5:54 am, Saturday, 20 June 2026

মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

মারুফ আহমদ: মৌলভীবাজারে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। করোনার ধাক্কায় গত দুই বছর বিবর্ণ ছিলো ঈদ বাজার। কেনাকাটা তেমন হয়নি গেলো চার ঈদে। তবে এবার পরিস্থিতিটা একটু ভিন্ন। করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমে আসা ও বিধিনিষেধ না থাকায় মানুষজন ঈদে কেনাকাটা করতে হাটবাজারের বিপণিবিতান ও শপিং মলে ভিড় করছেন। নতুন নতুন পোশাকে আবারও ঈদকে রঙিন করে তোলার এই তো সুযোগ এসেছে সামনে। পবিত্র ঈদ উল ফিতরের বাকি হাতেগোনা আর কয়েকদিন। মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ উল ফিতরকে ঘিরে বর্ণিল সাজে সেজেছে মৌলভীবাজার জেলা শহরসহ সবকটি উপজেলার হাটবাজারগুলো। প্রতিটি মার্কেট আর শপিং মলে লাল-নীল বাতির আলোয় উজ্জ্বল এই বাজারগুলো। সকাল থেকে রাত অবধি ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। কেনাকাটায় ছন্দ ফিরে আসায় খুশি ক্রেতা ও বিক্রেতারা। গত দুইবছর করোনার প্রকোপে ব্যবসা হয়নি বললেই চলে। ক্ষতি পুষিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন ব্যবসায়ীরা। অপরদিকে প্রিয়জনের জন্য নতুন জামা কিনতে পেরে হাসি ফুটছে ক্রেতাদের মুখেও। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মৌলভীবাজার শহরের সেন্টাল রোর্ডের অলিগলি সহ ছোট বড় শপিং মহলে ত্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় সেই সাথে চোখে পড়েছে আবার দর্জির দোকানেও।
করোনার ধাক্কা কাটিয়ে উঠে দুই বছর পর ব্যবসায় গতি ফিরে আসায় স্বস্তিতে রয়েছেন বিক্রেতারা। শহরের জুলিয়া শপিং সিটি, আহমদ ম্যানশন, এস আর মার্কেট, আশরাফ সেন্টার, শাপলা ম্যানশন, সেরাটন প্লাজা, সেভেন স্টার,ওয়েস্টান প্লাজা, জনতা ম্যানশন, বিভিন্ন প্লাজাসহ ছোট বড় দোকানে জমে উঠেছে। সেই সাথে বড় দোকান গুলোর মধ্যে এমবি ক্লথ স্টোর,বিলাস ডিপার্ট মেন্টাল স্টোর,ঈশিকা,রাজিয়া ক্লথস্টোর,,নুর ব্রাদার্স, রেমন্ড, ইনফেন্টি,দে রয়েছে পুলিশের পাশাপাশি নিজস্ব নিরাপত্তা বাহীনী। জুলিয়া শপিং সিটির ববসায়ী রিপন, সন্ঞিত,কাবের বলেন, এবার ঈদে বেচাকেনা ভালো আছে। তবে এখন দিনের বেলায় ক্রেতারা বেশি আসছেন। আশা করছি রমজানের শেষের দিকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হবে।
শপিং করতে আশা রাহেলা বেগম, পলি আক্তার, ফাতেমা বেগম জানান, এবার পছন্দের সবকিছুই পাওয়া যাচ্ছে মার্কেটে আর দাম একটু বেশি হলেও পছন্দের জামা কিনেছি। একই বিপণীবিতানের বিক্রেতা গেধু মিয়া জানান, এবারে বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে। ক্রেতাদের উপস্থিতি আমাদের আশা বাড়িয়ে তুলেছে। দুই বছর ব্যবসা করতে পারিনি। এবার সে দুঃখ ভুলতে পারবো।
এদিকে জেলা পুলিশের একটি সুত্রে জানা গেছে, ঈদ বাজারকে নির্বিঘ্নে করতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মৌলভীবাজার প্রবাসী অধ্যসিত জেলার সকল থানার এলাকায় রমজানের ঈদ উপলক্ষে সাধারন মানুষের নিরাপত্তা জন্য মার্কেট ও বিপনি বিতানগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরা কঠোর নজরদারি রাখছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজারে “মাদকাসক্তিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের ভ‚মিকা” শীর্ষক কর্মশালা এবং সেবাগ্রহীতাদের অংশগ্রহণে গণশুনানি-২০২৬

মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

Update Time : 08:28:08 pm, Friday, 22 April 2022

মারুফ আহমদ: মৌলভীবাজারে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। করোনার ধাক্কায় গত দুই বছর বিবর্ণ ছিলো ঈদ বাজার। কেনাকাটা তেমন হয়নি গেলো চার ঈদে। তবে এবার পরিস্থিতিটা একটু ভিন্ন। করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমে আসা ও বিধিনিষেধ না থাকায় মানুষজন ঈদে কেনাকাটা করতে হাটবাজারের বিপণিবিতান ও শপিং মলে ভিড় করছেন। নতুন নতুন পোশাকে আবারও ঈদকে রঙিন করে তোলার এই তো সুযোগ এসেছে সামনে। পবিত্র ঈদ উল ফিতরের বাকি হাতেগোনা আর কয়েকদিন। মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ উল ফিতরকে ঘিরে বর্ণিল সাজে সেজেছে মৌলভীবাজার জেলা শহরসহ সবকটি উপজেলার হাটবাজারগুলো। প্রতিটি মার্কেট আর শপিং মলে লাল-নীল বাতির আলোয় উজ্জ্বল এই বাজারগুলো। সকাল থেকে রাত অবধি ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। কেনাকাটায় ছন্দ ফিরে আসায় খুশি ক্রেতা ও বিক্রেতারা। গত দুইবছর করোনার প্রকোপে ব্যবসা হয়নি বললেই চলে। ক্ষতি পুষিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন ব্যবসায়ীরা। অপরদিকে প্রিয়জনের জন্য নতুন জামা কিনতে পেরে হাসি ফুটছে ক্রেতাদের মুখেও। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মৌলভীবাজার শহরের সেন্টাল রোর্ডের অলিগলি সহ ছোট বড় শপিং মহলে ত্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় সেই সাথে চোখে পড়েছে আবার দর্জির দোকানেও।
করোনার ধাক্কা কাটিয়ে উঠে দুই বছর পর ব্যবসায় গতি ফিরে আসায় স্বস্তিতে রয়েছেন বিক্রেতারা। শহরের জুলিয়া শপিং সিটি, আহমদ ম্যানশন, এস আর মার্কেট, আশরাফ সেন্টার, শাপলা ম্যানশন, সেরাটন প্লাজা, সেভেন স্টার,ওয়েস্টান প্লাজা, জনতা ম্যানশন, বিভিন্ন প্লাজাসহ ছোট বড় দোকানে জমে উঠেছে। সেই সাথে বড় দোকান গুলোর মধ্যে এমবি ক্লথ স্টোর,বিলাস ডিপার্ট মেন্টাল স্টোর,ঈশিকা,রাজিয়া ক্লথস্টোর,,নুর ব্রাদার্স, রেমন্ড, ইনফেন্টি,দে রয়েছে পুলিশের পাশাপাশি নিজস্ব নিরাপত্তা বাহীনী। জুলিয়া শপিং সিটির ববসায়ী রিপন, সন্ঞিত,কাবের বলেন, এবার ঈদে বেচাকেনা ভালো আছে। তবে এখন দিনের বেলায় ক্রেতারা বেশি আসছেন। আশা করছি রমজানের শেষের দিকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হবে।
শপিং করতে আশা রাহেলা বেগম, পলি আক্তার, ফাতেমা বেগম জানান, এবার পছন্দের সবকিছুই পাওয়া যাচ্ছে মার্কেটে আর দাম একটু বেশি হলেও পছন্দের জামা কিনেছি। একই বিপণীবিতানের বিক্রেতা গেধু মিয়া জানান, এবারে বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে। ক্রেতাদের উপস্থিতি আমাদের আশা বাড়িয়ে তুলেছে। দুই বছর ব্যবসা করতে পারিনি। এবার সে দুঃখ ভুলতে পারবো।
এদিকে জেলা পুলিশের একটি সুত্রে জানা গেছে, ঈদ বাজারকে নির্বিঘ্নে করতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মৌলভীবাজার প্রবাসী অধ্যসিত জেলার সকল থানার এলাকায় রমজানের ঈদ উপলক্ষে সাধারন মানুষের নিরাপত্তা জন্য মার্কেট ও বিপনি বিতানগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরা কঠোর নজরদারি রাখছে।