যাহত

নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

Update Time : 11:52:04 am, Friday, 6 October 2023

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব বলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কোনও নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে না। এতেই প্রমাণিত হয় তারা নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। কারণ, তাদের কর্মসূচি ও সমাবেশগুলোতে মানুষ হচ্ছে না। ফলে তারা বুঝতে পেরেছে নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা নাই, তাই নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। এজন্য নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে তারা।’
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে একুশে পত্রিকার সদ্যপ্রয়াত সম্পাদক আজাদ তালুকদারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী। শোকসভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করে দেশের গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে। সেটি এই দেশের মানুষ হতে দেবে না। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং কেউ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালালে দেশের মানুষ যেমন প্রতিহত করবে, একইভাবে বিদেশিরাও এটি সমর্থন করে না।’
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আল্টিমেটাম তো বিএনপি গত ১৩-১৪ বছরে বহুবার দিয়েছে। গত ডিসেম্বরেও তাদের আল্টিমেটাম ছিল। তারপর খালেদা জিয়াকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিদেশে পাঠানোর আল্টিমেটামও ছিল। এখন ১৮ তারিখ আবার দিয়েছে। এই বছরের ১৮ তারিখ নাকি আগামী বছরের ১৮ তারিখ, নাকি তারও পরের বছরের ১৮ তারিখ; সেটিও অনেকে প্রশ্ন রেখেছেন। বিএনপির আল্টিমেটাম ফাঁকা বুলি ছাড়া অন্য কোনও কিছু নয়।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব চট্টগ্রামে দলীয় কার্যালয়ের সামনে রোডমার্চ শেষে যে বক্তব্য রেখেছেন সেখানে যে সংখ্যক মানুষ হয়েছে। চট্টগ্রামের লালদিঘির পাড়ে অনেকসময় যখন পাগল নাচে তখনও এর কাছাকাছি মানুষ হয়। সুতরাং তাদের কর্মসূচিতে লোকসমাগম সেভাবে হয়নি এবং তারা প্রচণ্ড হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। আশা করেছিল, বিদেশিরা তাদেরকে কোলে করে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে, সেই আশাও বুমেরাং হয়েছে।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক হয়েছে। জি-২০ সম্মেলনে কীভাবে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে। জো বাইডেনসহ অন্যান্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। এতে বিএনপি হতাশ হয়ে পড়েছে।’
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব বলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কোনও নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে না। এতেই প্রমাণিত হয় তারা নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। কারণ, তাদের কর্মসূচি ও সমাবেশগুলোতে মানুষ হচ্ছে না। ফলে তারা বুঝতে পেরেছে নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা নাই, তাই নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। এজন্য নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে তারা।’
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে একুশে পত্রিকার সদ্যপ্রয়াত সম্পাদক আজাদ তালুকদারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী। শোকসভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করে দেশের গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে। সেটি এই দেশের মানুষ হতে দেবে না। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং কেউ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালালে দেশের মানুষ যেমন প্রতিহত করবে, একইভাবে বিদেশিরাও এটি সমর্থন করে না।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আল্টিমেটাম তো বিএনপি গত ১৩-১৪ বছরে বহুবার দিয়েছে। গত ডিসেম্বরেও তাদের আল্টিমেটাম ছিল। তারপর খালেদা জিয়াকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিদেশে পাঠানোর আল্টিমেটামও ছিল। এখন ১৮ তারিখ আবার দিয়েছে। এই বছরের ১৮ তারিখ নাকি আগামী বছরের ১৮ তারিখ, নাকি তারও পরের বছরের ১৮ তারিখ; সেটিও অনেকে প্রশ্ন রেখেছেন। বিএনপির আল্টিমেটাম ফাঁকা বুলি ছাড়া অন্য কোনও কিছু নয়।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব চট্টগ্রামে দলীয় কার্যালয়ের সামনে রোডমার্চ শেষে যে বক্তব্য রেখেছেন সেখানে যে সংখ্যক মানুষ হয়েছে। চট্টগ্রামের লালদিঘির পাড়ে অনেকসময় যখন পাগল নাচে তখনও এর কাছাকাছি মানুষ হয়। সুতরাং তাদের কর্মসূচিতে লোকসমাগম সেভাবে হয়নি এবং তারা প্রচণ্ড হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। আশা করেছিল, বিদেশিরা তাদেরকে কোলে করে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে, সেই আশাও বুমেরাং হয়েছে।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক হয়েছে। জি-২০ সম্মেলনে কীভাবে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে। জো বাইডেনসহ অন্যান্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। এতে বিএনপি হতাশ হয়ে পড়েছে।’
এর আগে শোকসভায় প্রয়াত একুশে পত্রিকা সম্পাদক আজাদ তালুকদারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তিনি যেমন অকুতোভয় সাংবাদিক ছিলেন, একইসঙ্গে একজন লড়াকু মানুষ ছিলেন। ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পরও তিনি কিন্তু ক্ষান্ত হননি, দমে যাননি। ক্যানসারের সঙ্গে অবিরত লড়াই করেছেন। তিনি জানতেন ধীরে ধীরে তার জীবনপ্রদীপ নিভে যাচ্ছে। মৃত্যুর কদিন আগে আমি যখন হাসপাতালে তাকে দেখতে যাই, তখন তিনি যেভাবে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং মৃত্যুর পর কী করতে হবে দুয়েকটি কথাও আমাকে বলেছেন। একটা মানুষ জানেন তিনি মৃত্যুপথযাত্রী, এরপরও অবিচল। সেই চারিত্রিক দৃঢ়তা আমি তার মধ্যে দেখেছি।’