4:00 pm, Wednesday, 23 September 2026

কুলাউড়ায় কোরবানির হাটে গরু নিয়ে বিপাকে হাওর তীরের কৃষক খামারিরা

হাসান আল মাহমুদ রাজু : কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে হাকালুকি হাওর তীরে লালন-পালন করা গরুগুলোকে ঘাসের খাদ্য অভাবে অনেকে লোকসান গুনে কম দামে বিক্রি করছেন কৃষক ও খামারিরা।

সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাকালুকি হাওর তীরের ভুকশিমইল কোরবানি ঈদ কে কেন্দ্র করে বাজারে শত শত গবাদ পশু স্থানীয় হাওর তীরের কৃষক ও খামারিরা বিক্রি করার জন্য তুলেছেন।ছোট বড় ও মাঝারি আকারের গরু রয়েছে হাট বাজারে।কোরবানির হাট বাজারে ক্রেতাদের ভীর দেখা গেলেও বেশি দামে পশু বিক্রি করতে পারছেন। বড় গরুর ছেয়ে বেশি মাঝারি সাইজের গরু বেশি ক্রেতারা ক্রয় করছে। তাও অনেক কম দামে। কুলাউড়া উপজেলার হাকালুকি হাওরের টানা বৃষ্টি স্র পাহাড়ি ঢলের পানি প্রতিদিন প্রবাহিত হচ্ছে। পুর্বে হাওরে অকাল বন্যার কারনে হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমি ধান পানিতে তলিয়ে যায়। যার ফলে হাওর পারের কৃষকরা সময় মত ধান কাটতে পারে অনেক ধান নষ্ট হয়ে যায় যার ফলে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট দেখা দেয়। এই সংকট কোরবানি ঈদের হাটে প্রভাব পরছে।প্রতি দিন বৃষ্টি থাকার কারনে কাদা মাখা হাটে হাটে পশুর সরবরাহ প্রচুর থাকলেও ক্রেতা সমাগম তুলনামূলক কম, যার ফলে বিক্রেতারা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। খামারিয়া ক্রেতাদের কাছে অনেক কম দামে গরু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এছাড়াও দেখা যায় কুলাউড়া, ব্রাহ্মণবসজার ও রবিরবাজার কোরবানির ঈদের হাট বসছে। এই তিন টি বড় হাটে হাটে গরু বিক্রি ও ক্রেতা বিক্রেতার ভীর দেখা যায়।

হাওর পারের কৃষক ও খামারিরা জানান,এবার কোরবানি ঈদের হাটে আমরা খুব কম দামে গরু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। কারন আমরা এখন গবাদি পশুর খাদ্য সংকট থাকায়।হাওরে পানি থাকায় আমরা লোকসান গোনতে চচ্ছে। ক্রেতাদের ভীর থাকলেও কাদা মাখা বৃষ্টির মাঝেও ক্রেতারে বড় গরু চাহিদা না থাকায় বেশির ভাগ মাঝারি চাহিদার গরু ক্রেতারা ক্রয় করছে।আমরা অনেক বিপাকে ও লসে রয়েছি।তবুও মুল ধনের আশায় গরু বিক্রি করছি।আমাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত রয়েছে এখন আমাদের নগত অর্থের প্রয়োজন তাই কম দাম হলেও লালন করা গরু বিক্রি করতে আমরা বাধ্য।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় কোরবানির হাটে গরু নিয়ে বিপাকে হাওর তীরের কৃষক খামারিরা

Update Time : 11:51:35 am, Monday, 25 May 2026

হাসান আল মাহমুদ রাজু : কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে হাকালুকি হাওর তীরে লালন-পালন করা গরুগুলোকে ঘাসের খাদ্য অভাবে অনেকে লোকসান গুনে কম দামে বিক্রি করছেন কৃষক ও খামারিরা।

সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাকালুকি হাওর তীরের ভুকশিমইল কোরবানি ঈদ কে কেন্দ্র করে বাজারে শত শত গবাদ পশু স্থানীয় হাওর তীরের কৃষক ও খামারিরা বিক্রি করার জন্য তুলেছেন।ছোট বড় ও মাঝারি আকারের গরু রয়েছে হাট বাজারে।কোরবানির হাট বাজারে ক্রেতাদের ভীর দেখা গেলেও বেশি দামে পশু বিক্রি করতে পারছেন। বড় গরুর ছেয়ে বেশি মাঝারি সাইজের গরু বেশি ক্রেতারা ক্রয় করছে। তাও অনেক কম দামে। কুলাউড়া উপজেলার হাকালুকি হাওরের টানা বৃষ্টি স্র পাহাড়ি ঢলের পানি প্রতিদিন প্রবাহিত হচ্ছে। পুর্বে হাওরে অকাল বন্যার কারনে হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমি ধান পানিতে তলিয়ে যায়। যার ফলে হাওর পারের কৃষকরা সময় মত ধান কাটতে পারে অনেক ধান নষ্ট হয়ে যায় যার ফলে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট দেখা দেয়। এই সংকট কোরবানি ঈদের হাটে প্রভাব পরছে।প্রতি দিন বৃষ্টি থাকার কারনে কাদা মাখা হাটে হাটে পশুর সরবরাহ প্রচুর থাকলেও ক্রেতা সমাগম তুলনামূলক কম, যার ফলে বিক্রেতারা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। খামারিয়া ক্রেতাদের কাছে অনেক কম দামে গরু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এছাড়াও দেখা যায় কুলাউড়া, ব্রাহ্মণবসজার ও রবিরবাজার কোরবানির ঈদের হাট বসছে। এই তিন টি বড় হাটে হাটে গরু বিক্রি ও ক্রেতা বিক্রেতার ভীর দেখা যায়।

হাওর পারের কৃষক ও খামারিরা জানান,এবার কোরবানি ঈদের হাটে আমরা খুব কম দামে গরু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। কারন আমরা এখন গবাদি পশুর খাদ্য সংকট থাকায়।হাওরে পানি থাকায় আমরা লোকসান গোনতে চচ্ছে। ক্রেতাদের ভীর থাকলেও কাদা মাখা বৃষ্টির মাঝেও ক্রেতারে বড় গরু চাহিদা না থাকায় বেশির ভাগ মাঝারি চাহিদার গরু ক্রেতারা ক্রয় করছে।আমরা অনেক বিপাকে ও লসে রয়েছি।তবুও মুল ধনের আশায় গরু বিক্রি করছি।আমাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত রয়েছে এখন আমাদের নগত অর্থের প্রয়োজন তাই কম দাম হলেও লালন করা গরু বিক্রি করতে আমরা বাধ্য।