10:02 pm, Thursday, 13 August 2026

দ্বিতীয় ম্যাচেই সমতায় ফিরতে চায় টাইগাররা

ডেস্ক রিপোর্ট : তিন ম্যাচ সিরিজে টিকে থাকার লক্ষ্য নিয়ে বুধবার (২০ ডিসেম্বর) নেলসনের স্যাক্সটন ওভালে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে সফরকারী বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ভোর রাত ৪টায়। বৃষ্টি-বিঘ্নিত সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে বৃষ্টি আইনে ৪৪ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ। এতে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশের হারের সংখ্যাটা ১৭তে পৌঁছে যায়। কিন্তু সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টাইগারদের লড়াইয়ের মানসিকতায় এটাই বুঝা যাচ্ছে- অন্যান্যবারের মতো এবার অন্তত সিরিজটি একতরফা হবে না।

সঙ্গত কারণে বৃষ্টি আইন বাংলাদেশের কৌশলগত পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলেছে। প্রথম দফায় ম্যাচটি ৪৭ ওভারে নেমে আসার কারণে অন্তত দু’জন বোলার ১০ ওভার বল করতে পারবে এবং সেভাবেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ম্যাচের প্রথম ওভারে দারুণ সুইং ডেলিভারিতে নিউজিল্যান্ড শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন পেসার শরিফুল ইসলাম। এতে ৫ রানে ২ উইকেট হারায় কিউইরা।

শুরুর ধাক্কা সামলে উঠতে বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন উইল ইয়ং ও টম লাথাম। এ সময় তাদের জুটি ভাঙতে পেসারদের ব্যবহার করেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু পুনরায় বৃষ্টি ম্যাচটিতে বিঘ্ন ঘটালে ৩০ ওভারে নির্ধারিত হয় ম্যাচটি। ততক্ষণে দলের প্রধান বোলারদের পাঁচ বা ছয় ওভার করে শেষ হয়ে যায়।

ম্যাচটি ৩০ ওভারে নেমে আসায় একজন বোলার সর্বোচ্চ ছয় ওভার করে বল করতে পারেন। যে কারণেই ডেথ ওভারে সৌম্য সরকার এবং অন্যান্য বোলারদের ব্যবহার করতে হয় বাংলাদেশকে। যার সুযোগে শেষ ১২ ওভারে ১৪৫ রান তুলে ভালো অবস্থায় চলে যায় নিউজিল্যান্ড।

অবশ্য বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে বোলারদের সেভাবে ব্যবহারের প্রয়োজন থাকলেও অধিনায়ক শান্ত সেটি করেননি। একই সঙ্গে হতাশাজনক পারফরমেন্সও প্রদর্শন করেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। সব সময়ের মতো ভালো উইকেটে নিজেদের উইকেট বিলিয়ে দেন তারা।

ম্যাচে লড়াই করার সুযোগ পেয়েও খারাপ শট খেলে নিজেদের উইকেট ছুঁড়ে দেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার লিটন দাস এবং মুশফিকুর রহিম।

উইকেটে সেট হয়ে আস্কিং রান রেট অব্যাহত রেখে ৩৯ বলে ৪৩ রান করলেও, কীভাবে ইনিংস বড় করতে হয় অন্যান্য ব্যাটারদের মতো সেটি জানেন না ওপেনার এনামুল হক বিজয়। সিরিজে সমতা আনতে বাংলাদেশের করণীয় সম্পর্কে প্রথম ম্যাচের পর বিজয় বলেন, ‘ইনিংস বড় করতে না পারাটা আমার ভুল। আসলে একবার ক্রিজে সেট হয়ে গেলে ইনিংস বড় করার জন্য আমাদের সতর্ক হতে হবে।’

নিউজিল্যান্ড বোলারদের বাউন্সার মোকাবিলায় জোর দিয়ে বিজয় বলেন, ‘বাউন্স সামলাতে হবে আমাদের। তাদের সবার উচ্চতা অনেক বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত বাউন্স পেয়েছে তারা। যা আমাদের আউটের প্রধান কারণ। আশা করি, বাউন্স মোকাবিলা করার কৌশলটা আমরা দ্রুত শিখতে পারবো।’

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

যুগপূর্তিতে মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের বর্ণাঢ্য আয়োজন।

দ্বিতীয় ম্যাচেই সমতায় ফিরতে চায় টাইগাররা

Update Time : 06:32:22 am, Tuesday, 19 December 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : তিন ম্যাচ সিরিজে টিকে থাকার লক্ষ্য নিয়ে বুধবার (২০ ডিসেম্বর) নেলসনের স্যাক্সটন ওভালে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে সফরকারী বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ভোর রাত ৪টায়। বৃষ্টি-বিঘ্নিত সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে বৃষ্টি আইনে ৪৪ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ। এতে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশের হারের সংখ্যাটা ১৭তে পৌঁছে যায়। কিন্তু সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টাইগারদের লড়াইয়ের মানসিকতায় এটাই বুঝা যাচ্ছে- অন্যান্যবারের মতো এবার অন্তত সিরিজটি একতরফা হবে না।

সঙ্গত কারণে বৃষ্টি আইন বাংলাদেশের কৌশলগত পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলেছে। প্রথম দফায় ম্যাচটি ৪৭ ওভারে নেমে আসার কারণে অন্তত দু’জন বোলার ১০ ওভার বল করতে পারবে এবং সেভাবেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ম্যাচের প্রথম ওভারে দারুণ সুইং ডেলিভারিতে নিউজিল্যান্ড শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন পেসার শরিফুল ইসলাম। এতে ৫ রানে ২ উইকেট হারায় কিউইরা।

শুরুর ধাক্কা সামলে উঠতে বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন উইল ইয়ং ও টম লাথাম। এ সময় তাদের জুটি ভাঙতে পেসারদের ব্যবহার করেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু পুনরায় বৃষ্টি ম্যাচটিতে বিঘ্ন ঘটালে ৩০ ওভারে নির্ধারিত হয় ম্যাচটি। ততক্ষণে দলের প্রধান বোলারদের পাঁচ বা ছয় ওভার করে শেষ হয়ে যায়।

ম্যাচটি ৩০ ওভারে নেমে আসায় একজন বোলার সর্বোচ্চ ছয় ওভার করে বল করতে পারেন। যে কারণেই ডেথ ওভারে সৌম্য সরকার এবং অন্যান্য বোলারদের ব্যবহার করতে হয় বাংলাদেশকে। যার সুযোগে শেষ ১২ ওভারে ১৪৫ রান তুলে ভালো অবস্থায় চলে যায় নিউজিল্যান্ড।

অবশ্য বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে বোলারদের সেভাবে ব্যবহারের প্রয়োজন থাকলেও অধিনায়ক শান্ত সেটি করেননি। একই সঙ্গে হতাশাজনক পারফরমেন্সও প্রদর্শন করেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। সব সময়ের মতো ভালো উইকেটে নিজেদের উইকেট বিলিয়ে দেন তারা।

ম্যাচে লড়াই করার সুযোগ পেয়েও খারাপ শট খেলে নিজেদের উইকেট ছুঁড়ে দেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার লিটন দাস এবং মুশফিকুর রহিম।

উইকেটে সেট হয়ে আস্কিং রান রেট অব্যাহত রেখে ৩৯ বলে ৪৩ রান করলেও, কীভাবে ইনিংস বড় করতে হয় অন্যান্য ব্যাটারদের মতো সেটি জানেন না ওপেনার এনামুল হক বিজয়। সিরিজে সমতা আনতে বাংলাদেশের করণীয় সম্পর্কে প্রথম ম্যাচের পর বিজয় বলেন, ‘ইনিংস বড় করতে না পারাটা আমার ভুল। আসলে একবার ক্রিজে সেট হয়ে গেলে ইনিংস বড় করার জন্য আমাদের সতর্ক হতে হবে।’

নিউজিল্যান্ড বোলারদের বাউন্সার মোকাবিলায় জোর দিয়ে বিজয় বলেন, ‘বাউন্স সামলাতে হবে আমাদের। তাদের সবার উচ্চতা অনেক বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত বাউন্স পেয়েছে তারা। যা আমাদের আউটের প্রধান কারণ। আশা করি, বাউন্স মোকাবিলা করার কৌশলটা আমরা দ্রুত শিখতে পারবো।’