স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ব্রিটিশ প্রবাসী আলীমুল রাজী খান এর বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে দূষ্কৃতিকারী কয়ছর রশিদ।
গত ৩ সেপ্টেম্বর সকালে এই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় প্রবাসী আলীমুল রাজী খানের খালাতো ভাই আব্দুল মতিন বাদী হয়ে ১১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে কয়ছর রশিদের নামোউল্লেখ করে কুলাউড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে জান যায় মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার টিটিসি আবাসিক এলাকার প্রবাসী আলীমুল রাজী খানের বাড়ির জায়গার রাস্তা নিয়ে সরকারের সাথে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত কুলাউড়ায় মামলা চলছে। চলমান মামলার নাম্বার- ২৯৮/২৪। আদালত বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখিবার জন্য নিদের্শ প্রদান করেন। আদালতে আদের্শ খানা বাড়ির গেইটে জুলানো রয়েছে। হঠাৎ ৩ সেম্পটম্ব সকালে একি এলাকার কয়ছর রশিদ তার লোক জন নিয়ে বাড়িতে হামলা চালায়।বাড়ির টিনের বেড়া ভেঙ্গে রাস্তা বড় করে নিজেই ১০ ইঞ্জি দেয়াল নির্মান শুরু করে, এমনকি বাড়ী লোট করে, পানির ড্রেইনের রাস্তা বন্ধ করে ও বাসা দখল নিতে জোরপূর্বক পাঁয়তারা করছিল। বাধা দিতে গেলে হুমকি দামকি সহ অষ্টিলবাসায় গালিগালাজ করে। এদিকে ব্রিটিশ নাগরিক আলীমুল রাজী খান এক ভিডিও বার্তায় বলেন আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইন মানি। কয়ছর রশিদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই,সে আমাদের কিছু না, তাহলে কেনো আমাদের বাড়িতে হামলা চালায় ভাংচুর করে আমাদের বিভিন্ন জিনিস পত্র নিয়ে যায়। আমার খালাতো ভাই আব্দুল মতিন কে গালিগালাজ করে। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর ৫ আগষ্ট ২০২৪ সালে আমাদের সাথে ভিবিন্ন ভাবে শত্রুতা করার চেষ্টা করে। আমরা ভাই বোন সবাই লন্ডনে থাকি। আমার খালাতো ভাই আব্দুল মতিনের কাছে মোটা অংকের চাদা দাবি করে। আমি জানার পর বলেছি চাদা দেবনা। সেই থেকে আমাদের বাড়িতে কিছু দিন পরপর হামলা চালায়। বিষটি আমি একাদিক বার প্রশাসনের কাছে বলেছি,কোন সুফল পাইনি।
আব্দুল মতিন জানান, তাদের ভয়ে বাড়িতে থাকতে পারি না। বাড়ি ঘর ভাংচুরের ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিষয়টি এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানালে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন।
অভিযুক্ত কয়ছর রশিদের সাথে মোটোফোনে একাধিবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও পাওয়া যায়নি।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ওমর ফারুক জানান, কয়ছর রশিদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















