1:51 pm, Friday, 17 April 2026

পর্যটককে ধর্ষণ, ইস্রাফিল ৩ দিনের রিমান্ডে

ডেস্ক রিপোর্ট : কক্সবাজারে পর্যটক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামি ইস্রাফিল হুদা জয়ের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এ নির্দেশ দেন।

বিকেলে জয়কে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে পর্যটককে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন ও হোটেল ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে রিমান্ড শেষে বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ মামলায় মূলহোতা আশিকসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ২৮ ডিসেম্বর ভোরে কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ইসরাফিল হুদা জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। সে ওই এলাকার মো. শফিউদ্দিন শফির ছেলে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্ট থেকে ২৫ বছর বয়সী ওই নারী পর্যটককে তুলে নেয়। তারা ওই নারীর স্বামী-সন্তানকে জিন্মি করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে কয়েক দফা ধর্ষণ করে।

পরে খবর পেয়ে গভীর রাতে জিয়া গেস্ট ইন নামের এক হোটেল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে র‌্যাব। এ ঘটনায় হোটেলটির ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে আটক করেন র‌্যাব সদস্যরা।

ঘটনার পরদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই নারীর স্বামী চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও তিনজনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করেন। মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় ট্যুরিস্ট পুলিশকে। মামলাটি তদন্তভার পেয়েছেন পরিদর্শক রুহুল আমিন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন-কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুল করিমের ছেলে আশিকুল ইসলাম আশিক, একই এলাকার মো. শফিউদ্দিন শফি’র ছেলে ইসরাফিল হুদা জয় ও আবুল কাশেমের ছেলে মেহেদী হাসান বাবু এবং কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিনের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন ছোটন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

পর্যটককে ধর্ষণ, ইস্রাফিল ৩ দিনের রিমান্ডে

Update Time : 02:51:13 pm, Wednesday, 29 December 2021

ডেস্ক রিপোর্ট : কক্সবাজারে পর্যটক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামি ইস্রাফিল হুদা জয়ের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এ নির্দেশ দেন।

বিকেলে জয়কে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে পর্যটককে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন ও হোটেল ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে রিমান্ড শেষে বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ মামলায় মূলহোতা আশিকসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ২৮ ডিসেম্বর ভোরে কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ইসরাফিল হুদা জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। সে ওই এলাকার মো. শফিউদ্দিন শফির ছেলে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্ট থেকে ২৫ বছর বয়সী ওই নারী পর্যটককে তুলে নেয়। তারা ওই নারীর স্বামী-সন্তানকে জিন্মি করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে কয়েক দফা ধর্ষণ করে।

পরে খবর পেয়ে গভীর রাতে জিয়া গেস্ট ইন নামের এক হোটেল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে র‌্যাব। এ ঘটনায় হোটেলটির ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে আটক করেন র‌্যাব সদস্যরা।

ঘটনার পরদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই নারীর স্বামী চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও তিনজনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করেন। মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় ট্যুরিস্ট পুলিশকে। মামলাটি তদন্তভার পেয়েছেন পরিদর্শক রুহুল আমিন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন-কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুল করিমের ছেলে আশিকুল ইসলাম আশিক, একই এলাকার মো. শফিউদ্দিন শফি’র ছেলে ইসরাফিল হুদা জয় ও আবুল কাশেমের ছেলে মেহেদী হাসান বাবু এবং কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিনের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন ছোটন।