4:31 am, Friday, 22 May 2026

এ কোন নরক এই পৃথিবীতে: জয়া

বিনোদন ডেস্ক :: গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। তাদের ভয়াবহ হামলায় এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক ফিলিস্তিন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের এ হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা চলছে বিশ্বজুড়ে।

গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের হামলা নিয়ে মর্মাহত বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা জয়া আহসান। বুধবার (১৯ মে) ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইয়েড পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

জয়া আহসান লিখেছেন, ফিলিস্তিনের ছবি দেখছি খবরের কাগজে, টেলিভিশনের পর্দায়। দেখছি আর নরকের অতলে নেমে যাচ্ছি মনে হয়। ভেঙে ঝুরঝুরে হয়ে যাওয়া বাড়িঘর। তার ওপরে ভাসছে পাক খাওয়া আগুন। আর সারিবাঁধা তরতাজা লাশ। একটু আগেই তারা হাসছিল, খাচ্ছিল, শিশুটি নিচ্ছিল মায়ের আদর।

যারা বেঁচে আছে, তারা রক্তমাখা। আগুনের লেলিহান শিখার নিচে ছুটোছুটি করছে। নিজের জীবন বাঁচাতে নয়। ধংসস্তূপের ঝাঁঝরা ইঁট সরিয়ে সরিয়ে তারা বের করে আনছে চাপা পড়ে থাকা শিশুদের। ওই কচি বাচ্চাগুলো ডুবে ছিল আলো–বাতাসহীন বিভীষিকার তলায়।

একটি শিশুকে উদ্ধার করা হলো, ওর পুরো পরিবার পাঁচ মিনিট আগেও মমতায় ঘিরে রেখেছিল ওকে। পৃথিবীতে এখন সে একেবারে একা। ছোট্ট একট খুকি। এখনই তার পরিবার নেই, দেশ তো ছিলই না।

খবরের কাগজে পড়লাম, গত এক সপ্তাহে ইজরায়েলের নির্মম হামলায় ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি মারা গেছেন। এর চার ভাগের এক ভাগেরও বেশি নাকি শিশু। এ কোন নরক এই পৃথিবীতে!

তাদের অসহায়তা আর হাহাকারে কণ্ঠ বুঁজে আসে।

এই যুদ্ধ থামুক। শিশুরা খেলা করুক রোদেলা মাঠে, খেজুর গাছের নিচে। নিজের দেশে দেশছাড়া এই মানুষগুলো নিজেদের এক চিলতে ঘরে ফিরুক। এক জীবনে কি এটা খুব বড় প্রত্যাশা?

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

এ কোন নরক এই পৃথিবীতে: জয়া

Update Time : 06:02:20 am, Thursday, 20 May 2021

বিনোদন ডেস্ক :: গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। তাদের ভয়াবহ হামলায় এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক ফিলিস্তিন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের এ হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা চলছে বিশ্বজুড়ে।

গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের হামলা নিয়ে মর্মাহত বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা জয়া আহসান। বুধবার (১৯ মে) ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইয়েড পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

জয়া আহসান লিখেছেন, ফিলিস্তিনের ছবি দেখছি খবরের কাগজে, টেলিভিশনের পর্দায়। দেখছি আর নরকের অতলে নেমে যাচ্ছি মনে হয়। ভেঙে ঝুরঝুরে হয়ে যাওয়া বাড়িঘর। তার ওপরে ভাসছে পাক খাওয়া আগুন। আর সারিবাঁধা তরতাজা লাশ। একটু আগেই তারা হাসছিল, খাচ্ছিল, শিশুটি নিচ্ছিল মায়ের আদর।

যারা বেঁচে আছে, তারা রক্তমাখা। আগুনের লেলিহান শিখার নিচে ছুটোছুটি করছে। নিজের জীবন বাঁচাতে নয়। ধংসস্তূপের ঝাঁঝরা ইঁট সরিয়ে সরিয়ে তারা বের করে আনছে চাপা পড়ে থাকা শিশুদের। ওই কচি বাচ্চাগুলো ডুবে ছিল আলো–বাতাসহীন বিভীষিকার তলায়।

একটি শিশুকে উদ্ধার করা হলো, ওর পুরো পরিবার পাঁচ মিনিট আগেও মমতায় ঘিরে রেখেছিল ওকে। পৃথিবীতে এখন সে একেবারে একা। ছোট্ট একট খুকি। এখনই তার পরিবার নেই, দেশ তো ছিলই না।

খবরের কাগজে পড়লাম, গত এক সপ্তাহে ইজরায়েলের নির্মম হামলায় ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি মারা গেছেন। এর চার ভাগের এক ভাগেরও বেশি নাকি শিশু। এ কোন নরক এই পৃথিবীতে!

তাদের অসহায়তা আর হাহাকারে কণ্ঠ বুঁজে আসে।

এই যুদ্ধ থামুক। শিশুরা খেলা করুক রোদেলা মাঠে, খেজুর গাছের নিচে। নিজের দেশে দেশছাড়া এই মানুষগুলো নিজেদের এক চিলতে ঘরে ফিরুক। এক জীবনে কি এটা খুব বড় প্রত্যাশা?