কুলাউড়া প্রতিনিধি – কুলাউড়া উপজেলার পৃথিম পাশা ইউনিয়নের সালিকা গ্রামের কুতুব মিয়ার (৬৮) বাড়িতে মঙ্গলবার রাতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডে প্রায় ১ লক্ষ টাকার মত ক্রয়কতি হয়েছে।
অগ্নিকান্ডের সময় বাড়িতে কেও ছিলেন বাড়ির সদস্যরা অন্যযায়গায় বেড়াতে গিয়েছেলেন।রাতে ৯ টার দিকে সালিকা গ্রামের হত দরিদ্র কুতুব মিয়ার বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
হঠাৎ স্থানীয় সফাত আলি দেখতে পান বাড়ির দিকে আগুন জলছে পরে তিনি বাড়ির আশে পাশের সকল কে ডাক দিয়ে স্থানীয়দের সাহায্য সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। আগুন দেখার পর কুলাউড়া উপজেলার ফায়ার সার্ভিস খবর দেওয়া হয়,ফায়ার সার্বিসের একটি টিম ঘটনা স্থলে এসে পৌঁছে। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের টিম আসার পূর্বে এলাকার স্থানীয়রা পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে গ্রামের অনেক গুলো ঘরবাড়ির অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পায়।
এ বিষয়ে স্থানীয় মেম্বার কবির উদ্দিন,সাবেক মেম্বার আব্বাছ আলী বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনা স্থলে এসে পৌঁছে এলাকার স্থানীয় মানুষের সাহায্য সহযোগিতা আগুন নিয়ন্ত্রণ করি।কুতুব মিয়া হত দরিদ্র এক জন কৃষক দিন মুজুর। আমরা উনার ক্রয়কতিতে আমরা সাহায্য সহযোগিতা করব।
পৃথিম পাশা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ চৌধুরী ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বলেন,আমি অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে দ্রুত আমার বাড়ি থেকে কুতুব মিয়ার বাড়িতে এসে সবাই কে নিয়ে এলাকার সকলের সাহায্য সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করি।ফায়ার টিম কে খবর দেই।অগ্নিকাণ্ডে প্রায় লক্ষ দিক টাকার মত ক্রয় কতি হয়েছে। পুর ঘরটি আগুনে পুরে চাই হয়ে গেছে।আমরা তাদের কে সাহায্য সহযোগিতা করব ইনশাআল্লাহ।
ক্রতিগ্রস্থ কুতুব মিয়ার স্ত্রী বলেন ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডে তার ঘরের সব আসবাবপত্র পুড়ে গেছে, যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ লাখ টাকার মত।
কুলাউড়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত লিডার ফেরদৌস মিয়া বলেন, ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘরে বিদ্যুৎ সট সার্গিস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 



























