7:18 am, Wednesday, 29 April 2026

লোডশেডিংয়ে ৯০ দশকের ছোঁয়া—চেরাগের আলোয় চলছে গ্রামীণ বাজার- বিপাকে শিক্ষার্থীরা

হাসান আল মাহমুদ রাজু : মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ বাজারে যেন ফিরে এসেছে ৯০ দশকের সেই চেনা দৃশ্য। আধুনিক বিদ্যুৎ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসায়ীরা আবারও চেরাগ ও হারিকেনের আলোয় দোকান চালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

উপজেলার কানাইটিকর দিঘিরপার মোকামবাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা নামতেই একে একে নিভে যায় বৈদ্যুতিক বাতি। অন্ধকার নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে দোকানগুলোতে জ্বলে ওঠে চেরাগ কিংবা হারিকেন। আধুনিক সময়েও এমন পরিস্থিতিতে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা।

এবিষয়ে হান্নান মিয়া, জাহির আহমদসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, এখনকার দিনে এমন পরিস্থিতি সত্যিই দুঃখজনক। মনে হচ্ছে আমরা আবার ৯০ দশকে ফিরে গেছি। চেরাগ জ্বালিয়ে ব্যবসা করতে হচ্ছে, যা কল্পনাও করা যায় না।

এদিকে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীরাও পড়েছেন বিপাকে। এবিষয়ে কামরান আহমদ,সিয়াম আহমদ, ফাম্মি আক্তার-সহ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, সন্ধ্যা হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়, ৪-৫ ঘণ্টা পর আবার আসে। এতে ঠিকভাবে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্তত রাতের বেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানাচ্ছি।

স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম নাহিদ, রাজু আহমদ,নাজিম উদ্দিন, ছয়ফুল ইসলাম সহ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, দিনে-রাতে মিলিয়ে প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সামান্য বাতাস বা বৃষ্টিতেই বিদ্যুৎ চলে যায়, আবার কখন আসবে তারও নির্দিষ্ট সময় নেই। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

লোডশেডিংয়ের এই দুর্ভোগ কবে শেষ হবে, এ প্রশ্ন এখন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

লোডশেডিংয়ে ৯০ দশকের ছোঁয়া—চেরাগের আলোয় চলছে গ্রামীণ বাজার- বিপাকে শিক্ষার্থীরা

Update Time : 07:36:45 am, Monday, 27 April 2026

হাসান আল মাহমুদ রাজু : মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ বাজারে যেন ফিরে এসেছে ৯০ দশকের সেই চেনা দৃশ্য। আধুনিক বিদ্যুৎ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসায়ীরা আবারও চেরাগ ও হারিকেনের আলোয় দোকান চালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

উপজেলার কানাইটিকর দিঘিরপার মোকামবাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা নামতেই একে একে নিভে যায় বৈদ্যুতিক বাতি। অন্ধকার নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে দোকানগুলোতে জ্বলে ওঠে চেরাগ কিংবা হারিকেন। আধুনিক সময়েও এমন পরিস্থিতিতে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা।

এবিষয়ে হান্নান মিয়া, জাহির আহমদসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, এখনকার দিনে এমন পরিস্থিতি সত্যিই দুঃখজনক। মনে হচ্ছে আমরা আবার ৯০ দশকে ফিরে গেছি। চেরাগ জ্বালিয়ে ব্যবসা করতে হচ্ছে, যা কল্পনাও করা যায় না।

এদিকে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীরাও পড়েছেন বিপাকে। এবিষয়ে কামরান আহমদ,সিয়াম আহমদ, ফাম্মি আক্তার-সহ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, সন্ধ্যা হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়, ৪-৫ ঘণ্টা পর আবার আসে। এতে ঠিকভাবে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্তত রাতের বেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানাচ্ছি।

স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল ইসলাম নাহিদ, রাজু আহমদ,নাজিম উদ্দিন, ছয়ফুল ইসলাম সহ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, দিনে-রাতে মিলিয়ে প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সামান্য বাতাস বা বৃষ্টিতেই বিদ্যুৎ চলে যায়, আবার কখন আসবে তারও নির্দিষ্ট সময় নেই। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

লোডশেডিংয়ের এই দুর্ভোগ কবে শেষ হবে, এ প্রশ্ন এখন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।