1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৪০ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
বিনোদন :: গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই গায়কের মর্মান্তিক মৃত্যু!,  খেলার খবর : অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, বিমানবন্দরে যুবাদের জানানো হবে উষ্ণ অভ্যর্থনা,

ক্যান্সার নির্ণয়ে কমল খরচ

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪০৭ বার পঠিত

মানবদেহে সঠিকভাবে ক্যান্সার নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিশেষ প্রযুক্তি হচ্ছে রেডিও আইসোটোপ। এবার বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বিশেষ এই প্রযুক্তির উৎপাদন শুরু করেছে। এ বছরের শুরু থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত পরমাণু শক্তি কমিশনের সাইক্লোট্রন ল্যাবে এই আইসোটোপ উৎপাদন শুরু হয়। আশার কথা হচ্ছে, এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আগের চেয়ে ক্যান্সার নির্ণয়ের খরচও কমেছে। গতকাল সকালে ‘সাইক্লোট্রন সুবিধাদিসহ পেট-সিটি স্থাপন’ প্রকল্পের মাধ্যমে সৃষ্ট চিকিৎসা ও গবেষণা সুবিধাদির উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। বর্তমানে দেশে ১৫টি পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্র চালু রয়েছে। নির্মাণ করা হচ্ছে আরও ৮টি। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সাইয়েন্সেস (নিনমাস)।
ইয়াফেস ওসমান বলেন, এই সুবিধাদির ফলে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী বিশেষভাবে উপকৃত হবে এবং পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার আরও শক্তিশালী হবে। তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে এসব সুবিধাদি দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থিত পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থাপন করা হবে।

পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সানোয়ার হোসেন বলেন, নিজস্ব সাইক্লোট্রন স্থাপনের ফলে ক্যান্সার নির্ণয়ের খরচ অনেক কমে যাবে। আগে রেডিও আইসোটোপ আমদানি বা বেসরকারি ল্যাব থেকে কিনতে হতো ফলে খরচ বেশি হতো। এই ল্যাব থেকে এখন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের ল্যাবে রেডিও আইসোটোপ সরবরাহ করা হবে।

প্রকল্প পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম জানান, এখন থেকে সরকারিভাবে পরমাণু কমিশনের ল্যাবে মাত্র ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় পেট-সিটির মাধ্যমে ক্যান্সার নির্ণয় করা যাবে। এর আগে ক্যান্সার নির্ণয়ে সরকারিভাবে ৩৫ হাজার এবং বেসরকারিভাবে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচ হতো।

কিছুদিন আগেও এই পরীক্ষা করতে বিদেশে যেতে হতো। ২০১০ সালের পর থেকে সীমিত পরিসরে এই রোগ নির্ণয় শুরু হয় বাংলাদেশে। শুরু থেকেই নিউক্লিয়ার প্রযুক্তির এ পদ্ধতির ব্যবহারে এগিয়ে আসে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে এ খাতে এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পথে বাংলাদেশ। এ ছাড়া চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণায়ও এই ল্যাব ভালো অবদান রাখবে।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..