6:45 pm, Friday, 22 May 2026

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক :: শনিবার (১০ জুলাই) রাতে আগুন দেওয়া হয় বলে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রনিল বিক্রমাসিংহের ব্যক্তিগত বাড়িতে প্রথমে হামলা ও পরে সেখানে আগুন দিয়েছেন চালিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়া রনিল বিক্রমাসিংহের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

যদিও এই হামলার আগেই রনিল বিক্রমাসিংহে ঘোষণা দিয়েছেন, সব দলের অংশগ্রহণে সরকার গঠনে তিনি পদত্যাগ করতে রাজি।

সম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় রিজার্ভ সংকট দেখা দেওয়ার পর থেকে দেশটিতে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। এ ছাড়া আমদানিনির্ভর ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের সংকট দেখা দেয়। এরপর থেকে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভের জেরে প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে পদত্যাগ করলে রনিল বিক্রমাসিংহেকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা রাজাপক্ষে পরিবারকে রাজনীতি থেকে বিদায় করতে চায়।

বিক্ষোভকারীদের এ দাবি মেনে নেননি গোতাবায়া রাজাপক্ষে। ফলে বিক্ষোভ আরও জোরাল হয়। এরপর বিক্ষোভ দমনে গতকাল শুক্রবার কলম্বোয় কারফিউ জারি করা হয়। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এ কারফিউ উপেক্ষা করে গোতাবায়ার বাসভবনে হামলা চালান। এর আগেই গোতাবায়াকে সেনা সদর দপ্তরে সরিয়ে নেওয়া হয়।

গোতাবায়ার বাসভবনে হামলার পর বিভিন্ন দলের নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন রনিল বিক্রমাসিংহে। এই বৈঠকের পরই তিনি পদত্যাগ করার কথা জানান।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ

Update Time : 12:30:49 pm, Sunday, 10 July 2022

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক :: শনিবার (১০ জুলাই) রাতে আগুন দেওয়া হয় বলে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রনিল বিক্রমাসিংহের ব্যক্তিগত বাড়িতে প্রথমে হামলা ও পরে সেখানে আগুন দিয়েছেন চালিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়া রনিল বিক্রমাসিংহের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

যদিও এই হামলার আগেই রনিল বিক্রমাসিংহে ঘোষণা দিয়েছেন, সব দলের অংশগ্রহণে সরকার গঠনে তিনি পদত্যাগ করতে রাজি।

সম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় রিজার্ভ সংকট দেখা দেওয়ার পর থেকে দেশটিতে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। এ ছাড়া আমদানিনির্ভর ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের সংকট দেখা দেয়। এরপর থেকে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভের জেরে প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে পদত্যাগ করলে রনিল বিক্রমাসিংহেকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা রাজাপক্ষে পরিবারকে রাজনীতি থেকে বিদায় করতে চায়।

বিক্ষোভকারীদের এ দাবি মেনে নেননি গোতাবায়া রাজাপক্ষে। ফলে বিক্ষোভ আরও জোরাল হয়। এরপর বিক্ষোভ দমনে গতকাল শুক্রবার কলম্বোয় কারফিউ জারি করা হয়। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এ কারফিউ উপেক্ষা করে গোতাবায়ার বাসভবনে হামলা চালান। এর আগেই গোতাবায়াকে সেনা সদর দপ্তরে সরিয়ে নেওয়া হয়।

গোতাবায়ার বাসভবনে হামলার পর বিভিন্ন দলের নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন রনিল বিক্রমাসিংহে। এই বৈঠকের পরই তিনি পদত্যাগ করার কথা জানান।