11:19 am, Friday, 22 May 2026

কোটা আন্দোলন: আতংকে পর্যটক শূন্য মৌলভীবাজার

বিশেষ প্রতিবেদক: নানান প্রতিকুলতার মুখে পড়েছে মৌলভীবাজার জেলার পর্যটন শিল্প। যখন ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে পর্যটক আগমের ভরা মৌসুম, ঠিক তখনই দেখা দেয় বন্যা। বন্যার রেশ কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারো দেশ জুড়ে ছাত্র-ছাত্রীদের কোটা আন্দোলনের মুখে পড়ে এই জেলার পর্যটন শিল্প। এতে করে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে এই জেলার পর্যটন। কোটা আন্দোলনের উপর ভর করে দুস্কৃতিকারী কর্তৃক সংগঠিত সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ভ্রমন পিপাসুরা অনেকটা আতংকের মধ্যে রয়েছেন। যে কারনে এক সময়ের দেশ-বিদেশের পর্যটকদের পদবারে মুখরিত মৌলভীবাজার জেলা এখন পর্যটক শূন্য রয়েছে। এ অবস্থায় চরম লোকসানে পড়েছেন এ শিল্পের সাথে সম্পৃক্তরা।
এনিয়ে মো. আব্দুল মতিন, জেনারেল ম্যানেজার, প্যারাগন রিসোর্ট, শ্রীমঙ্গল বলেন- বিগত করোনার সময়ের দখল এখনও ঠিকমতো কাটিয়ে উঠতে পারেননি অনেকেই এরই মধ্যে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় দেখা-দেয় অতি বৃষ্টি ও বন্যা। এ সব দকল সামাল দিতে যেখানে হিমসীম খাচ্ছেন মৌলভীবাজারের পর্যটন ব্যবসায়ীরা। এরই মধ্যে আবারও এসে হাজির হয় সহিংসতা ও দেশ ব্যাপী কারফিউ। এ যেন মৌলভীবাজারের পর্যটন সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীদের জন্য মরার উপর খরার ঘাঁ।
এতে পর্যটক শূণ্য মৌলভীবাজারের দৃষ্টিনন্দন স্পর্ট গুলোও। মূখ থুবরে পড়ে আছে এ জেলার হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে মনিপুরী কাপর, লেবু, আনারস ও চা দোকানীসহ যানবাহন ব্যবসা।
এব্যাপারে তাপস দাশ, মৌলভীবাজার ট্যুর গাইড এসোসিয়েশনের নেতা জানান- কাজ নেই এ জেলার প্রায় অর্ধশত ট্যুরগাইডদেরও। লোকসানে দূরপাল্লার পরিবহন ব্যবসায়ীরাও।এ বস্থায় কর্মচারী ও স্টাপদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল, ম্যান্টেনেস খরচ সামাল দেয়ার পাশাপাশি সমপরিমান ভ্যাটও দিতে হয় । সরকারের দৃষ্টি আর্কশন করেন এ শিল্পের সংশ্লিষ্টরা।
এনিয়ে সেলিম আহমদ, সভাপতি, পর্যটন সেবা সংস্থা, শ্রীমঙ্গল জানা ন, সিলেট বিভাগের এই বছর ৩ দফার বন্যায় আবারো ক্ষতিগ্রস্থ মৌলভীবাজার জেলার পর্যটন। একের পর এক বিশাল ক্ষতির মুখ থেকে পরিত্রানের জন্য পর্যটন মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন মৌলভীবাজারের পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
শীঘ্রই দেশের এই পরিস্থিতি কাটিয়ে মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্প আবার ফিরে পাবে তার পুরোনো স্বরূপ এমনটাই আশা মৌলভীবাজারে পর্যটনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত বন্ধ করাই চ্যালেঞ্জ: সিইসি

কোটা আন্দোলন: আতংকে পর্যটক শূন্য মৌলভীবাজার

Update Time : 12:12:05 pm, Monday, 29 July 2024

বিশেষ প্রতিবেদক: নানান প্রতিকুলতার মুখে পড়েছে মৌলভীবাজার জেলার পর্যটন শিল্প। যখন ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে পর্যটক আগমের ভরা মৌসুম, ঠিক তখনই দেখা দেয় বন্যা। বন্যার রেশ কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারো দেশ জুড়ে ছাত্র-ছাত্রীদের কোটা আন্দোলনের মুখে পড়ে এই জেলার পর্যটন শিল্প। এতে করে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে এই জেলার পর্যটন। কোটা আন্দোলনের উপর ভর করে দুস্কৃতিকারী কর্তৃক সংগঠিত সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ভ্রমন পিপাসুরা অনেকটা আতংকের মধ্যে রয়েছেন। যে কারনে এক সময়ের দেশ-বিদেশের পর্যটকদের পদবারে মুখরিত মৌলভীবাজার জেলা এখন পর্যটক শূন্য রয়েছে। এ অবস্থায় চরম লোকসানে পড়েছেন এ শিল্পের সাথে সম্পৃক্তরা।
এনিয়ে মো. আব্দুল মতিন, জেনারেল ম্যানেজার, প্যারাগন রিসোর্ট, শ্রীমঙ্গল বলেন- বিগত করোনার সময়ের দখল এখনও ঠিকমতো কাটিয়ে উঠতে পারেননি অনেকেই এরই মধ্যে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় দেখা-দেয় অতি বৃষ্টি ও বন্যা। এ সব দকল সামাল দিতে যেখানে হিমসীম খাচ্ছেন মৌলভীবাজারের পর্যটন ব্যবসায়ীরা। এরই মধ্যে আবারও এসে হাজির হয় সহিংসতা ও দেশ ব্যাপী কারফিউ। এ যেন মৌলভীবাজারের পর্যটন সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীদের জন্য মরার উপর খরার ঘাঁ।
এতে পর্যটক শূণ্য মৌলভীবাজারের দৃষ্টিনন্দন স্পর্ট গুলোও। মূখ থুবরে পড়ে আছে এ জেলার হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে মনিপুরী কাপর, লেবু, আনারস ও চা দোকানীসহ যানবাহন ব্যবসা।
এব্যাপারে তাপস দাশ, মৌলভীবাজার ট্যুর গাইড এসোসিয়েশনের নেতা জানান- কাজ নেই এ জেলার প্রায় অর্ধশত ট্যুরগাইডদেরও। লোকসানে দূরপাল্লার পরিবহন ব্যবসায়ীরাও।এ বস্থায় কর্মচারী ও স্টাপদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল, ম্যান্টেনেস খরচ সামাল দেয়ার পাশাপাশি সমপরিমান ভ্যাটও দিতে হয় । সরকারের দৃষ্টি আর্কশন করেন এ শিল্পের সংশ্লিষ্টরা।
এনিয়ে সেলিম আহমদ, সভাপতি, পর্যটন সেবা সংস্থা, শ্রীমঙ্গল জানা ন, সিলেট বিভাগের এই বছর ৩ দফার বন্যায় আবারো ক্ষতিগ্রস্থ মৌলভীবাজার জেলার পর্যটন। একের পর এক বিশাল ক্ষতির মুখ থেকে পরিত্রানের জন্য পর্যটন মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন মৌলভীবাজারের পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
শীঘ্রই দেশের এই পরিস্থিতি কাটিয়ে মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্প আবার ফিরে পাবে তার পুরোনো স্বরূপ এমনটাই আশা মৌলভীবাজারে পর্যটনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রায় ২০ হাজার মানুষ।