1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
* বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী   *  বন্যা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, সরকার সব ব্যবস্থা নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

বেবি পাউডারের বিক্রি বন্ধের ঘোষণা জনসন অ্যান্ড জনসনের

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২
  • ১৪২ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বেই ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডার। তবে এ পাউডারে সম্ভাব্য ক্ষতিকারক উপাদান নিয়ে আগেই বিশ্বজুড়ে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। আর এর জেরেই এবার বিশ্বজুড়ে ট্যালকভিত্তিক বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন।

ওষুধ প্রস্তুতকারক এই সংস্থাটি বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বলেছে, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী ট্যালকভিত্তিক বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধ করবে জনসন অ্যান্ড জনসন।

রয়টার্সেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাজার হাজার ভোক্তা নিজেদের সুরক্ষায় মামলা দায়ের করার পর ২০২০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। আর এর দুই বছরেরও বেশি সময় পর এবার ২০২৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী এই পণ্যটি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হলো।

বৃহস্পতিবার জনসন অ্যান্ড জনসন জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী পোর্টফোলিও মূল্যায়নের অংশ হিসাবে আমরা সকল কর্নস্টার্চ-ভিত্তিক বেবি পাউডার পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করার বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংস্থাটি আরও বলেছে, কর্নস্টার্চ-ভিত্তিক বেবি পাউডার ইতোমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিক্রি করা হয়েছে।

এর আগে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় ট্যালক বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল জনসন অ্যান্ড জনসন। সে সময় কারণ হিসেবে সংস্থাটি জানায়, আইনি চ্যালেঞ্জের বাধার মধ্যে পণ্যটির নিরাপত্তা সম্পর্কে ‘ভুল তথ্য’ ছড়িয়ে পড়ার কারণে চাহিদা কমে গেছে।

রয়টার্স বলছে, জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডারে ক্ষতিকারক অ্যাসবেস্টসের উপস্থিতির অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। আর তাই দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের ফলে এই উপাদান থেকে হতে পারে প্রাণঘাতী ক্যানসার। মূলত এই কারণেই কোম্পানিটি ভোক্তাদের কাছ থেকে প্রায় ৩৮ হাজার মামলার সম্মুখীন হয়েছে।

এ ছাড়া ভোক্তাদের মধ্যে বেঁচে থাকা ব্যক্তিরা দাবি করেছেন, জনসনের ট্যালক পণ্যে থাকা অ্যাসবেস্টসের মাধ্যমে দূষণের কারণে ক্যান্সার সৃষ্টি করেছে। অ্যাসবেস্টস মূলত কার্সিনোজেন নামে পরিচিত। মূলত অ্যাসবেস্টস থেকে নানা ধরনের ক্যানসার হয়। তাই অ্যাসবেস্টসকে বলা হয় ‘কার্সিনোজেন’।

অবশ্য জনসন অ্যান্ড জনসন এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, কয়েক দশকের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দেওয়া অনুমোদন তাদের ট্যালক পণ্যকে নিরাপদ এবং অ্যাসবেস্টস-মুক্ত বলে প্রমাণ করেছে। বৃহস্পতিবারও প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিবৃতিতে ফের এটিই পুনর্ব্যক্ত করে এবং পণ্যটি বিক্রি বন্ধ করার ঘোষণা দেয়।

২০১৮ সালে রয়টার্সের তদন্তে দেখা যায় যে, নিজেদের ট্যালক পণ্যগুলোতে যে অ্যাসবেস্টস বা কার্সিনোজেন রয়েছে তা কয়েক দশক ধরে জানতো জনসন অ্যান্ড জনসন। এ ছাড়া কোম্পানির অভ্যন্তরীণ রেকর্ড, ট্রায়াল সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণও পাওয়া গেছে যে, অন্ততপক্ষে ১৯৭১ সাল থেকে ২০০০ এর দশকের প্রথম দিকে পর্যন্ত জনসন অ্যান্ড জনসনের ট্যালক পণ্যের কাঁচামাল এবং ফিনিশড পাউডারে করা পরীক্ষায় কখনও কখনও অল্প পরিমাণে হলেও অ্যাসবেস্টস শনাক্ত হয়েছিল।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..