9:00 am, Tuesday, 14 July 2026

মারিওপোল বন্দর নগরী অবরুদ্ধ করে রেখেছে রুশ বাহিনী

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : ইউক্রেনের কৌশলগত বন্দর নগরী মারিওপোল রুশ বাহিনী ঘিরে ফেলেছে। গত কয়েক দিনের নির্মম হামলার পর রুশ সেনাবাহিনী শহরটি অবরুদ্ধ করে।

নগরীর মেয়র আজ শনিবার এ কথা জানিয়ে মানবিক করিডোর তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন।

আজভ সাগরের তীরবর্তী শহরটিতে সাড়ে চার লাখ লোকের বসবাস। রুশ বাহিনী গত কয়েকদিন ধরে শহরটিতে একের পর এক বোমা ও গোলা হামলা চালায়। প্রচন্ড শীতের মধ্যে শহরটি পানি ও বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে।

মেয়র ভাদিম বয়শেঙ্কো তার টেলিগ্রাম একাউন্টে এক বার্তায় বলেন, এখন আমরা মানবিক সংকট মোকাবেলার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে মারিওপোলের অবরুদ্ধ অবস্থা কাটানোরও সম্ভাব্য সব ধরনের উপায় বিবেচনা করছি।

তিনি আরও বলেন, অস্ত্রবিরতিকেই আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি, যেন নগরীতে খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ শুরু করা যায়।

উল্লেখ্য, রাশিয়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মারিওপোলের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে এটি তাদের যুদ্ধের গতিকে আরও অগ্রগতি দেবে। কারণ তখন দখলকতৃ ক্রিমিয়ার সঙ্গে মারিওপোলের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে সৈন্যদের যাতায়াত সহজ করা যাবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজারে বন্যার পানি নামলেও তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট, বিপর্যস্ত জনজীবন

মারিওপোল বন্দর নগরী অবরুদ্ধ করে রেখেছে রুশ বাহিনী

Update Time : 07:13:52 am, Saturday, 5 March 2022

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : ইউক্রেনের কৌশলগত বন্দর নগরী মারিওপোল রুশ বাহিনী ঘিরে ফেলেছে। গত কয়েক দিনের নির্মম হামলার পর রুশ সেনাবাহিনী শহরটি অবরুদ্ধ করে।

নগরীর মেয়র আজ শনিবার এ কথা জানিয়ে মানবিক করিডোর তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন।

আজভ সাগরের তীরবর্তী শহরটিতে সাড়ে চার লাখ লোকের বসবাস। রুশ বাহিনী গত কয়েকদিন ধরে শহরটিতে একের পর এক বোমা ও গোলা হামলা চালায়। প্রচন্ড শীতের মধ্যে শহরটি পানি ও বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে।

মেয়র ভাদিম বয়শেঙ্কো তার টেলিগ্রাম একাউন্টে এক বার্তায় বলেন, এখন আমরা মানবিক সংকট মোকাবেলার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে মারিওপোলের অবরুদ্ধ অবস্থা কাটানোরও সম্ভাব্য সব ধরনের উপায় বিবেচনা করছি।

তিনি আরও বলেন, অস্ত্রবিরতিকেই আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি, যেন নগরীতে খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ শুরু করা যায়।

উল্লেখ্য, রাশিয়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মারিওপোলের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে এটি তাদের যুদ্ধের গতিকে আরও অগ্রগতি দেবে। কারণ তখন দখলকতৃ ক্রিমিয়ার সঙ্গে মারিওপোলের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে সৈন্যদের যাতায়াত সহজ করা যাবে।