অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে আসা প্রায় সব সাধারণ রোগীরই একই অভিযোগ—নূন্যতম সৌজন্যতাবোধ নেই সিংহভাগ চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের। শুধু ডায়াবেটিস কক্ষই নয়, টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে জরুরি

বিভাগ ও বহির্বিভাগের বিভিন্ন ডেস্কে সাধারণ ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা গ্রামীণ অসহায় রোগীদের সাথে নিয়মিত তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও মারমুখী আচরণ করা হয়। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানে সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে সেবা পাওয়ার কথা থাকলেও পদে পদে তাদের শিকার হতে হচ্ছে চরম হেনস্তার।

অনুসন্ধানে উঠে আসা প্রধান ৫টি সংকট:
১। কর্মচারীদের মারমুখী আচরণ: রোগীরা কোনো তথ্যের জন্য প্রশ্ন করলেই ক্ষিপ্ত হওয়া এবং ধমক দেওয়া নিত্যদিনের ঘটনা।
২। নার্সদের উদাসীনতা: জরুরি প্রয়োজনেও নার্সদের ডাকলে সাড়া না দেওয়া এবং সেবার নামে অবহেলা।
৩। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব: হাসপাতালের ওয়ার্ড, বাথরুম ও চারপাশের পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা ও দুর্গন্ধময়।
৪। ওষুধ ও পরীক্ষা বাণিজ্য: সরকারি ওষুধ না দিয়ে বাইরে থেকে কিনতে বাধ্য করা এবং ভেতরের প্যাথলজি বন্ধ রেখে প্রাইভেট ক্লিনিকে পরীক্ষা করানো।
৫। দালালের প্রকাশ্য দৌরাত্ম্য: টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে ডাক্তারদের চেম্বারের সামনে দালালের শক্তিশালী সিন্ডিকেট। তাই আমি একজন সংবাদ কর্মী
ও সচেতন নাগরিক হিসাবে এর প্রতিকার চাই, আসলেই কি দেখার কেউ নেই।

এনামুল হক আলম বার্তা সম্পাদক 



























