5:11 pm, Friday, 22 May 2026

চীনে বিবিসির সাংবাদিক গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক:: বিবিসি রোববার বলেছে, চীনে তাদের একজন সাংবাদিককে পুলিশ গ্রেফতার করে প্রহার করেছে। দেশটির শূন্য-কোভিড নীতির বিরুদ্ধে আয়োজিত বিক্ষোভ-সমাবেশ কভার করার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রোববার চীনের প্রধান শহরগুলোতে কোভিডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে শত শত মানুষকে রাস্তায় নেমে আসতে দেখা যায়। চীনে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জনগণের এমন ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বিরল ঘটনা।

বিবিসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমাদের সাংবাদিক এড লরেন্সের সাথে এমন আচরণের ব্যাপারে বিবিসি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সাংহাইয়ে বিক্ষোভ কভার করার সময় তাকে গ্রেফতার করে হাতকড়া পরানো হয়েছিল।’

বিবিসি জানায়, একজন স্বীকৃত সাংবাদিক হিসেবে দেশটিতে কাজ করা লরেন্সকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল। এ সময় পুলিশ তাকে মারধর করে এবং লাথিও মারে। অবশ্য পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক যে আমাদের একজন সাংবাদিক তার দায়িত্ব পালন করার সময় এভাবে নির্যাতনের শিকার হন।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এ ঘটনায় ‘চীনা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কোন আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়া বা ক্ষমা চাওয়া হয়নি।

এতে বলা হয়, কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, জনতার ভিড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস থেকে রক্ষায় তার নিজের ভালোর জন্যই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

তবে বিবিসি বলেছে, ‘আমরা এটিকে একটি বিশ্বাসযোগ্য ব্যাখ্যা বিবেচনা করি না।’

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

চীনে বিবিসির সাংবাদিক গ্রেফতার

Update Time : 09:12:37 am, Monday, 28 November 2022

অনলাইন ডেস্ক:: বিবিসি রোববার বলেছে, চীনে তাদের একজন সাংবাদিককে পুলিশ গ্রেফতার করে প্রহার করেছে। দেশটির শূন্য-কোভিড নীতির বিরুদ্ধে আয়োজিত বিক্ষোভ-সমাবেশ কভার করার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রোববার চীনের প্রধান শহরগুলোতে কোভিডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে শত শত মানুষকে রাস্তায় নেমে আসতে দেখা যায়। চীনে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জনগণের এমন ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বিরল ঘটনা।

বিবিসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমাদের সাংবাদিক এড লরেন্সের সাথে এমন আচরণের ব্যাপারে বিবিসি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সাংহাইয়ে বিক্ষোভ কভার করার সময় তাকে গ্রেফতার করে হাতকড়া পরানো হয়েছিল।’

বিবিসি জানায়, একজন স্বীকৃত সাংবাদিক হিসেবে দেশটিতে কাজ করা লরেন্সকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল। এ সময় পুলিশ তাকে মারধর করে এবং লাথিও মারে। অবশ্য পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক যে আমাদের একজন সাংবাদিক তার দায়িত্ব পালন করার সময় এভাবে নির্যাতনের শিকার হন।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এ ঘটনায় ‘চীনা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কোন আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়া বা ক্ষমা চাওয়া হয়নি।

এতে বলা হয়, কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, জনতার ভিড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস থেকে রক্ষায় তার নিজের ভালোর জন্যই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

তবে বিবিসি বলেছে, ‘আমরা এটিকে একটি বিশ্বাসযোগ্য ব্যাখ্যা বিবেচনা করি না।’