8:27 pm, Tuesday, 21 April 2026

শুল্ক কমানোর ঘোষণায় কমতে শুরু করেছে চালের দাম

ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর বাজারে কমতে শুরু করেছে চালের দাম। আমদানি করা চাল বাজারে না আসলেও কেজিপ্রতি কমেছে ২ থেকে ৩ টাকা।

এদিকে, চাল আমদানির কারণে ধানের দাম কমার কোনো আশঙ্কা নেই বলে দাবি করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

গত কয়েক বছর ধরে দেশে ধানের ভালো ফলন হলেও কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসেনি চালের বাজার। খুচরা বাজারে মোটা, চিকন দুই ধরনের চালই কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে। এরমধ্যেই সরকারের চালের আমদানি শুল্ক কমানোর ঘোষণার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাজারে। আমদানি করা চাল এখনো না আসলেও কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা কমেছে সব ধরনের চালের দাম। প্রকারভেদে বস্তাপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে চালের দাম।

ক্রেতারা বলছেন, এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। মিল মালিকদের সিন্ডিকেটের কারণেই চালের বাজার উর্ধ্বমুখী। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় চালের দাম আরো কমে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আসা উচিত বলে মনে করেন ক্রেতারা।

এদিকে বিক্রেতারা বলছেন,আমদানি করা চাল বাজারে আসেনি। শুধু ঘোষণা এসেছে চাল আমদানিতে শুল্ক কমবে। এই ঘোষণার পরই চালের দাম কেজিপ্রতি বস্তাপ্রতি কমে গেছে। চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে তাই কাউকে দোষারোপ না করে সরকারকে নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দেন তারা।

এদিকে কৃষিমন্ত্রী জানান, চাল আমদানির কারণে ধানের দাম কমার কোন আশঙ্কা নেই। কৃষকরাও পাচ্ছেন ধানের বাড়তি দাম।

গেলো ১২ আগস্ট চাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর ঘোষণা দেয় সরকার। ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয় আমদানি শুল্ক। আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন আমদানিকারকরা। সুবিধা বহাল থাকবে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত।

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানিতে শুল্ক কর ৩৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর মধ্যে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এর পাশাপাশি বিদ্যমান রেগুলেটরি ডিউটি বা আবগারি শুল্ক ২৫ শতাংশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। অন্যান্য ১.৭৫ শতাংশ করসহ মোট ৩৬.৭৫ শতাংশ শুল্ক কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বর্তমানে সব মিলিয়ে ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ শুল্ক-কর প্রযোজ্য আছে। ছাড় করা শুল্ক-কর বাদ দিলে চাল আমদানিতে ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ বহাল থাকবে। আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সব ধরনের সিদ্ধ ও আতপ চাল ১০ শতাংশ শুল্কে আমদানি করা যাবে। তবে বাসমতি কিংবা সুগন্ধযুক্ত চাল আমদানি পুর্বনির্ধারিত (২৫ শতাংশ) শুল্কেই করতে হবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

শুল্ক কমানোর ঘোষণায় কমতে শুরু করেছে চালের দাম

Update Time : 09:37:28 am, Thursday, 19 August 2021

ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর বাজারে কমতে শুরু করেছে চালের দাম। আমদানি করা চাল বাজারে না আসলেও কেজিপ্রতি কমেছে ২ থেকে ৩ টাকা।

এদিকে, চাল আমদানির কারণে ধানের দাম কমার কোনো আশঙ্কা নেই বলে দাবি করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

গত কয়েক বছর ধরে দেশে ধানের ভালো ফলন হলেও কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসেনি চালের বাজার। খুচরা বাজারে মোটা, চিকন দুই ধরনের চালই কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে। এরমধ্যেই সরকারের চালের আমদানি শুল্ক কমানোর ঘোষণার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাজারে। আমদানি করা চাল এখনো না আসলেও কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা কমেছে সব ধরনের চালের দাম। প্রকারভেদে বস্তাপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে চালের দাম।

ক্রেতারা বলছেন, এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। মিল মালিকদের সিন্ডিকেটের কারণেই চালের বাজার উর্ধ্বমুখী। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় চালের দাম আরো কমে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আসা উচিত বলে মনে করেন ক্রেতারা।

এদিকে বিক্রেতারা বলছেন,আমদানি করা চাল বাজারে আসেনি। শুধু ঘোষণা এসেছে চাল আমদানিতে শুল্ক কমবে। এই ঘোষণার পরই চালের দাম কেজিপ্রতি বস্তাপ্রতি কমে গেছে। চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে তাই কাউকে দোষারোপ না করে সরকারকে নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দেন তারা।

এদিকে কৃষিমন্ত্রী জানান, চাল আমদানির কারণে ধানের দাম কমার কোন আশঙ্কা নেই। কৃষকরাও পাচ্ছেন ধানের বাড়তি দাম।

গেলো ১২ আগস্ট চাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর ঘোষণা দেয় সরকার। ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয় আমদানি শুল্ক। আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন আমদানিকারকরা। সুবিধা বহাল থাকবে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত।

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানিতে শুল্ক কর ৩৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর মধ্যে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এর পাশাপাশি বিদ্যমান রেগুলেটরি ডিউটি বা আবগারি শুল্ক ২৫ শতাংশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। অন্যান্য ১.৭৫ শতাংশ করসহ মোট ৩৬.৭৫ শতাংশ শুল্ক কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বর্তমানে সব মিলিয়ে ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ শুল্ক-কর প্রযোজ্য আছে। ছাড় করা শুল্ক-কর বাদ দিলে চাল আমদানিতে ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ বহাল থাকবে। আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সব ধরনের সিদ্ধ ও আতপ চাল ১০ শতাংশ শুল্কে আমদানি করা যাবে। তবে বাসমতি কিংবা সুগন্ধযুক্ত চাল আমদানি পুর্বনির্ধারিত (২৫ শতাংশ) শুল্কেই করতে হবে।