1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
মৌলভীবাজারের ৫টি রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ থাকায় এখন ভুতুরে বাড়ি: যাত্রী দুর্ভোগ চরমে: চুরি ও নষ্ট হচ্ছে রেলওয়ের মুল্যবান সম্পদ,নতুন বছরে দৃঢ় হোক সম্প্রীতির বন্ধন, দূর হোক সংকট: প্রধানমন্ত্রী. আজ রোববার উদযাপন হবে বই উৎসব. দুর্গম এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় নতুন বই পাঠানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী, নতুন বছরে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী, নতুন আশা নিয়ে মধ্যরাতে বরণ করা হবে ২০২৩ সাল, সিডনিতে আতশবাজির মধ্য দিয়ে ‘নিউ ইয়ার’ বরণ, ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে পুলিশের কড়াকড়ি,আবারও প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক হলেন শ্যামল ,নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

বেতন বকেয়ায় বাতিল হবে পৌরসভা, নিয়োগ হবে প্রশাসক

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৩৭ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট :: এক বছরের বেশি সময় বেতন-ভাতা বকেয়া রাখলে পৌরসভা বাতিলের বিধান রেখে ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) আইন, ২০২১’ খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে মেয়রের ৫ বছরের মেয়াদ শেষে পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার বিধান রাখা হচ্ছে সংশোধিত আইনে।

সোমবার (৪ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ অনুমোদনের কথা জানান।

সংশোধিত আইন অনুযায়ী, পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে। পৌরসভার ‘সচিব’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা’ করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

বিদ্যমান ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন-২০০৯’ এ পৌরসভা গঠন হওয়ার পর নির্বাচনের আগ পর্যন্ত প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ আছে। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্বাচন না হলে আগের মেয়র ও কাউন্সিলররা দায়িত্বে থাকেন।

এখন আইন সংশোধনে মন্ত্রিসভার সায় পাওয়ার পর নতুন বা পুরনো যে কোনো পৌরসভায় নির্বাচনসংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হলে প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ তৈরি হলো।

বিদ্যমান আইনের সুযোগ নিয়ে অনেক এলাকার পৌর মেয়ররা নির্বাচিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিজেদের লোকজন দিয়ে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে আদালতে মামলা ঠুকে দেন। এতে মামলা নিষ্পত্তির আগে পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকে না।

আর মামলা বছরের পর বছর চলার সুযোগে আগের মেয়রই দায়িত্ব পালন করেন। এমন সমস্যা থেকে উত্তরণে পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আইনটি পাস হলে পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।

উল্লিখিত জটিলতার কারণে হবিগঞ্জের আজমেরীগঞ্জ পৌরসভায় প্রায় দেড়যুগ নির্বাচন হচ্ছে না। ২০০৪ সালের ২১ জানুয়ারি আজমেরীগঞ্জকে পৌরসভা ঘোষণা করে সরকার।

এর পরপরই প্রাথমিকভাবে প্রশাসকের দায়িত্ব পান স্থানীয় বিএনপি নেতা গোলাম ফারুক। তার নেতৃত্বে পৌরসভার সীমানা নির্ধারণ সম্পর্কিত ঘটনায় আদালতে মামলা হলে সীমানা নির্ধারণে স্থগিতাদেশ দেন আদালত।

টানা ১৪ বছরের বেশি প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গোলাম ফারুক। বছর দেড়েক আগে আদালতের অপর এক আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গোলাম ফারুককে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এখন অভিভাবকহীন এ পৌরসভায় দেখভালের দায়িত্বে আছেন স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। নীলফামারীর পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ তার নির্বাচিত মেয়াদ পার হয়ে আরেক মেয়াদ পার করতে যাচ্ছেন।

কিন্তু সীমানা সংক্রান্ত আইনি জটিলতায় সেখানেও নির্বাচন হচ্ছে না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এসব কারণে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলোর ওপর বিরক্ত। তাই সমস্যার সমাধানে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন পৌরসভা গঠন ও বিদ্যমান পৌরসভা টিকিয়ে রাখতেও সংশ্লিষ্টদের কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়তে হবে। দুই ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত অনুমোদনের পর কিছু কঠোর শর্ত দেওয়া হয়েছে।

যেসব পৌরসভা ১২ মাস অর্থাৎ এক বছরের বেশি বেতন-ভাতা বকেয়া রাখবে সেসব পৌরসভা বাতিল করার ক্ষমতা থাকবে সরকারের হাতে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে পৌরসভার অন্যতম শর্ত নিজেদের আয় দিয়ে প্রতিষ্ঠান চালানো। কিন্তু দেশের বেশিরভাগ পৌরসভা নিজেদের আয় দিয়ে চলতে পারে না।

করোনার মধ্যেও অনেক পৌরসভার কর্মচারীরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করে বেতন-ভাতার দাবি করেন। এসব ঘটনায় সরকারকে বিব্রত হতে হয়।

কারণ অনেক পৌরসভা নিজেদের সংস্থানের বাইরে অনেক লোক নিয়োগ দিয়ে দেয়। আর সাধারণ মানুষ পৌরসভাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান ভেবে ঘুষ দিয়েও কাজ নেন। এ ব্যবস্থা বন্ধ করতে উল্লিখিত কঠোর শর্ত আরোপ করা হলো।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..