1:58 am, Thursday, 22 January 2026

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা: প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান বিচারপতির কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল পারস্পরিক কুশলতা বিনিময়ের পাশাপাশি তারা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘকালের দ্বিপাক্ষিক ঐতিহাসিক সম্পর্কে আলোচনা করেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, চীনের রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে আগামী দিনগুলোতে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া, বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ গঠনে চীন বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত মর্মে তিনি প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন। বিশেষ করে, তিনি দুই দেশের বিচার ব্যবস্থায় পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া সৃষ্টিতে উভয় দেশের বিচারকগণের সমন্বয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিকে চীন ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান।

এছাড়া চীনের রাষ্ট্রদূত প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন যে, জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসায় তার দেশ বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ করেছে।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যে আকস্মিক বন্যার প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল তা মোকাবিলায় চীন বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদান করেছে। পারস্পরিক সুসম্পর্কের এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি চীনের রাষ্ট্রদূতকে বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং উভয় দেশের বিচার বিভাগের পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়াতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ হতে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেন যে ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সংঘটিত জুলাই-আগস্ট বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে বদ্ধ পরিকর।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর-জুলাই সনদে ইতালির পূর্ণ সমর্থন

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

Update Time : 11:19:46 am, Monday, 30 December 2024

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা: প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান বিচারপতির কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল পারস্পরিক কুশলতা বিনিময়ের পাশাপাশি তারা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘকালের দ্বিপাক্ষিক ঐতিহাসিক সম্পর্কে আলোচনা করেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, চীনের রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে আগামী দিনগুলোতে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া, বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ গঠনে চীন বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত মর্মে তিনি প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন। বিশেষ করে, তিনি দুই দেশের বিচার ব্যবস্থায় পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া সৃষ্টিতে উভয় দেশের বিচারকগণের সমন্বয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিকে চীন ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান।

এছাড়া চীনের রাষ্ট্রদূত প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন যে, জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসায় তার দেশ বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ করেছে।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যে আকস্মিক বন্যার প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল তা মোকাবিলায় চীন বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদান করেছে। পারস্পরিক সুসম্পর্কের এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি চীনের রাষ্ট্রদূতকে বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং উভয় দেশের বিচার বিভাগের পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়াতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ হতে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেন যে ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সংঘটিত জুলাই-আগস্ট বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে বদ্ধ পরিকর।