1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
মৌলভীবাজারের ৫টি রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ থাকায় এখন ভুতুরে বাড়ি: যাত্রী দুর্ভোগ চরমে: চুরি ও নষ্ট হচ্ছে রেলওয়ের মুল্যবান সম্পদ,নতুন বছরে দৃঢ় হোক সম্প্রীতির বন্ধন, দূর হোক সংকট: প্রধানমন্ত্রী. আজ রোববার উদযাপন হবে বই উৎসব. দুর্গম এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় নতুন বই পাঠানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী, নতুন বছরে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী, নতুন আশা নিয়ে মধ্যরাতে বরণ করা হবে ২০২৩ সাল, সিডনিতে আতশবাজির মধ্য দিয়ে ‘নিউ ইয়ার’ বরণ, ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে পুলিশের কড়াকড়ি,আবারও প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক হলেন শ্যামল ,নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

মাটির উর্বরা শক্তি ধরে রাখতে ডোমার বিএডিসিতে ধইনঞ্চা চাষ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১
  • ১৪৭ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট :: দিন দিন রাসায়নিক সারের অপরিকল্পিত ও বেশি ব্যবহারের কারনে কৃষিতে খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক বেশি। কৃষিতে খরচ কমাতে ও মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি করতে ডোমার বিএডিসি প্রশংসনীয় কাজ করে আসছে। কৃত্রিম সারের অপরিকল্পিত ব্যবহারে মাটির উর্বরতা শক্তি কম হওয়া, কৃষি উৎপাদনে অধিক অর্থ ব্যয় রোধ ও মাটির গুনগত মান ঠিক রাখতে নীলফামারীর ডোমার ভিত্তি বীজআলু উৎপাদন খামারে(বিএডিসি) ব্যাপক হারে ধইনঞ্চা চাষ করা হয়েছে।

ধইঞ্চা চাষের ব্যাপারে ডোমার ভিত্তি বীজআলু খামারের(বিএডিসি) উপ পরিচালক কৃষিবীদ আবু তালেব মিঞা’র কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান,২১ বছর ধরে খামারে ধইঞ্চা চাষ করা হয়ে আসছে। খাদ্যশষ্য গাছের জীবনচক্র সঠিকভাবে সম্পন্ন করনে ১৭টি খাদ্য গুরুত্বপূর্ন। এসব খাদ্য উপাদান বাতাশ ও মাটি থেকে সংগ্রহ করে পাতা তৈরী করে ধইঞ্চা গাছ।

চলতি মৌসুমে খামারের(ফার্ম) ৩শত ৫০একর জমিতে ধইঞ্চা চাষ করা হয়েছে। হালচাষ ও বীজ ছাড়া বাড়তি কোন খরচ নেই। সাধারনত ৫৫ থেকে ৬০ দিনের মধেই প্রক্রিয়াকরনের মাধ্যমে জমিনের খাদ্য উপযোগী হয়। মাটির জীবনীশক্তি পুনরুদ্ধার,কাঙ্খিত উৎপাদন,পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা,জমির উর্বরতা বৃদ্ধি, মাটির স্বাস্থ্যরক্ষা এবং জৈবসার হিসেবেও ধইঞ্চা ব্যবহৃত হয়। ধইঞ্চা হেক্টর প্রতি ২৫ থেকে ৩০ টন উৎপাদন হয়। যা ১০০ হতে ১৫০ কেজি নাইট্রোজেন সরবরাহ করে। ইহাতে ২২০হতে ২৫০ কেজি ইউরিয়া সারের সমান কাজ করে।

তিনি আরো বলেন,প্রান্তিক কৃষকদের এই মেসেজ আপনাদের(সংবাদকর্মী) মাধ্যমে দিতে চাই। কৃষকরা উক্ত পদ্ধতি ব্যবহার করলে আমরা সবাই উপকৃত হব। প্রকৃতপক্ষে রাসায়নিক সার ও কিটনাশকের ব্যবহার কমাতে আমাদের এই উদ্দ্যেগ। তাছাড়া চাষীরা জমিতে জৈব সার প্রয়োগ করলে ফসল রোগমুক্ত থাকে। তাই সকলকে এ ব্যাপারে অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..