3:52 pm, Friday, 22 May 2026

বাংলাদেশ সীমান্তে জান্তার গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি দখল করল আরাকান আর্মি

ডেস্ক রিপোর্ট ::বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমার জান্তার গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘাঁটি দখল করেছে আরাকান আর্মি। এটি বর্ডার গার্ড হেডকোয়ার্টার বলে জানা গেছে। শুক্রবার (৩ মে) রাখাইন রাজ্যের উত্তর মংডু টাউনশিপে হেডকোয়ার্টার দখলের পর এর সৈন্যরা শহরে প্রবেশ করেছে।

এর আগে কি কান পাইন ক্যাম্প আক্রমণ করেছিল আরাকান আর্মি। সেটা প্রতিহত করেছিল জান্তা পুলিশ ও সৈন্যরা।

আরাকান আর্মি সূত্রে জানা গেছে, কি কান পাইন গ্রামটি মংডু থেকে ১২ কিলোমিটার উত্তরে। ঘাঁটি পতনের আগে জান্তা তাদের কমান্ডারদের হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নিয়েছিল।

একজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, জান্তা এখনো শহরে অন্যান্য ফাঁড়ি ধরে রেখেছে। রাখাইন মিডিয়া বলছে, প্রায় ৫০ জন জান্তা সেনা আরাকান আর্মির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনও পুলিশ সদর দফতরকে রক্ষা করছে। তবে ইরাবতি রিপোর্টগুলো যাচাই করতে পারেনি।

বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কিছু জান্তা সৈন্য বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে এবং সরকার শুক্র ও শনিবার মংডু, বুথিডাং এবং পাউকতাউ শহরে বারবার বিমান ও কামান হামলা চালাচ্ছে।

একজন সামরিক বিশ্লেষক বলেছেন, এএ বুথিডাং, মংডু এবং অ্যানের জান্তা ঘাঁটিতে আক্রমণ করছে। আমরা শুনেছি যে এটি সিত্তওয়ে এবং কিয়াউকফিউতে বড় আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গত বছরের নভেম্বরে আক্রমণ শুরুর পর থেকে, এএ দক্ষিণ চিন রাজ্যের নয়টি রাখাইন শহর এবং পালেতওয়া টাউনশিপ দখল করেছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

বাংলাদেশ সীমান্তে জান্তার গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি দখল করল আরাকান আর্মি

Update Time : 08:18:49 am, Sunday, 5 May 2024

ডেস্ক রিপোর্ট ::বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমার জান্তার গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘাঁটি দখল করেছে আরাকান আর্মি। এটি বর্ডার গার্ড হেডকোয়ার্টার বলে জানা গেছে। শুক্রবার (৩ মে) রাখাইন রাজ্যের উত্তর মংডু টাউনশিপে হেডকোয়ার্টার দখলের পর এর সৈন্যরা শহরে প্রবেশ করেছে।

এর আগে কি কান পাইন ক্যাম্প আক্রমণ করেছিল আরাকান আর্মি। সেটা প্রতিহত করেছিল জান্তা পুলিশ ও সৈন্যরা।

আরাকান আর্মি সূত্রে জানা গেছে, কি কান পাইন গ্রামটি মংডু থেকে ১২ কিলোমিটার উত্তরে। ঘাঁটি পতনের আগে জান্তা তাদের কমান্ডারদের হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নিয়েছিল।

একজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, জান্তা এখনো শহরে অন্যান্য ফাঁড়ি ধরে রেখেছে। রাখাইন মিডিয়া বলছে, প্রায় ৫০ জন জান্তা সেনা আরাকান আর্মির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনও পুলিশ সদর দফতরকে রক্ষা করছে। তবে ইরাবতি রিপোর্টগুলো যাচাই করতে পারেনি।

বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কিছু জান্তা সৈন্য বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে এবং সরকার শুক্র ও শনিবার মংডু, বুথিডাং এবং পাউকতাউ শহরে বারবার বিমান ও কামান হামলা চালাচ্ছে।

একজন সামরিক বিশ্লেষক বলেছেন, এএ বুথিডাং, মংডু এবং অ্যানের জান্তা ঘাঁটিতে আক্রমণ করছে। আমরা শুনেছি যে এটি সিত্তওয়ে এবং কিয়াউকফিউতে বড় আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গত বছরের নভেম্বরে আক্রমণ শুরুর পর থেকে, এএ দক্ষিণ চিন রাজ্যের নয়টি রাখাইন শহর এবং পালেতওয়া টাউনশিপ দখল করেছে।