3:26 am, Friday, 26 June 2026

মিরাজ-শরিফুলে আরব আমিরাতকে হারাল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক :: বাংলাদেশের দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ম্যাচ হেরেছে স্বাগতিক আরব আমিরাত। এ ম্যাচে বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের মধ্যকার পার্থক্যও টের পাওয়া গেছে। আরব আমিরাত শেষ পর্যন্ত হেরেছে অভিজ্ঞতার কাছে। বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন স্পিনার মেহেদী মিরাজ ও পেসার শরিফুল ইসলাম। এ দুজন মিলে তুলে নেন প্রতিপক্ষের ৬ উইকেট।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুবাই স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় ম্যাচটি শুরু হয়। খেলাটি সরাসরি দেখায় নাগরিক টিভি, গাজী টিভি ও র‍্যাবিটহোল্ড বিডি এ্যাপে।

বাংলাদেশের দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ২৭ রান সংগ্রহ করে আরব আমিরাত। মোহাম্মদ ওয়াসিম রান আউটের শিকার হলে ভাঙে জুটি। দ্বিতীয় উইকেটে সুরি ও আরইয়ান মিলে করেন ৩৯ রানের জুটি। দলীয় ৬৬ রানে সুরি ৩৯ রান করে বিদায় নেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা।

নবম উইকেটে আরইয়ান ও জুনায়েদ মিলে ২৭ রানের জুটি গড়লে বাংলাদেশের জয় পেতে দেরি হয়। দলীয় ১৫১ রানে আরইয়ান আউট হলে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হয়।

বাংলাদেশের হয়ে মিরাজ ও শরিফুল ৩টি ও মোস্তাফিজ ২টি উইকেট লাভ করেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই শূন্য রানে বিদায় নেন সাব্বির রহমান। তখন দলীয় রান ১১। তার পর ক্রিজে এসে ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। তখন দলের স্কোর ২৬ রান। লিটনের ৯ রান পর সম্ভাবনা দেখিয়ে সাজঘরে ফেরেন মেহেদি হাসান মিরাজ। দলীয় ৪৭ রানে দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা ইয়াসির আলী রাব্বি ফিরেন ৪ রান করে।

পঞ্চম উইকেটে আফিফ ও মোসাদ্দেক ৩০ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৭৭ রানে মোসাদ্দেক বিদায় নেন। অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থেকে রানের চাকা সচল রাখেন আফিফ। ষষ্ঠ উইকেটে অধিনায়ক সোহানকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন ৮১ রানের জুটি। শেষ পর্যন্ত আফিফ ৫৫ বলে ৩ ছয় ও ৭ চারের ৭৭ রানে এবং অধিনায়ক সোহান ২৫ বলে ২ চার ও সমান ছয়ে ৩৫ রান সংগ্রহ করে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৫৮ রান।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

নান্দুয়া ব্রিজের নিচে অবাধে মাটি কাটা, ঝুঁকিতে সড়ক ও সেতু

মিরাজ-শরিফুলে আরব আমিরাতকে হারাল বাংলাদেশ

Update Time : 06:42:41 am, Monday, 26 September 2022

ক্রীড়া ডেস্ক :: বাংলাদেশের দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ম্যাচ হেরেছে স্বাগতিক আরব আমিরাত। এ ম্যাচে বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের মধ্যকার পার্থক্যও টের পাওয়া গেছে। আরব আমিরাত শেষ পর্যন্ত হেরেছে অভিজ্ঞতার কাছে। বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন স্পিনার মেহেদী মিরাজ ও পেসার শরিফুল ইসলাম। এ দুজন মিলে তুলে নেন প্রতিপক্ষের ৬ উইকেট।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুবাই স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় ম্যাচটি শুরু হয়। খেলাটি সরাসরি দেখায় নাগরিক টিভি, গাজী টিভি ও র‍্যাবিটহোল্ড বিডি এ্যাপে।

বাংলাদেশের দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ২৭ রান সংগ্রহ করে আরব আমিরাত। মোহাম্মদ ওয়াসিম রান আউটের শিকার হলে ভাঙে জুটি। দ্বিতীয় উইকেটে সুরি ও আরইয়ান মিলে করেন ৩৯ রানের জুটি। দলীয় ৬৬ রানে সুরি ৩৯ রান করে বিদায় নেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা।

নবম উইকেটে আরইয়ান ও জুনায়েদ মিলে ২৭ রানের জুটি গড়লে বাংলাদেশের জয় পেতে দেরি হয়। দলীয় ১৫১ রানে আরইয়ান আউট হলে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হয়।

বাংলাদেশের হয়ে মিরাজ ও শরিফুল ৩টি ও মোস্তাফিজ ২টি উইকেট লাভ করেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই শূন্য রানে বিদায় নেন সাব্বির রহমান। তখন দলীয় রান ১১। তার পর ক্রিজে এসে ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। তখন দলের স্কোর ২৬ রান। লিটনের ৯ রান পর সম্ভাবনা দেখিয়ে সাজঘরে ফেরেন মেহেদি হাসান মিরাজ। দলীয় ৪৭ রানে দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা ইয়াসির আলী রাব্বি ফিরেন ৪ রান করে।

পঞ্চম উইকেটে আফিফ ও মোসাদ্দেক ৩০ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৭৭ রানে মোসাদ্দেক বিদায় নেন। অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থেকে রানের চাকা সচল রাখেন আফিফ। ষষ্ঠ উইকেটে অধিনায়ক সোহানকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন ৮১ রানের জুটি। শেষ পর্যন্ত আফিফ ৫৫ বলে ৩ ছয় ও ৭ চারের ৭৭ রানে এবং অধিনায়ক সোহান ২৫ বলে ২ চার ও সমান ছয়ে ৩৫ রান সংগ্রহ করে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৫৮ রান।