1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
* বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী   *  বন্যা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, সরকার সব ব্যবস্থা নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজারে বন্যা হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই: পৌর মেয়র

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ জুন, ২০২২
  • ৬৩ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ::টানা ভারি বৃষ্টি এবং উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেট-সুনামগঞ্জের পর বাড়তে শুরু করেছে মৌলভীবাজারের মনু নদের পানি। উজান থেকে আসা পানি বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে মৌলভীবাজারের পৌর মেয়র ফজলুর রহমান জানিয়েছেন, এবছর মৌলভীবাজারে বন্যা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সোমবার (২০ জুন) দুপুর বারোটার দিকে মনু নদের পানি পরিদর্শন করে  এসব কথা বলেন পৌর মেয়র।

নদী তীরবর্তী চাঁদনীঘাট ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করে পৌর মেয়র বলেন, দুইদিন ধরে মনু নদের পানি বাড়ছে। কিন্তু এতে চিন্তিত হবার কিছু নেই। আমরা সর্বক্ষণ পানির খবর রাখছি। গতকাল সারারাত জেগেছিলাম, মৌলভীবাজার শহরের কোনো এলাকায় এবছর বন্যা হবার আশঙ্কা নেই।

আতঙ্কিত না হবার জন্য আশ্বস্ত করে পৌর মেয়র বলেন, ২০১৮ সালের বন্যার পানি যে উচ্চতা ছিলো সেই উচ্চতা থেকে এখনো মনু নদের পানি পাঁচ ফুট নিচে রয়েছে। সুতরাং, বন্যা নিয়ে কেউ আতঙ্কিত হবেন না।

এদিকে মনু নদের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করায় প্রশাসনের নির্দেশনায় বালু ভর্তি বস্তা দিয়ে মনুর পাড়ে ব্যারিকেড দেয়া হচ্ছে। মনু নদের উত্তর পাড়ে চাঁদনীঘাটের কিছু নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করায় আশঙ্কায় আছেন তারা।

মৌলভীবাজারে গত তিন দিনের টানা বৃষ্টির কারণে পানি বেড়ে বড়লেখার ১০ টি, জুড়ী উপজেলায় ২ টি এবং রাজনগর উপজেলায় ২টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। মৌলভীবাজারে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ ও জনগণকে সতর্ক করার জন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে।

মনু ছাড়াও কুশিয়ারা নদীর তীররক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে পানি প্রবেশ করছে লোকালয়ে। ফলে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ও মনুমুখ ইউনিয়নসহ ৬টি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

ইতিমধ্যে বন্যা উপদ্রুত এলাকায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট ও ৭ উপজেলায় ২১০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগ্রাম, নতুনবস্তি ও হামরকোণা গ্রামের কুশিয়ারা নদী তীররক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে স্থানীয় শেরপুর বাজারসহ আরও ৪টি গ্রামের অন্তত হাজার খানেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে

মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ৯৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১৫ হাজার মানুষ বসবাস করছেন। ৬০টি মেডিকেল টিম বন্যা উপদ্রুত এলাকায় কর্মরত রয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অর্ণব মালাকার।

 

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..