7:13 am, Friday, 6 November 2026

ফ্রেঞ্চ কাপ চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

ক্রীড়া ডেস্ক : নেইমারকে ছাড়াই শিরোপা জিতল পিএসজি। ফাইনালে মোন্যাকোকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে প্যারিসিয়ানরা। দলের হয়ে গোল দুটি করেছেন ইকার্দি ও এমবাপ্পে।

চলতি মৌসুমে লিগ রেইসে আধিপত্য বজায় রাখতে পারেনি পিএসজি। শিরোপার মীমাংসা হবে শেষ রাউন্ডে। তবে, লিগ ওয়ানের পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে থাকলেও ফ্রেঞ্চ কাপে সমর্থকদের হতাশ করেনি প্যারিসিয়ানরা।

গত এক বছরের বেশি সময় যে শূন্য ময়দানে খেলতে হয়েছে, হঠাৎ সেখানে বেজে ওঠে স্যাক্সোফোনের সুর। নানা আয়োজনে বাড়তি মাত্রা যোগ হয় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর উপস্থিতি।

নিষেধাজ্ঞার কারণে ছিলেন না নেইমার। কিন্তু ব্রাজিলিয়ান তারকাকে ছাড়াই মোন্যাকোর ডি-বক্সে আক্রমণ শানাতে সক্ষম পিএসজি। ১৯ মিনিটে ডিফেন্সের চরম ভুলের মাশুল গুনতে হয় স্বাগতিকদের। এমবাপ্পের অ্যাসিস্টে প্যারিসিয়ানদের এগিয়ে নেন ইকার্দি।

গোল শোধে মরিয়া মোন্যাকো, খুব কাছে গিয়েছিল ৬৯ মিনিটে। গোলরক্ষক কেইলর নাভাসকে পরাস্ত করতে পারলেও ক্রসবারের বাধায় সমতায় ফেরা হয়নি তাদের।

ক্রসবার বাধা হয়েছে পিএসজিরও। ৮০ মিনিটে এমবাপ্পের দূরপাল্লার শট ফিরেছে বারে লেগে। জালের ঠিকানা পেলে কী দারুণ এক গোলই না পেতেন ফ্রেঞ্চ তারকা!

এই আফসোস অবশ্য বেশিক্ষণ থাকেনি। পরের মিনিটেই স্কোর করেন নম্বর সেভেন। মৌসুমে নিজের ৪১তম গোলটা উপভোগ্যই হলো নম্বর সেভেনের।

ফেভারিট হয়েও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ভেঙেছে হৃদয়। ফাইনালে ২-০ গোলের জয়ে, নিজেদের ইতিহাসে ফ্রেঞ্চ কাপের ১৪তম শিরোপা জিতল পিএসজি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

সাংবাদিক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

ফ্রেঞ্চ কাপ চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

Update Time : 07:34:58 am, Thursday, 20 May 2021

ক্রীড়া ডেস্ক : নেইমারকে ছাড়াই শিরোপা জিতল পিএসজি। ফাইনালে মোন্যাকোকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে প্যারিসিয়ানরা। দলের হয়ে গোল দুটি করেছেন ইকার্দি ও এমবাপ্পে।

চলতি মৌসুমে লিগ রেইসে আধিপত্য বজায় রাখতে পারেনি পিএসজি। শিরোপার মীমাংসা হবে শেষ রাউন্ডে। তবে, লিগ ওয়ানের পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে থাকলেও ফ্রেঞ্চ কাপে সমর্থকদের হতাশ করেনি প্যারিসিয়ানরা।

গত এক বছরের বেশি সময় যে শূন্য ময়দানে খেলতে হয়েছে, হঠাৎ সেখানে বেজে ওঠে স্যাক্সোফোনের সুর। নানা আয়োজনে বাড়তি মাত্রা যোগ হয় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর উপস্থিতি।

নিষেধাজ্ঞার কারণে ছিলেন না নেইমার। কিন্তু ব্রাজিলিয়ান তারকাকে ছাড়াই মোন্যাকোর ডি-বক্সে আক্রমণ শানাতে সক্ষম পিএসজি। ১৯ মিনিটে ডিফেন্সের চরম ভুলের মাশুল গুনতে হয় স্বাগতিকদের। এমবাপ্পের অ্যাসিস্টে প্যারিসিয়ানদের এগিয়ে নেন ইকার্দি।

গোল শোধে মরিয়া মোন্যাকো, খুব কাছে গিয়েছিল ৬৯ মিনিটে। গোলরক্ষক কেইলর নাভাসকে পরাস্ত করতে পারলেও ক্রসবারের বাধায় সমতায় ফেরা হয়নি তাদের।

ক্রসবার বাধা হয়েছে পিএসজিরও। ৮০ মিনিটে এমবাপ্পের দূরপাল্লার শট ফিরেছে বারে লেগে। জালের ঠিকানা পেলে কী দারুণ এক গোলই না পেতেন ফ্রেঞ্চ তারকা!

এই আফসোস অবশ্য বেশিক্ষণ থাকেনি। পরের মিনিটেই স্কোর করেন নম্বর সেভেন। মৌসুমে নিজের ৪১তম গোলটা উপভোগ্যই হলো নম্বর সেভেনের।

ফেভারিট হয়েও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ভেঙেছে হৃদয়। ফাইনালে ২-০ গোলের জয়ে, নিজেদের ইতিহাসে ফ্রেঞ্চ কাপের ১৪তম শিরোপা জিতল পিএসজি।