8:06 am, Wednesday, 22 April 2026

মৌলভীবাজারে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

তালামীযে

মৌলভীবাজারে তালামীযে ইসলামিয়ার ঈদে মিলাদুন্নবী র‍্যালি ও আলোচনা সভা, রাসূলের (সা.) শানকে বুলন্দ করার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়েছেন: আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী,

বৃষ্টি উপেক্ষা করে মৌলভীবাজারে হাজার হাজার ছাত্র-জনতার উপস্থিতিতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজার জেলা শাখার আয়োজনে একটি ‘মোবারক র‍্যালি’ শহরে বের হয়। রাসূলের শানে শ্লোক লেখা দৃষ্টিনন্দন পতাকাখচিত ফেস্টুন, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড উঁচিয়ে মিছিলটি ধীরে ধীরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সকাল ১১টার পর থেকেই মৌলভীবাজারে মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছিল। পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বৃষ্টির মধ্যেই র‍্যালি শুরু হয়। র‍্যালিতে হাজার হাজার আশেকে রাসুল, নবীপ্রেমিক জনতার উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। বৃষ্টির বাধা ডিঙিয়ে মিছিলটি নির্ধারিত স্থান জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এসে সমাপ্ত হয়।

এর আগে সকাল ১০টায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মৌলভীবাজার জেলা তালামীযের সভাপতি জামাল আহমেদের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শাহ সামায়ুন কবির ও সহ-সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমেদের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আনজুমানে আল ইসলাহর যুগ্ম মহাসচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী।

বক্তব্যে তিনি বলেন, “রাসূলের (সা.) শানকে বুলন্দ করার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়েছেন। আমাদের এই প্রচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য আল্লাহর মকবুলিয়াত হাসিল করা। আল্লাহর রাসূলের শান ও মানের পক্ষে কাজ করে নিজেদের জীবনকে উজ্বলা করা। যিনি কবিতা লিখতে পারেন তিনি রাসূলের শানে কবিতা লিখবেন। তিনি সাহাবি হাসসানের অনুসারী হয়ে যাবেন। যারা নাত গাইতে পারেন তারা নাত গাইবেন।” মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী রবিউল আউয়াল মাস সম্পর্কে বলেন, “এই মাসকে আমরা আল্লাহর রাসূল (সা.) কে ভালোভাবে জানা-শোনার মাস হিসেবে নিতে পারি। আমরা আল্লাহর রাসূলের ফয়েজ ও নূর হাসিলের উপলক্ষ হিসেবে গ্রহণ করব। আমাদের ইমানকে তাজা করব। যাতে বাকি ১১ মাস আমাদের ইমানি খোরাক অর্জন করতে পারি।”

তিনি ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এর যারা বিরোধিতা করেন তাদের ব্যাপারে বলেন, “যদিও কিছু কথাবার্তা শোনা যায় তা সময়ের সাথে মিলিয়ে যাবে। কিন্তু আমরা কারো বিরোধিতা করতে গিয়ে এমন শব্দ বলব না যাতে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সুন্নাতের খেলাফ হয়। কোনো খারাপ শব্দ কারো বিপক্ষে বলব না। তিনি বলেন, আমাদের সকল আয়োজন, র‍্যালি, মিলাদ ও কাসিদা, নাত পড়া পূর্বসুরীদের কর্ম দ্বারা প্রমাণিত।” অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন।

তিনি বলেন, “আল্লাহর রাসূল (সা.) সুনির্দিষ্ট কোনো জাতির জন্য আগমন করেন নি। বরং তিনি জ্বিন-ইনসান সকলের জন্যই রহমত স্বরূপ প্রেরিত হয়েছিলেন। তিনি আমাদেরকে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বন্ধনকে কীভাবে মজবুত করতে হয়, তা শিখিয়েছেন। হিলফুল ফুজুল গঠন করে সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। হুদায়বিয়ার সন্ধির মাধ্যমে রাসূলের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা বিশ্ববাসীর কাছে প্রমাণিত। তিনি অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য যাকাত ও সাদাকাতুল ফিতরের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এছাড়া মক্কা বিজয়ের পর মক্কাবাসীর প্রতি আশার বাণী শুনিয়ে বলেছিলেন, তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আল ইসলাহর সভাপতি অধ্যক্ষ মুফতি শামসুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় তালামীযের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলী রাব্বি রতন, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক নাসির খান, তালামীযের সিলেট মহানগর সভাপতি হোসাইন আহমদ, জেলা আল ইসলাহর সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা এমএ আলিম, সাধারণ সম্পাদক হাফিজ এনামুল হক।

বক্তব্য রাখেন জেলা আল ইসলাহর সহ-সাধারণ সম্পাদক মাও: সৈয়দ ইউনুস আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বশির আহমদ, জেলা তালামীযের সহ-সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন সাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন রাফি, সদর উপজেলা আল ইসলাহর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আসাব আলী আনসারী, তালামীযের সাবেক জেলা সভাপতি মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, এমএ জলিল, আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আল ইসলাহর সদস্য মাওলানা সৈয়দ মুহিত উদ্দিন, সদর উপজেলা সভাপতি সায়েম আহমদ, শহর সভাপতি শিহাবুর রহমান, কুলাউড়া পৌর সভাপতি রাসেল আহমদ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা সাধারণ সম্পাদক তোফজ্জল হোসেন ইমন, শহর সাধারণ সম্পাদক শাহি উদ্দিন, রাজনগর উপজেলা আল ইসলাহর সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ ফরহাদ আহমদ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আল ইসলাহর উপদেষ্টা মো. ফখরুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মো. একলাছুর রহমান, মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা জুনেদ আহমদ, জেলা আল ইসলাহর সহ-সাংগঠনিক মাওলানা শামছুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মাও: মো. শফিকুর আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সালাহ উদ্দিন ইবনে শিহাব, জেলা তালামীযের সহ-সাংগঠনিক আবুল হোসেন, প্রচার সম্পাদক আলী হোসেন মিতুল, সহ-প্রচার সম্পাদক শাকিল আহমদ, অফিস সম্পাদক মো. রুবেল চৌধুরী, প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইমরান হোসেন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমরান আহমদ, সহ-শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ, কমলগঞ্জ উপজেলা আল-ইসলাহর সহ-সভাপতি আব্দুল আহাদ, ইয়াকুবিয়া হিফজুল কোরআন বোর্ডের সদর উপজেলা সভাপতি হাফিজ আবদুর রশিদ, তালামীযের মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, শ্রীমঙ্গল উপজেলা সভাপতি সালেহ আহমদ, রাজনগর উপজেলা সভাপতি জহিরুল ইসলাম, জুড়ী উপজেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বড়লেখা উপজেলা সভাপতি হাবিবুর রহমান, কুলাউড়া উপজেলা সভাপতি সামছুল ইসলাম, কমলগঞ্জ উপজেলা সভাপতি আব্দুস সামাদ রাফি, মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসার সভাপতি হাফিজ নাফিজুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল পৌর সভাপতি হৃদয় আলম, বড়লেখা পৌর সভাপতি আবু সুফিয়ান, কমলগঞ্জ পৌর সভাপতি তৌহিদ আহমদ, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাসুম হাজারী, রাজনগর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ শিপু, কুলাউড়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, জুড়ী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান শাহান, বড়লেখা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শাহান আহমদ, মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম আজাদ প্রমুখ।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় ভাঙাচোরা সড়কে মানুষের চরম ভোগান্তি

মৌলভীবাজারে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

Update Time : 12:39:21 am, Sunday, 14 September 2025

মৌলভীবাজারে তালামীযে ইসলামিয়ার ঈদে মিলাদুন্নবী র‍্যালি ও আলোচনা সভা, রাসূলের (সা.) শানকে বুলন্দ করার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়েছেন: আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী,

বৃষ্টি উপেক্ষা করে মৌলভীবাজারে হাজার হাজার ছাত্র-জনতার উপস্থিতিতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া মৌলভীবাজার জেলা শাখার আয়োজনে একটি ‘মোবারক র‍্যালি’ শহরে বের হয়। রাসূলের শানে শ্লোক লেখা দৃষ্টিনন্দন পতাকাখচিত ফেস্টুন, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড উঁচিয়ে মিছিলটি ধীরে ধীরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সকাল ১১টার পর থেকেই মৌলভীবাজারে মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছিল। পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বৃষ্টির মধ্যেই র‍্যালি শুরু হয়। র‍্যালিতে হাজার হাজার আশেকে রাসুল, নবীপ্রেমিক জনতার উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। বৃষ্টির বাধা ডিঙিয়ে মিছিলটি নির্ধারিত স্থান জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এসে সমাপ্ত হয়।

এর আগে সকাল ১০টায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মৌলভীবাজার জেলা তালামীযের সভাপতি জামাল আহমেদের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শাহ সামায়ুন কবির ও সহ-সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমেদের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আনজুমানে আল ইসলাহর যুগ্ম মহাসচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী।

বক্তব্যে তিনি বলেন, “রাসূলের (সা.) শানকে বুলন্দ করার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়েছেন। আমাদের এই প্রচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য আল্লাহর মকবুলিয়াত হাসিল করা। আল্লাহর রাসূলের শান ও মানের পক্ষে কাজ করে নিজেদের জীবনকে উজ্বলা করা। যিনি কবিতা লিখতে পারেন তিনি রাসূলের শানে কবিতা লিখবেন। তিনি সাহাবি হাসসানের অনুসারী হয়ে যাবেন। যারা নাত গাইতে পারেন তারা নাত গাইবেন।” মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী রবিউল আউয়াল মাস সম্পর্কে বলেন, “এই মাসকে আমরা আল্লাহর রাসূল (সা.) কে ভালোভাবে জানা-শোনার মাস হিসেবে নিতে পারি। আমরা আল্লাহর রাসূলের ফয়েজ ও নূর হাসিলের উপলক্ষ হিসেবে গ্রহণ করব। আমাদের ইমানকে তাজা করব। যাতে বাকি ১১ মাস আমাদের ইমানি খোরাক অর্জন করতে পারি।”

তিনি ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এর যারা বিরোধিতা করেন তাদের ব্যাপারে বলেন, “যদিও কিছু কথাবার্তা শোনা যায় তা সময়ের সাথে মিলিয়ে যাবে। কিন্তু আমরা কারো বিরোধিতা করতে গিয়ে এমন শব্দ বলব না যাতে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সুন্নাতের খেলাফ হয়। কোনো খারাপ শব্দ কারো বিপক্ষে বলব না। তিনি বলেন, আমাদের সকল আয়োজন, র‍্যালি, মিলাদ ও কাসিদা, নাত পড়া পূর্বসুরীদের কর্ম দ্বারা প্রমাণিত।” অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন।

তিনি বলেন, “আল্লাহর রাসূল (সা.) সুনির্দিষ্ট কোনো জাতির জন্য আগমন করেন নি। বরং তিনি জ্বিন-ইনসান সকলের জন্যই রহমত স্বরূপ প্রেরিত হয়েছিলেন। তিনি আমাদেরকে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বন্ধনকে কীভাবে মজবুত করতে হয়, তা শিখিয়েছেন। হিলফুল ফুজুল গঠন করে সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। হুদায়বিয়ার সন্ধির মাধ্যমে রাসূলের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা বিশ্ববাসীর কাছে প্রমাণিত। তিনি অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য যাকাত ও সাদাকাতুল ফিতরের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এছাড়া মক্কা বিজয়ের পর মক্কাবাসীর প্রতি আশার বাণী শুনিয়ে বলেছিলেন, তোমাদের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আল ইসলাহর সভাপতি অধ্যক্ষ মুফতি শামসুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় তালামীযের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলী রাব্বি রতন, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক নাসির খান, তালামীযের সিলেট মহানগর সভাপতি হোসাইন আহমদ, জেলা আল ইসলাহর সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা এমএ আলিম, সাধারণ সম্পাদক হাফিজ এনামুল হক।

বক্তব্য রাখেন জেলা আল ইসলাহর সহ-সাধারণ সম্পাদক মাও: সৈয়দ ইউনুস আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা বশির আহমদ, জেলা তালামীযের সহ-সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন সাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন রাফি, সদর উপজেলা আল ইসলাহর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আসাব আলী আনসারী, তালামীযের সাবেক জেলা সভাপতি মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, এমএ জলিল, আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আল ইসলাহর সদস্য মাওলানা সৈয়দ মুহিত উদ্দিন, সদর উপজেলা সভাপতি সায়েম আহমদ, শহর সভাপতি শিহাবুর রহমান, কুলাউড়া পৌর সভাপতি রাসেল আহমদ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা সাধারণ সম্পাদক তোফজ্জল হোসেন ইমন, শহর সাধারণ সম্পাদক শাহি উদ্দিন, রাজনগর উপজেলা আল ইসলাহর সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ ফরহাদ আহমদ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আল ইসলাহর উপদেষ্টা মো. ফখরুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মো. একলাছুর রহমান, মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা জুনেদ আহমদ, জেলা আল ইসলাহর সহ-সাংগঠনিক মাওলানা শামছুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মাও: মো. শফিকুর আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সালাহ উদ্দিন ইবনে শিহাব, জেলা তালামীযের সহ-সাংগঠনিক আবুল হোসেন, প্রচার সম্পাদক আলী হোসেন মিতুল, সহ-প্রচার সম্পাদক শাকিল আহমদ, অফিস সম্পাদক মো. রুবেল চৌধুরী, প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইমরান হোসেন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমরান আহমদ, সহ-শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ, কমলগঞ্জ উপজেলা আল-ইসলাহর সহ-সভাপতি আব্দুল আহাদ, ইয়াকুবিয়া হিফজুল কোরআন বোর্ডের সদর উপজেলা সভাপতি হাফিজ আবদুর রশিদ, তালামীযের মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, শ্রীমঙ্গল উপজেলা সভাপতি সালেহ আহমদ, রাজনগর উপজেলা সভাপতি জহিরুল ইসলাম, জুড়ী উপজেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বড়লেখা উপজেলা সভাপতি হাবিবুর রহমান, কুলাউড়া উপজেলা সভাপতি সামছুল ইসলাম, কমলগঞ্জ উপজেলা সভাপতি আব্দুস সামাদ রাফি, মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসার সভাপতি হাফিজ নাফিজুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল পৌর সভাপতি হৃদয় আলম, বড়লেখা পৌর সভাপতি আবু সুফিয়ান, কমলগঞ্জ পৌর সভাপতি তৌহিদ আহমদ, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাসুম হাজারী, রাজনগর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ শিপু, কুলাউড়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, জুড়ী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান শাহান, বড়লেখা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শাহান আহমদ, মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম আজাদ প্রমুখ।