ডেস্ক রিপোর্ট :: যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শহীদুল ইসলামের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার।
পররাষ্ট্র ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
র্যাবের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর রাষ্ট্রদূত শহীদুলকে সরানো সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ১৩ জুলাই এক বিবৃতিতে জানায়, ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরানকে যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব এবং এর সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিলে দুই দেশের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়। এরপর থেকে ওয়াশিংটনে চুক্তিতে থাকা শহীদুল ইসলামকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ফেরানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। অবশ্য কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, গত বছরের দ্বিতীয়ার্ধ থেকেই ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে একধরনের অস্বস্তি ছিল। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দূতাবাসের ভূমিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে অসন্তোষের কথা জানা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দীর্ঘ আলোচনা শেষে দিল্লিতে নিযুক্ত হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরানকে ওয়াশিংটনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তিনি দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পান। নিয়মিত চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে আরও তিন বছরের জন্য চুক্তিতে দিল্লিতে হাইকমিশনার পদে নিয়োগ দেয় সরকার।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এরই মধ্যে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অ্যাগ্রিমো (তাঁকে গ্রহণে আপত্তি নেই মর্মে পত্র) পাঠানো হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 























