1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:২৭ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
বিনোদন :: গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই গায়কের মর্মান্তিক মৃত্যু!,  খেলার খবর : অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, বিমানবন্দরে যুবাদের জানানো হবে উষ্ণ অভ্যর্থনা,

মালয়েশিয়ায় মুক্ত সাবেক হাইকমিশনার খায়রুজ্জামান

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৭৩ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : ১৯৭৫ সালে জেলহত্যার দায়ে অভিযুক্ত মালয়েশিয়ায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোহাম্মদ খায়রুজ্জামানকে ছেড়ে দিয়েছেন দেশটির আদালত।

মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের কাছে বিষয়টি জানিয়েছেন খায়রুজ্জামানের স্ত্রী রিটা রহমান।

রিটা রহমান বলেন, তিনি তার স্বামী খায়রুজ্জামানকে নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খায়রুজ্জামানের আইনজীবী।

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি কুয়ালালামপুরের আম্পাং এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

খায়রুজ্জামানের আইনজীবী এনজিও চাউ ইং বলেন, তার মুক্তির ক্ষেত্রে কোনো শর্ত দেওয়া হয়নি। ফলে তিনি এখন একজন মুক্ত মানুষ।

আদালতের আদেশে মুক্তি পাওয়ার পর স্থানীয় একটি সংবাদ মাধ্যমকে খায়রুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ সরকারের ‘মিথ্যা অভিযোগে’ আটক হওয়ার পর আমি অনেক বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছিলাম। আমার পরিবারের সদস্যরাও উদ্বেগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। তারা আমার স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত চিন্তিত ছিল।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমি যা করতে চাই তা হলো, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা। মুক্তির পরপরই আমি তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি এবং সে খুব আনন্দিত।

এর আগে এম খায়রুজ্জামানকে ঢাকায় ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন দেশটির আদালত। খায়রুজ্জামানের স্ত্রী রিটা রহমানের আইনজীবীর করা আবেদনে মালয়েশিয়ার হাইকোর্ট মঙ্গলবার এই আদেশ দেন বলে দেশটির সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

আদেশে বিচারপতি মোহাম্মদ জাইনি মাজলান বলেন, এই আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে গিয়ে খায়রুজ্জামানকে হস্তান্তর করা হয়েছে, এমনটি হাইকোর্ট শুনতে চান না। পরে আবেদনের পরবর্তী শুনানির জন্য ২০ মে তারিখ ধার্য করেন আদালত।

খায়রুজ্জামানের আইনজীবীদের দাবি, তাদের মক্কেল (খায়রুজ্জামান) একজন রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী। তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) কার্ডধারী। তিনি কোনো অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করেননি। তার বৈধ ভ্রমণ নথিপত্র আছে। তিনি মালয়েশিয়ায় কোনো কাজ করছিলেন না। তিনি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তাই তাকে আটক করা বেআইনি। তাকে বহিষ্কার করার অধিকার মালয়েশিয়ার নেই।

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান ১৯৭৫ সালের জেলহত্যা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন এবং পরে খালাস পান। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালে তিনি মালয়েশিয়ায় হাইকমিশনার নিযুক্ত হন।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তাকে ঢাকায় ফিরে আসার জন্য বলা হয়। দেশে ফিরে আসা ঝুঁকি মনে করে তিনি কুয়ালালামপুর থেকে জাতিসংঘের শরণার্থী কার্ড নেন এবং সেখানেই থেকে যান।

প্যারিসভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটসের (এফআইডিএইচ) তথ্য অনুযায়ী, খায়রুজ্জামান জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) নিবন্ধিত শরণার্থী।

 

 

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..