12:06 am, Saturday, 7 November 2026

কমলগঞ্জে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে টিলা কাটা! অভিযানের খবর পেয়ে ভেকু ফেলে পালাল শ্রমিকরা

আকরামুল রাজ্জাক চৌধুরী :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ছয়ঘরি গ্রামে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত টিলা কেটে ভবন নির্মাণ চেষ্টার অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টিলা কেটে সমতল করে সেখানে ভবন নির্মাণের কাজ চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ ছিল না।

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন স্থানীয় পত্রপত্রিকায় বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হলে পরিবেশ সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিবেশকর্মী নুরুল মোহাইমিন মিলটন জরুরি ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

তিনি বলেন, “টিলা কাটা শুধু পরিবেশের ক্ষতি নয়, এটি ভবিষ্যতে ভূমিধস, জলাবদ্ধতা এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মতো ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। প্রশাসনের দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “ফেসবুকে বিষয়টি প্রচার হওয়ার পরপরই আমরা পুলিশসহ লোকজন পাঠাই। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এস্কেভেটর (ভেকু) ফেলে শ্রমিকরা পালিয়ে যায়।”

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, টিলা ও পাহাড় রক্ষা করা শুধু পরিবেশগত দায়িত্ব নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য এলাকা নিশ্চিত করারও অংশ। তাই দ্রুত অবৈধ টিলা কাটা বন্ধ এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

সাংবাদিক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

কমলগঞ্জে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে টিলা কাটা! অভিযানের খবর পেয়ে ভেকু ফেলে পালাল শ্রমিকরা

Update Time : 08:14:27 am, Sunday, 26 April 2026

আকরামুল রাজ্জাক চৌধুরী :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ছয়ঘরি গ্রামে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত টিলা কেটে ভবন নির্মাণ চেষ্টার অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টিলা কেটে সমতল করে সেখানে ভবন নির্মাণের কাজ চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান পদক্ষেপ ছিল না।

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন স্থানীয় পত্রপত্রিকায় বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হলে পরিবেশ সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিবেশকর্মী নুরুল মোহাইমিন মিলটন জরুরি ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

তিনি বলেন, “টিলা কাটা শুধু পরিবেশের ক্ষতি নয়, এটি ভবিষ্যতে ভূমিধস, জলাবদ্ধতা এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মতো ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। প্রশাসনের দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “ফেসবুকে বিষয়টি প্রচার হওয়ার পরপরই আমরা পুলিশসহ লোকজন পাঠাই। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এস্কেভেটর (ভেকু) ফেলে শ্রমিকরা পালিয়ে যায়।”

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, টিলা ও পাহাড় রক্ষা করা শুধু পরিবেশগত দায়িত্ব নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য এলাকা নিশ্চিত করারও অংশ। তাই দ্রুত অবৈধ টিলা কাটা বন্ধ এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।