8:20 pm, Friday, 22 May 2026

এয়ারপোর্টে রেমিট্যান্স যোদ্ধা সেলিমের লাশের পাশে বসে সন্তানের জীবনের নুতন যাত্রা

মশাহিদ আহমদ: কয়েক মিনিটের ব্যবধানেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন কুয়েত প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা সেলিম। তিনি আজ ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে কুয়েত থেকে দেশে ফিরছিলেন। তার বাড়ী মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নে। তিনি একজন ভালো ফুটবলার ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সুত্র জানায়- আজ সকালে এয়ারপোর্টে স্ত্রী সন্তান ও বন্ধুজন রিসিভ করার জন্য অপক্ষো করছেন। বাইরে অপেক্ষায় স্ত্রী-সন্তান ও বন্ধুজন, কয়েক মিনিটের মধ্যে সাক্ষাৎ হবে। আবেগ ধরে রাখছেন সকলেই। হঠাৎ অসুস্থ বোধ করছেন সেলিম হোসেন, মাথা ঘুরে পরে গেলেন মেঝেতে। কেউ কিছুই বুঁজে উঠতে পারছেনা। এয়ারপোর্ট কতৃপক্ষ দ্রুত চিকিৎসা চেষ্টা করলেন। অফেক্ষমান আপনজন বিমর্ষ অবস্থায়, কয়েক হাসপাতালে নিয়ে গেলেন। কোন চেষ্টা কাজে আসলোনা। আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন। প্রবাসী বাবা অনেক বছর পর দেশে ফিরেছেন, কত আনন্দ উপভোগ করার কথা ছিলো, এখন সবই স্মৃতি। বাবার লাশের পাশে বসে সন্তানের জীবনের নুতন যাত্রা। স্ত্রী চোখে শর্সেফুল দেখছেন। কয়েক মিনিটের ব্যবধান ভালো করে কথা বলা হলোনা কারও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পাসপোর্টের কপিসহ সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনা লিখেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু এমএ মুবিন। এ সংবাদ পরিবেশন পর্যন্ত রেমিট্যান্স যোদ্ধা সেলিম হোসেন’র মরদেহটি নিয়ে মৌলভীবাজার তার গ্রামের বাড়ী নিয়ে আসা হচ্ছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

এয়ারপোর্টে রেমিট্যান্স যোদ্ধা সেলিমের লাশের পাশে বসে সন্তানের জীবনের নুতন যাত্রা

Update Time : 12:03:33 pm, Monday, 27 September 2021

মশাহিদ আহমদ: কয়েক মিনিটের ব্যবধানেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন কুয়েত প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা সেলিম। তিনি আজ ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে কুয়েত থেকে দেশে ফিরছিলেন। তার বাড়ী মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নে। তিনি একজন ভালো ফুটবলার ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সুত্র জানায়- আজ সকালে এয়ারপোর্টে স্ত্রী সন্তান ও বন্ধুজন রিসিভ করার জন্য অপক্ষো করছেন। বাইরে অপেক্ষায় স্ত্রী-সন্তান ও বন্ধুজন, কয়েক মিনিটের মধ্যে সাক্ষাৎ হবে। আবেগ ধরে রাখছেন সকলেই। হঠাৎ অসুস্থ বোধ করছেন সেলিম হোসেন, মাথা ঘুরে পরে গেলেন মেঝেতে। কেউ কিছুই বুঁজে উঠতে পারছেনা। এয়ারপোর্ট কতৃপক্ষ দ্রুত চিকিৎসা চেষ্টা করলেন। অফেক্ষমান আপনজন বিমর্ষ অবস্থায়, কয়েক হাসপাতালে নিয়ে গেলেন। কোন চেষ্টা কাজে আসলোনা। আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন। প্রবাসী বাবা অনেক বছর পর দেশে ফিরেছেন, কত আনন্দ উপভোগ করার কথা ছিলো, এখন সবই স্মৃতি। বাবার লাশের পাশে বসে সন্তানের জীবনের নুতন যাত্রা। স্ত্রী চোখে শর্সেফুল দেখছেন। কয়েক মিনিটের ব্যবধান ভালো করে কথা বলা হলোনা কারও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পাসপোর্টের কপিসহ সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনা লিখেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু এমএ মুবিন। এ সংবাদ পরিবেশন পর্যন্ত রেমিট্যান্স যোদ্ধা সেলিম হোসেন’র মরদেহটি নিয়ে মৌলভীবাজার তার গ্রামের বাড়ী নিয়ে আসা হচ্ছে।