9:07 am, Friday, 17 April 2026

ভারতের বিশাখাপত্তনমের বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট :: গভীর রাতে বিশাখাপত্তনমের একটি বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর অন্তত ২৫টি মাছ ধরার নৌকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে জাহাজ নিয়ে আসে ভারতীয় নৌবাহিনী। এ ছাড়া একাধিক দমকলবাহিনী আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়।

জিনিউজের খবরে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫ কোটি রুপির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বিশাখাপত্তনমের পুলিশ কমিশনার রবি শঙ্কর জানিয়েছেন, গভীর রাতে একটি মাছ ধরার নৌকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন যাতে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য নৌকাটিকে লাইন ভেঙে সরিয়ে নেয়া হয়। কিন্তু বাতাস এবং পানির প্রবাহ এটিকে ফের জেটিতে নিয়ে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যেই অন্য নৌকাগুলোও পুড়ে যায়।’

ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নৌকার ডিজেল কন্টেনার ও গ্যাস সিলিন্ডার আগুনে জ্বালানি যোগ করে এবং পুরো জেটি এলাকা আগুনে পুড়ে যায়। জেলেরা সন্দেহ করছে কিছু অপরাধী নৌকায় আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কোনো একটি নৌকায় কোনো আমোদ অনুষ্ঠান থেকেও আগুন লাগতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

বন্দর থেকে পাওয়া দৃশ্যগুলোতে দেখা গিয়েছে যে দমকল কর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। ঠিক সেই সময়ে জেলেদেরকে আগুনের দিকে অসহায়ভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। এই আগুনে তাদের জীবিকা নির্বাহের উপায় ধ্বংস হয়ে গেছে। কিছু নৌকার জ্বালানী ট্যাঙ্কে আগুন পৌঁছানোর কারণে বিস্ফোরণ ঘটে, যার কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সিনিয়র পুলিশ অফিসার আনন্দ রেড্ডি জানান, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ আগুন লাগে। তিনি বলেন, ‘নৌকায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটছে, তাই আমরা লোকজনকে দূরে থাকতে বলছি। ফায়ার ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।’

পুলিশ কমিশনার রবিশঙ্কর বলেছেন, ঘটনার গভীরে যাওয়ার জন্য একটি বহুবিভাগীয় তদন্ত করা হবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ভারতের বিশাখাপত্তনমের বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

Update Time : 08:23:26 am, Monday, 20 November 2023

ডেস্ক রিপোর্ট :: গভীর রাতে বিশাখাপত্তনমের একটি বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর অন্তত ২৫টি মাছ ধরার নৌকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে জাহাজ নিয়ে আসে ভারতীয় নৌবাহিনী। এ ছাড়া একাধিক দমকলবাহিনী আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়।

জিনিউজের খবরে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫ কোটি রুপির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বিশাখাপত্তনমের পুলিশ কমিশনার রবি শঙ্কর জানিয়েছেন, গভীর রাতে একটি মাছ ধরার নৌকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন যাতে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য নৌকাটিকে লাইন ভেঙে সরিয়ে নেয়া হয়। কিন্তু বাতাস এবং পানির প্রবাহ এটিকে ফের জেটিতে নিয়ে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যেই অন্য নৌকাগুলোও পুড়ে যায়।’

ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নৌকার ডিজেল কন্টেনার ও গ্যাস সিলিন্ডার আগুনে জ্বালানি যোগ করে এবং পুরো জেটি এলাকা আগুনে পুড়ে যায়। জেলেরা সন্দেহ করছে কিছু অপরাধী নৌকায় আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কোনো একটি নৌকায় কোনো আমোদ অনুষ্ঠান থেকেও আগুন লাগতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

বন্দর থেকে পাওয়া দৃশ্যগুলোতে দেখা গিয়েছে যে দমকল কর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। ঠিক সেই সময়ে জেলেদেরকে আগুনের দিকে অসহায়ভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। এই আগুনে তাদের জীবিকা নির্বাহের উপায় ধ্বংস হয়ে গেছে। কিছু নৌকার জ্বালানী ট্যাঙ্কে আগুন পৌঁছানোর কারণে বিস্ফোরণ ঘটে, যার কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সিনিয়র পুলিশ অফিসার আনন্দ রেড্ডি জানান, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ আগুন লাগে। তিনি বলেন, ‘নৌকায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটছে, তাই আমরা লোকজনকে দূরে থাকতে বলছি। ফায়ার ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।’

পুলিশ কমিশনার রবিশঙ্কর বলেছেন, ঘটনার গভীরে যাওয়ার জন্য একটি বহুবিভাগীয় তদন্ত করা হবে।