1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:১৩ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
* বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী   *  বন্যা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, সরকার সব ব্যবস্থা নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে ঋণ ও বিল খেলাপিদের ছাড়ে ব্যাংক ও সেবাপ্রতিষ্ঠানের আপত্তি

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২
  • ৯০ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট :: নির্বাচনে প্রার্থী হতে ঋণ ও বিল খেলাপিদের ছাড় দিতে নির্বাচন কমশিনের আইনি সংস্কারের প্রস্তাবে সায় দেয়নি ব্যাংক ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো। তাঁরা চান বর্তমান আইন অনুযায়ী অর্থাৎ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) তালিকাভুক্ত হলেই একজন প্রার্থী খেলাপি হিসেবে ভোটে অযোগ্য বিবেচিত হবেন— এই বিধানই থাকুক।

নির্বাচন কমিশন বলছে, নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার ক্ষেত্রে প্রার্থীর শুধু মামলার আসামি হওয়াই যথেষ্ট। ঋণ ও বিল খেলাপি হওয়ার বিষয়টি ব্যাংক ও সেবা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্যাপার। তাই অযোগ্য ঘোষণার শর্ত হিসেবে বিদ্যমান এ দুটি বিষয় বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন।

আজ সোমবার নির্বাচন ভবনে ঋণ ও বিল খেলাপিদের ছাড় দেওয়া নিয়ে আইনি সংস্কার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ অন্য কমিশনারেরা বৈঠকে বসেন। বৈঠকে ব্যাংক, সেবা প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষকসহ ১৪ ব্যক্তি অংশ নেন।

বৈঠক শেষে সিইসি জানান, ইসির দেওয়া প্রস্তাবে ব্যাংক ও সেবাপ্রতিষ্ঠানের কর্তারা ‘কমফোর্ট ফিল’ করেন না।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক ও সেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) তালিকাভুক্ত হলেই খেলাপি হিসেবে ভোটে অযোগ্য থাকবেন। সে ক্ষেত্রে বিদ্যমান গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) বিধানই বহাল রাখতে হবে।

সভা শেষে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল সাংবাদিকদের বলেন, ‘অধিকাংশই বলেছেন, ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে এখন যে বিধান রয়েছে তা থাকলেই ভালো হয়। আমরা যেটা প্রস্তাব করেছিলাম—এটাতে তাঁরা খুব কমফোর্টেবল ফিল করেন না।’ আরপিও সংশোধন করা হবে কি না আরও একটু চিন্তা করে পরবর্তীতে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন সিইসি।

বর্তমান আরপিও অনুযায়ী, ঋণ ও বিল খেলাপিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য। তবে এ ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র জমার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় সিআইবি প্রতিবেদনে যারা খেলাপি হন তাঁরা আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।

কমিশন প্রস্তাব দিয়েছিল—সিআইবি প্রতিবেদন নয়, শুধু মামলা হলেই তাঁকে ভোটে অযোগ্য করার বিধান করা যেতে পারে। সিইসির মতে, ব্যাংকের ঋণ কীভাবে আদায় করতে হবে তা ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তাঁদেরই সেটি নির্ধারণ করতে হবে। বিল কীভাবে আদায় হবে তা নির্ধারণ করবেন তাঁরাই। বিদ্যমান সমাজ ব্যবস্থায় তাঁরা (খেলাপিরা) শক্তিশালী, ঋণ খেলাপি ও বিল খেলাপি হয়ে তাঁরা পরিশোধ নাও করতে পারেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য এটি জটিল হয়।

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘বর্তমান বিধানে সত্যিকারের যারা খেলাপি নন তাঁরা অযোগ্য হয়ে পড়তে পারেন। ভোটে দাঁড়ানো মৌলিক অধিকার। তাতে যেনতেনভাবে কারও অধিকার খর্ব না করার জন্য ভিন্ন চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন।’

বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সিইসি বলেন, ‘আমরা একটা প্রস্তাব করেছিলাম, স্পিরিটটাকে স্পষ্ট করার জন্য। ঋণ ও বিল আদায়ের জন্য যাদের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা হবে শুধু তাঁদেরই আমরা ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য করব।’

বৈঠকে আলোচনার ব্যাপারে সিইসি বলেন, ‘সভায় ব্যাংকাররা আগের বিধানটা কমফোর্টেবল বলছেন। সিআইবি থেকে যে তালিকা সরবরাহ করা হয়, তার ভিত্তিতে খেলাপি নির্ধারিত হয়ে থাকে। মামলা করার বিষয়টি যুক্ত করতে চাইলে তাঁদের আপত্তি নেই।’

বৈঠকে যা বললেন ব্যাংক ও সেবা প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিরা
পূবালী ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার দেওয়ান রুহুল আহসান বলেন, ‘ব্যাংকের পক্ষ থেকে সিআইবি রিপোর্টকে প্রাধান্য দিতে বলেছি আমরা। সেই সঙ্গে প্রচলিত আইন যদি সংশোধন করতে চায় তাহলে ওই অংশটি (মামলা) যুক্ত করতে পারে।’ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মামলা করতে অসুবিধা নেই। মামলা তো করা হয়। সিআইবিতে যাদের নাম থাকবে তাঁদের ঋণখেলাপি বলতে হবে। মামলা করতে অনেকগুলো ধাপ থাকে। সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।’

ইসির প্রস্তাবে ব্যাংক রাজি কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা অবজারভেশন দিয়েছি। সিআইবিতে যা আছে তা থাকবে। মামলার কথা রাখতে চাইলে পাশাপাশি বিদ্যমান বিধানও রাখতে হবে।’

ডেসকোর চিফ ইঞ্জিনিয়ার রশিদুর রহমান বলেন, বিল খেলাপিদের বিরুদ্ধে মামলা করার বিধানে তাঁদের সম্মতি নেই। সে ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধানই বহাল রাখার পক্ষে তাঁরা মতামত দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ না করলেই বিল খেলাপি হয়ে যায় সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি গ্রাহককে জানানো হয়। কিন্তু মামলা করতে গেলে সেবা প্রতিষ্ঠানের নানা ঝুঁকিও রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

রশিদুর রহমান বলেন, ‘ইসির প্রস্তাবের পর আমাদের মতামতটা জানিয়েছি। রাখবেন কি রাখবেন না তা তাঁদের বিষয়। বিদ্যমান আইনই থাকুক। মামলাতে আমাদের সম্মতি ছিল না

 

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..