4:09 am, Friday, 17 July 2026

পিএসজির তাণ্ডবে শেষ মেসির ক্লাব বিশ্বকাপ মিশন

ডেস্ক রিপোর্ট : লিওনেল মেসির ক্লাব বিশ্বকাপ শেষ হলো একপেশে পরাজয়ের মাধ্যমে।

আটলান্টায় অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ৪-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিল মেসির দল ইন্টার মায়ামিকে।
ম্যাচে এক মুহূর্তের জন্যও জয়ের সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি মায়ামি।

খেলা শুরুর মাত্র ৬ মিনিটেই পিএসজিকে এগিয়ে দেন অরক্ষিত অবস্থায় হেড করা হুয়াও নেভেস। এরপর প্রায় ৩০ মিনিট ধরে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও প্রথমার্ধের শেষ দিকে ৬ মিনিটের মধ্যে তিনটি গোল খেয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে পড়ে মেসির দল।

৩৯ মিনিটে নেভেসের দ্বিতীয় গোল, ৪৪ মিনিটে বদলি ডিফেন্ডার টমাস অ্যাভিলেসের আত্মঘাতী গোল, আর অতিরিক্ত সময়ে (৪৫+৩ মিনিটে) আশরাফ হাকিমির নিখুঁত শটে স্কোরলাইন হয়ে যায় ৪-০।

মেসি ছিলেন মায়ামির আক্রমণের মূল ভরসা, কিন্তু প্রথম শট নিতে তাঁকে অপেক্ষা করতে হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিট পর্যন্ত। এরপর হেড থেকে একটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিলেন, তৈরি করেছিলেন দৃষ্টিনন্দন এক ভলিও। তবে ক্লান্ত লুইস সুয়ারেজ তা কাজে লাগাতে পারেননি।

প্রথমার্ধেই পার্থক্যটা চোখে পড়েছে— মায়ামি প্রতিপক্ষের অর্ধে পাস দিয়েছে মাত্র ২৫টি, আর পিএসজি দিয়েছে ২৫৭টি। আধিপত্য, নিয়ন্ত্রণ ও শ্রেণিগত পার্থক্যে পিএসজি ছিল অনেক উঁচুতে।

এ ম্যাচে মেসি যতটা চেয়েছেন, ততটা দিতে পারেননি। আবার ইন্টার মায়ামি যতটা এগিয়েছে, তার পেছনে মেসিরই অবদান সবচেয়ে বেশি। তবে ইউরোপিয়ান শক্তির সামনে দাঁড়ানো যে এখনও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ, সেটাই আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এই ম্যাচ।

পিএসজি এখন ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ফ্ল্যামেঙ্গো বনাম বায়ার্ন মিউনিখের বিজয়ীর সঙ্গে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আজ রাতেই মায়ামিতে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

স্বাস্থ্যখাতের আমূল পরিবর্তনে ই-হেলথ কার্ড বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

পিএসজির তাণ্ডবে শেষ মেসির ক্লাব বিশ্বকাপ মিশন

Update Time : 07:57:29 am, Monday, 30 June 2025

ডেস্ক রিপোর্ট : লিওনেল মেসির ক্লাব বিশ্বকাপ শেষ হলো একপেশে পরাজয়ের মাধ্যমে।

আটলান্টায় অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ৪-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিল মেসির দল ইন্টার মায়ামিকে।
ম্যাচে এক মুহূর্তের জন্যও জয়ের সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি মায়ামি।

খেলা শুরুর মাত্র ৬ মিনিটেই পিএসজিকে এগিয়ে দেন অরক্ষিত অবস্থায় হেড করা হুয়াও নেভেস। এরপর প্রায় ৩০ মিনিট ধরে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও প্রথমার্ধের শেষ দিকে ৬ মিনিটের মধ্যে তিনটি গোল খেয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে পড়ে মেসির দল।

৩৯ মিনিটে নেভেসের দ্বিতীয় গোল, ৪৪ মিনিটে বদলি ডিফেন্ডার টমাস অ্যাভিলেসের আত্মঘাতী গোল, আর অতিরিক্ত সময়ে (৪৫+৩ মিনিটে) আশরাফ হাকিমির নিখুঁত শটে স্কোরলাইন হয়ে যায় ৪-০।

মেসি ছিলেন মায়ামির আক্রমণের মূল ভরসা, কিন্তু প্রথম শট নিতে তাঁকে অপেক্ষা করতে হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিট পর্যন্ত। এরপর হেড থেকে একটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিলেন, তৈরি করেছিলেন দৃষ্টিনন্দন এক ভলিও। তবে ক্লান্ত লুইস সুয়ারেজ তা কাজে লাগাতে পারেননি।

প্রথমার্ধেই পার্থক্যটা চোখে পড়েছে— মায়ামি প্রতিপক্ষের অর্ধে পাস দিয়েছে মাত্র ২৫টি, আর পিএসজি দিয়েছে ২৫৭টি। আধিপত্য, নিয়ন্ত্রণ ও শ্রেণিগত পার্থক্যে পিএসজি ছিল অনেক উঁচুতে।

এ ম্যাচে মেসি যতটা চেয়েছেন, ততটা দিতে পারেননি। আবার ইন্টার মায়ামি যতটা এগিয়েছে, তার পেছনে মেসিরই অবদান সবচেয়ে বেশি। তবে ইউরোপিয়ান শক্তির সামনে দাঁড়ানো যে এখনও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ, সেটাই আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এই ম্যাচ।

পিএসজি এখন ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ফ্ল্যামেঙ্গো বনাম বায়ার্ন মিউনিখের বিজয়ীর সঙ্গে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আজ রাতেই মায়ামিতে।