7:19 pm, Friday, 22 May 2026

ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৬

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৬ জনে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৯১ জন।

বিবিসি জানায়, ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের চার দিন পর ব্রাজিলের শহর পেট্রোপলিসে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ। মুষলধারে বৃষ্টির কারণে শনিবার বেশ কয়েকবার জরুরী সেবা স্থগিত করতে হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে কাউকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুব কম বলে জানান তারা।

বাড়িঘর ছেড়ে স্থানীয় স্কুল ও আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয় ৯ শতাধিক মানুষকে। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসে পাহাড়ি এলাকার অন্তত ৮০টি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় হ্যান্ড টুলস এবং চেইনসো দিয়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে, সঙ্গে ৪১টি স্নিফার কুকুর দিয়েও সহায়তা করা হচ্ছে।

স্থানীয় দমকল বাহিনীর বিশেষ উদ্ধারকারী দলের কো-অর্ডিনেটর রবার্তো আমারাল বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘এখানে ভারী যন্ত্রপাতি আনা অসম্ভব। সুতরাং আমাদের মূলত পিঁপড়ার মতো কাজ করতে হবে, একটু একটু করে যেতে হবে।’

এ ঘটনার পর রাষ্ট্রপতি জাইর বলসোনারো শুক্রবার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল পরিদর্শন করে বলেন, শহরটি যুদ্ধের দৃশ্যের মতো বিশাল ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েেছ। ২০১১ সালের পর এটিই রিও ডি জেনিরোতে সবচেয়ে বড় বন্যা, সে সময় প্রাণ গিয়েছিল প্রায় ৭০০ মানুষের।

 

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৬

Update Time : 09:47:23 am, Sunday, 20 February 2022

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৬ জনে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৯১ জন।

বিবিসি জানায়, ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের চার দিন পর ব্রাজিলের শহর পেট্রোপলিসে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ। মুষলধারে বৃষ্টির কারণে শনিবার বেশ কয়েকবার জরুরী সেবা স্থগিত করতে হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে কাউকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুব কম বলে জানান তারা।

বাড়িঘর ছেড়ে স্থানীয় স্কুল ও আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয় ৯ শতাধিক মানুষকে। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসে পাহাড়ি এলাকার অন্তত ৮০টি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।

দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় হ্যান্ড টুলস এবং চেইনসো দিয়ে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে, সঙ্গে ৪১টি স্নিফার কুকুর দিয়েও সহায়তা করা হচ্ছে।

স্থানীয় দমকল বাহিনীর বিশেষ উদ্ধারকারী দলের কো-অর্ডিনেটর রবার্তো আমারাল বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘এখানে ভারী যন্ত্রপাতি আনা অসম্ভব। সুতরাং আমাদের মূলত পিঁপড়ার মতো কাজ করতে হবে, একটু একটু করে যেতে হবে।’

এ ঘটনার পর রাষ্ট্রপতি জাইর বলসোনারো শুক্রবার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল পরিদর্শন করে বলেন, শহরটি যুদ্ধের দৃশ্যের মতো বিশাল ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েেছ। ২০১১ সালের পর এটিই রিও ডি জেনিরোতে সবচেয়ে বড় বন্যা, সে সময় প্রাণ গিয়েছিল প্রায় ৭০০ মানুষের।