11:25 am, Friday, 22 May 2026

গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে ফের গর্জে উঠলেন মিথিলা

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী রাফিয়াত রশীদ মিথিলা। বর্তমানে তিনি এপার-ওপার দুই বাংলায়ই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজকর্মী হিসেবে তিনি প্রায়ই নারীদের অধিকার নিয়ে কথা বলেন। সেই ধারাবাহিকতায় আবারও তিনি নারীদের হয়ে মুখ খুললেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে এক লাইভ ভিডিওতে মিথিলা বলেন, ‘মেয়েদের মানিয়ে নিতেই হয়’। কিংবা ‘রাত করে বাড়ি ফিরলে তো মার খাবেই!’ অথবা ‘স্বামীর রাগই তো ভালোবাসা।’ ‘কী, গায়ে হাত তোলে? একটা থাপ্পড়ে কী হয়! টাকা-পয়সা তো দেয়।’

মিথিলা বোঝাতে চেয়েছেন ওই কথাগুলো যেন মেয়েদের জীবনগাথা। শহর থেকে শহরতলি হয়ে দেশ বা বিদেশ, এ কথাগুলোই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মেয়েদের শেখানো হয়। একুশ শতকেও তার কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং জন্ম থেকে শুনতে শুনতে কথাগুলো যেন ‘অভ্যাস’ হয়ে দাঁড়িয়েছে নারী জীবনে।

মিথিলার দাবি, ‘এই সব কথা আমাদের সমাজে পারিবারিক নির্যাতনকে আরও যেন স্বাভাবিক করে তুলছে। আমি এই ধরনের সমস্ত কথা বর্জন করছি।’ একই ভাবে অভিনেত্রী সমস্ত মেয়ে এবং সমাজের সবাইকে গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাকও দিয়েছেন।

মিথিলার এই প্রতিবাদী রূপ নতুন নয়। এর আগেও তিনি নারী-শিশু পাচার এবং ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, টুইটারে অশ্লীল কটাক্ষের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া অভিনয় জগতে কাজের বিনিময়ে মেয়েদের কাস্টিং কাউচের শিকার হওয়ার ঘটনা নিয়েও তিনি আওয়াজ তুলেছেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে ফের গর্জে উঠলেন মিথিলা

Update Time : 10:37:47 am, Thursday, 9 December 2021

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী রাফিয়াত রশীদ মিথিলা। বর্তমানে তিনি এপার-ওপার দুই বাংলায়ই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজকর্মী হিসেবে তিনি প্রায়ই নারীদের অধিকার নিয়ে কথা বলেন। সেই ধারাবাহিকতায় আবারও তিনি নারীদের হয়ে মুখ খুললেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে এক লাইভ ভিডিওতে মিথিলা বলেন, ‘মেয়েদের মানিয়ে নিতেই হয়’। কিংবা ‘রাত করে বাড়ি ফিরলে তো মার খাবেই!’ অথবা ‘স্বামীর রাগই তো ভালোবাসা।’ ‘কী, গায়ে হাত তোলে? একটা থাপ্পড়ে কী হয়! টাকা-পয়সা তো দেয়।’

মিথিলা বোঝাতে চেয়েছেন ওই কথাগুলো যেন মেয়েদের জীবনগাথা। শহর থেকে শহরতলি হয়ে দেশ বা বিদেশ, এ কথাগুলোই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মেয়েদের শেখানো হয়। একুশ শতকেও তার কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং জন্ম থেকে শুনতে শুনতে কথাগুলো যেন ‘অভ্যাস’ হয়ে দাঁড়িয়েছে নারী জীবনে।

মিথিলার দাবি, ‘এই সব কথা আমাদের সমাজে পারিবারিক নির্যাতনকে আরও যেন স্বাভাবিক করে তুলছে। আমি এই ধরনের সমস্ত কথা বর্জন করছি।’ একই ভাবে অভিনেত্রী সমস্ত মেয়ে এবং সমাজের সবাইকে গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাকও দিয়েছেন।

মিথিলার এই প্রতিবাদী রূপ নতুন নয়। এর আগেও তিনি নারী-শিশু পাচার এবং ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, টুইটারে অশ্লীল কটাক্ষের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া অভিনয় জগতে কাজের বিনিময়ে মেয়েদের কাস্টিং কাউচের শিকার হওয়ার ঘটনা নিয়েও তিনি আওয়াজ তুলেছেন।