6:51 am, Friday, 17 April 2026

ফলো আপ- রাজনগর ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষের দুই সহস্রাধিক অপরিপক্ষ গাছ নিধন: ৭দিন পেরিয়ে গেলেও বন বিভাগের রহস্যজনক নীরবতা

জাফর ইকবাল: রাজনগরের উত্তরভাগ ইউনিয়নে ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া দুই সহস্রাধিক অপরিপক্ষ গাছ নিধন করলেও বন বিভাগের কর্মকর্তারা রহস্যজনক ভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছেন।। গাছ কাটার খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা দীন ইসলাম ১৩ ফেব্র“য়ারী সন্ধ্যায় ও ১৪ফেব্র“য়ারী দুইদিন পরিদর্শন করলেও কোন আইনি পদক্ষেপ নেননি। গাছ কাটার আলামত সরিয়ে ফেলতে কাটা গাছের মুড়া(মূল) উপরে ফেলছে ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষকে আলামত সরিয়ে ফেলার সুজোগ দিতে বন কর্তৃপক্ষ আইনি পদক্ষেপ নিতে গড়িমসি করছে। বন বিভাগ বলছে জেলা প্রশাসকের ১নং খতিয়ানের ভূমি থাকায় তারা জেলা প্রশাসকের সাথে সাথে আলোচনা করে আইনি পদক্ষেপ নেবেন। কখন বা কবে নাগাদ অইন পদক্ষেপ নেবেন সে বিষয়ে তারা নিশ্চয়তা দিয়ে কিছু বলতে পারছেন না। গত ১৩ ফেব্র“য়ারী ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ তাদের ভূমির জবর দখল উচ্ছেদের নামে উত্তরভাগ ইউনিয়নে হলদিগুল টিজি মৌজার জেলা প্রশাসকের ১ খতিয়ানে ৪ একর ৫৪ শতক জমির অপরিপক্ষ সহ মূল্যবান ফলজ, বনজ, আকাশি, বেলজিয়াম সহস্রাধিক গাছ কেটে লুট করে নিয়ে যায় ইন্দেশ্বর টি এন্ড কো: লি:, ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষেও নির্দেশে বাগান শ্রমিকসহ ভাড়াটে লোকজন। এসময় আরো ৫ শতাধিক অপরিপক্ষ গাছ কেটে ফেলে রেখে যায় তারা। ভূমি দখল ও গাছ কেটে লুট করতে ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ দুই সহস্রাধিক ভাড়াটে সহ বাগান শ্রমিকদেরে দেশীও অস্ত্রে সাজিত করে নিয়ে আসে। এ দৃশ্য দেখে এলাকায় আতœংক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে তারা। এই গাছ কাটার ফলে ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ পরিবেশের ক্ষতির সাথে সরকারের আর্ধ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করেছে।হলদিরগুল গ্রামের মৌলা মিয়া(৬৫),মোস্তফা মিয়া(৬০),ছালিক মিয়া, লয়লু মিয়া, জয়নাল মিয়া ও মৃত মস্তাব মিয়া পূর্ব পুরুষের আমল থেকে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের ১ খতিয়ানের ৪ একর ৫৪ শতক ভূমিতে জমিতে বসবাস করছেন। বসত ভিটা ছাড়া বাকী জমিতে ফলজ, বনজ, মূল্যবান আকাশি, বেলজিয়াম গাছ রোপন করেন। কিছু গাছ পরিপক্ষ ও অপরিপক্ষ হয়ে হিসাবে বেড়ে উঠে। কাঁঠাল, আম, জাম, কমলা, আনারস, কলা ফলবান বৃক্ষ ফল ধরে যাচ্ছে। আর এই বাগানের ফল বিক্রি এক মাত্র বসবাসকারী পরিবাররে আয়ের উৎস। ইদানিং ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ এসে দাবী করে হলদিগুল টিজি মৌজার জেলা প্রশাসকের ১ খতিয়ানে ৪ একর ৫৪ শতক জমি সহ আশ পাশের জমিও তাদের দাবী করে বসে। কিন্তু সেটেলমেন্ট জরিপের মাট ও প্রিন্ট ফর্সায় এই ভূমি মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের নামে। এছাড়াও সহকারী জজ আদালতে এই জমি নিয়ে স্বত্ত মামল নং-১৪/২০২৩ইং। ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ ভূমি দখলের নামে গাছ লুট করে নিয়ে যাবে ভেবে মোস্তফা মিয়া বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সহকারী জজ আদালতে ন্যায় বিচারের স্বার্থে অন্তবর্তী কালীন নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা করেন। অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা শুনানির দিন ১৩ ফেব্র“য়ারী ধার্য ছিল। ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ ঔই দিন গাছ লুটের ঘটনা করলো। এছাড়াও বাগান কর্তৃপক্ষের উপর অভিযোগ রয়েছে উত্তরভাগ ইউনিয়ন অফিসের এশিয়ান হাইওয়ের সাথে মিলিত ৪ ফুট প্রস্থ রাস্তা তারা কেটে ফেলে। এমনকি মালিকানা ২৬ শতক জমির উপর পুরানো কবর স্থান দখল করে খোদাই করে ফেলে। এলাকার বাসিন্ধা হেনা বেগম(৪৪), খালেদ আহমদ(৩৮), শায়েক আহমদ(৩২),শামছুদ্দিন(২৬),রাশেদ আহমদ(৩২) বলেন, ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ অন্যায় ভাবে ইউনিয়ন পরিষদের রাস্থা, পুরাতন কবর স্থান কেটে ফেলে। পরে জমি তাদের প্রমান দিতে না পেরে আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেয়। বর্তমানে অন্যায় ভাবে জমি দখলের উদ্দেশ্যে গাছ লুট ও নষ্ট করে। এ ব্যাপারে ইন্দেশ্বর চা বাগানের ম্যনেজার লোকমান চৌধূরীর বক্তব্য, মৌলা মিয়া গংদের গাছ লাগানো জমি বাগানের। আমরা দখল মুক্ত করছি। অপরিপক্ষ ও পক্ষ, ফলজ গাছ কাটতে বন বিভাগের অনুমতি নিয়েছেন কি না জানতে চাইলে বলেন, অনুমতি নেই নাই। এটা আমাদের ভূল হয়েছে। আগামীতে আর কাটলে অনুমতি নেবো। সহকারী ম্যানেজার শায়েদুর রহমান বলেন, এরকম বহু জমি আমাদের বাগানের বেদখল রয়েছে। মামলা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। সমাধান হচ্ছে না। আমরা দখল মুক্ত করছি। মামলায় ওরা পেলে আমরা ছেড়ে দেবো।

এব্যাপারে শ্রীমঙ্গল সহকারী বনরক্ষক আবুবক্কর সিদ্দিক ১৩ ফেব্র“য়ারী ঘটনার পরপরই বলেছিলেন, যে কোন ব্যক্তি গাছ কাটাতে বন বিভাগের অনুমতি অবশ্যই লাগে। আমরা সরেজমিনে লোক গিয়েছে। আগামীকাল আবার যাবে। কিন্তুু আগামীকাল কবে আসবে আর নেয়া হবে বলে্ই দায়িত্ব শেষ। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে বলেন, অবশ্যই মামলা হবে। রবিবার ১৯ ফেব্র“য়ারী তাকে গাছ কাটার বিষয় কি পদক্ষেপ নিলেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমাদের লোক সরেজমিন ২ দিন দেখে এসেছে। জমি যেহেতু জেলা প্রশাসকের, তাই জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে আইনি ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তা কখন কিভাবে সে সর্ম্পকে কিছু বলতে পারছেন না। গাছ কাটার ৭ দিন পেরিয়ে গেলেও কেনো জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলছেন না জিজ্ঞাস করলে, এব্যাপারে কোন উত্তর করতে পারেননি। মৌলভীবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাঈদুল ইসলাম বলেন,র্নিবিচারে গাছ কাটার ফলে পরিবেশের ক্ষতি হয়েছে। তবে বিষয়টি আমাদের আওতায় পড়ে না। বিধায় আমরা কিছু করতে পারবো না। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ও বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ফলো আপ- রাজনগর ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষের দুই সহস্রাধিক অপরিপক্ষ গাছ নিধন: ৭দিন পেরিয়ে গেলেও বন বিভাগের রহস্যজনক নীরবতা

Update Time : 01:27:37 pm, Sunday, 19 February 2023

জাফর ইকবাল: রাজনগরের উত্তরভাগ ইউনিয়নে ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া দুই সহস্রাধিক অপরিপক্ষ গাছ নিধন করলেও বন বিভাগের কর্মকর্তারা রহস্যজনক ভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছেন।। গাছ কাটার খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা দীন ইসলাম ১৩ ফেব্র“য়ারী সন্ধ্যায় ও ১৪ফেব্র“য়ারী দুইদিন পরিদর্শন করলেও কোন আইনি পদক্ষেপ নেননি। গাছ কাটার আলামত সরিয়ে ফেলতে কাটা গাছের মুড়া(মূল) উপরে ফেলছে ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষকে আলামত সরিয়ে ফেলার সুজোগ দিতে বন কর্তৃপক্ষ আইনি পদক্ষেপ নিতে গড়িমসি করছে। বন বিভাগ বলছে জেলা প্রশাসকের ১নং খতিয়ানের ভূমি থাকায় তারা জেলা প্রশাসকের সাথে সাথে আলোচনা করে আইনি পদক্ষেপ নেবেন। কখন বা কবে নাগাদ অইন পদক্ষেপ নেবেন সে বিষয়ে তারা নিশ্চয়তা দিয়ে কিছু বলতে পারছেন না। গত ১৩ ফেব্র“য়ারী ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ তাদের ভূমির জবর দখল উচ্ছেদের নামে উত্তরভাগ ইউনিয়নে হলদিগুল টিজি মৌজার জেলা প্রশাসকের ১ খতিয়ানে ৪ একর ৫৪ শতক জমির অপরিপক্ষ সহ মূল্যবান ফলজ, বনজ, আকাশি, বেলজিয়াম সহস্রাধিক গাছ কেটে লুট করে নিয়ে যায় ইন্দেশ্বর টি এন্ড কো: লি:, ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষেও নির্দেশে বাগান শ্রমিকসহ ভাড়াটে লোকজন। এসময় আরো ৫ শতাধিক অপরিপক্ষ গাছ কেটে ফেলে রেখে যায় তারা। ভূমি দখল ও গাছ কেটে লুট করতে ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ দুই সহস্রাধিক ভাড়াটে সহ বাগান শ্রমিকদেরে দেশীও অস্ত্রে সাজিত করে নিয়ে আসে। এ দৃশ্য দেখে এলাকায় আতœংক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে তারা। এই গাছ কাটার ফলে ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ পরিবেশের ক্ষতির সাথে সরকারের আর্ধ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করেছে।হলদিরগুল গ্রামের মৌলা মিয়া(৬৫),মোস্তফা মিয়া(৬০),ছালিক মিয়া, লয়লু মিয়া, জয়নাল মিয়া ও মৃত মস্তাব মিয়া পূর্ব পুরুষের আমল থেকে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের ১ খতিয়ানের ৪ একর ৫৪ শতক ভূমিতে জমিতে বসবাস করছেন। বসত ভিটা ছাড়া বাকী জমিতে ফলজ, বনজ, মূল্যবান আকাশি, বেলজিয়াম গাছ রোপন করেন। কিছু গাছ পরিপক্ষ ও অপরিপক্ষ হয়ে হিসাবে বেড়ে উঠে। কাঁঠাল, আম, জাম, কমলা, আনারস, কলা ফলবান বৃক্ষ ফল ধরে যাচ্ছে। আর এই বাগানের ফল বিক্রি এক মাত্র বসবাসকারী পরিবাররে আয়ের উৎস। ইদানিং ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ এসে দাবী করে হলদিগুল টিজি মৌজার জেলা প্রশাসকের ১ খতিয়ানে ৪ একর ৫৪ শতক জমি সহ আশ পাশের জমিও তাদের দাবী করে বসে। কিন্তু সেটেলমেন্ট জরিপের মাট ও প্রিন্ট ফর্সায় এই ভূমি মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের নামে। এছাড়াও সহকারী জজ আদালতে এই জমি নিয়ে স্বত্ত মামল নং-১৪/২০২৩ইং। ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ ভূমি দখলের নামে গাছ লুট করে নিয়ে যাবে ভেবে মোস্তফা মিয়া বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সহকারী জজ আদালতে ন্যায় বিচারের স্বার্থে অন্তবর্তী কালীন নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা করেন। অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা শুনানির দিন ১৩ ফেব্র“য়ারী ধার্য ছিল। ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ ঔই দিন গাছ লুটের ঘটনা করলো। এছাড়াও বাগান কর্তৃপক্ষের উপর অভিযোগ রয়েছে উত্তরভাগ ইউনিয়ন অফিসের এশিয়ান হাইওয়ের সাথে মিলিত ৪ ফুট প্রস্থ রাস্তা তারা কেটে ফেলে। এমনকি মালিকানা ২৬ শতক জমির উপর পুরানো কবর স্থান দখল করে খোদাই করে ফেলে। এলাকার বাসিন্ধা হেনা বেগম(৪৪), খালেদ আহমদ(৩৮), শায়েক আহমদ(৩২),শামছুদ্দিন(২৬),রাশেদ আহমদ(৩২) বলেন, ইন্দেশ্বর চা বাগান কর্তৃপক্ষ অন্যায় ভাবে ইউনিয়ন পরিষদের রাস্থা, পুরাতন কবর স্থান কেটে ফেলে। পরে জমি তাদের প্রমান দিতে না পেরে আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেয়। বর্তমানে অন্যায় ভাবে জমি দখলের উদ্দেশ্যে গাছ লুট ও নষ্ট করে। এ ব্যাপারে ইন্দেশ্বর চা বাগানের ম্যনেজার লোকমান চৌধূরীর বক্তব্য, মৌলা মিয়া গংদের গাছ লাগানো জমি বাগানের। আমরা দখল মুক্ত করছি। অপরিপক্ষ ও পক্ষ, ফলজ গাছ কাটতে বন বিভাগের অনুমতি নিয়েছেন কি না জানতে চাইলে বলেন, অনুমতি নেই নাই। এটা আমাদের ভূল হয়েছে। আগামীতে আর কাটলে অনুমতি নেবো। সহকারী ম্যানেজার শায়েদুর রহমান বলেন, এরকম বহু জমি আমাদের বাগানের বেদখল রয়েছে। মামলা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। সমাধান হচ্ছে না। আমরা দখল মুক্ত করছি। মামলায় ওরা পেলে আমরা ছেড়ে দেবো।

এব্যাপারে শ্রীমঙ্গল সহকারী বনরক্ষক আবুবক্কর সিদ্দিক ১৩ ফেব্র“য়ারী ঘটনার পরপরই বলেছিলেন, যে কোন ব্যক্তি গাছ কাটাতে বন বিভাগের অনুমতি অবশ্যই লাগে। আমরা সরেজমিনে লোক গিয়েছে। আগামীকাল আবার যাবে। কিন্তুু আগামীকাল কবে আসবে আর নেয়া হবে বলে্ই দায়িত্ব শেষ। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে বলেন, অবশ্যই মামলা হবে। রবিবার ১৯ ফেব্র“য়ারী তাকে গাছ কাটার বিষয় কি পদক্ষেপ নিলেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমাদের লোক সরেজমিন ২ দিন দেখে এসেছে। জমি যেহেতু জেলা প্রশাসকের, তাই জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে আইনি ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তা কখন কিভাবে সে সর্ম্পকে কিছু বলতে পারছেন না। গাছ কাটার ৭ দিন পেরিয়ে গেলেও কেনো জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলছেন না জিজ্ঞাস করলে, এব্যাপারে কোন উত্তর করতে পারেননি। মৌলভীবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাঈদুল ইসলাম বলেন,র্নিবিচারে গাছ কাটার ফলে পরিবেশের ক্ষতি হয়েছে। তবে বিষয়টি আমাদের আওতায় পড়ে না। বিধায় আমরা কিছু করতে পারবো না। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ও বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন।