11:08 pm, Tuesday, 16 June 2026

মরক্কো ম্যাচের পর নেইমারের গুরুত্ব টের পাচ্ছে ব্রাজিল

ডেস্ক রিপোর্ট : বিশ্বকাপের মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহে নেইমারকে নিয়ে খুব একটা আলোচনা না হলেও, মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচের পরই দৃশ্যপট বদলে গেছে।

উদ্বোধনী ম্যাচে দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্স এবং ডাগআউটে বসে নেইমারের দেওয়া নানা প্রতিক্রিয়া আবারও তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।

চোটের কারণে মাঠে নামতে না পারলেও দলের এই কঠিন সময়ে তার উপস্থিতি কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা আরও একবার স্পষ্ট।
ব্রাজিল দলের কোচিং স্টাফরা আশা করছেন, আজ থেকেই নেইমার দলের সঙ্গে মাঠের অনুশীলনে যোগ দেবেন।

গতকাল অবশ্য তিনি দলের অন্য সাইডবেঞ্চারদের সঙ্গে জিম সেশনেই ব্যস্ত ছিলেন। অন্যদিকে, মরক্কো ম্যাচে মাঠে নামা মূল একাদশের ফুটবলারদের ছুটি দেওয়া হয়েছিল।
ব্রাজিল মেডিকেল টিম ইতিমধ্যেই নেইমারকে সবুজ সংকেত দিয়ে ফিটনেস দলের কাছে হস্তান্তর করেছে। সব ঠিক থাকলে আগামী শনিবার হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের আগেই তাকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে মাঠের স্কিল বা জাদুকরী ফুটবল দিয়ে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার চেয়েও, এই মুহূর্তে দলে নেইমারের অভিজ্ঞতা ও সতীর্থদের ওপর তার প্রভাব সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে আসা এই ‘নাম্বার ১০’ মরক্কো ম্যাচের সময় ডাগআউট থেকেই তরুণ ফুটবলারদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এমনকি ম্যাচ চলাকালীন ওয়াটার ব্রেকের সময়েও তাকে তরুণদের পরামর্শ দিতে দেখা গেছে। পুরোটা সময় তিনি বেঞ্চে থাকা তরুণ তুর্কি এনড্রিকের খুব কাছাকাছি ছিলেন এবং মাঝেমধ্যে কোচ কার্লো আনচেলত্তির পেছন থেকে মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে ইশারা-ইঙ্গিতও করছিলেন।

ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বিপক্ষ দলের খেলোয়াড় ও স্টেডিয়ামে উপস্থিত অন্যান্য ক্রীড়াতরকারা নেইমারকে ঘিরে ধরেন। ম্যাচের স্কোয়াডে নাম না থাকায় নিয়ম অনুযায়ী তিনি মিক্সড জোনে এসে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি, তবে ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের থমথমে ড্রেসিংরুমে তিনিই ছিলেন অন্যতম প্রধান ত্রাতা। দলের এই অস্বস্তিকর ও হতাশাজনক অভিষেকের পর তরুণদের মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে এবং শান্ত রাখতে নেপথ্যে মূল ভূমিকা রাখছেন নেইমারই।

মেডিকেল টিমের প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী নেইমারের সেরে উঠতে তিন সপ্তাহ সময় লাগার কথা ছিল, যার চূড়ান্ত সময়সীমা জানা যাবে আগামী বুধবার। সেই হিসেবে হাইতি ম্যাচের আগে তার ফেরার সময়টা খুবই কম। তবে বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্টে স্নায়ুচাপ সামলাতে পারেন এবং মাঠে বলের দখল (পজিশন) ধরে রাখতে পারেন, এমন অভিজ্ঞ ফুটবলারের বড্ড অভাব ব্রাজিলে। আর তাই বড্ড দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই নেইমারের মাঠে ফেরা এখন সেলেসাওদের জন্য সময়ের দাবি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

শ্রীমঙ্গলে ৮বছরের শিশু ধ র্ষ ণ : ধ র্ষ ণ কারী আটক

মরক্কো ম্যাচের পর নেইমারের গুরুত্ব টের পাচ্ছে ব্রাজিল

Update Time : 09:45:46 am, Monday, 15 June 2026

ডেস্ক রিপোর্ট : বিশ্বকাপের মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহে নেইমারকে নিয়ে খুব একটা আলোচনা না হলেও, মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচের পরই দৃশ্যপট বদলে গেছে।

উদ্বোধনী ম্যাচে দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্স এবং ডাগআউটে বসে নেইমারের দেওয়া নানা প্রতিক্রিয়া আবারও তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।

চোটের কারণে মাঠে নামতে না পারলেও দলের এই কঠিন সময়ে তার উপস্থিতি কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা আরও একবার স্পষ্ট।
ব্রাজিল দলের কোচিং স্টাফরা আশা করছেন, আজ থেকেই নেইমার দলের সঙ্গে মাঠের অনুশীলনে যোগ দেবেন।

গতকাল অবশ্য তিনি দলের অন্য সাইডবেঞ্চারদের সঙ্গে জিম সেশনেই ব্যস্ত ছিলেন। অন্যদিকে, মরক্কো ম্যাচে মাঠে নামা মূল একাদশের ফুটবলারদের ছুটি দেওয়া হয়েছিল।
ব্রাজিল মেডিকেল টিম ইতিমধ্যেই নেইমারকে সবুজ সংকেত দিয়ে ফিটনেস দলের কাছে হস্তান্তর করেছে। সব ঠিক থাকলে আগামী শনিবার হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের আগেই তাকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে মাঠের স্কিল বা জাদুকরী ফুটবল দিয়ে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার চেয়েও, এই মুহূর্তে দলে নেইমারের অভিজ্ঞতা ও সতীর্থদের ওপর তার প্রভাব সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে আসা এই ‘নাম্বার ১০’ মরক্কো ম্যাচের সময় ডাগআউট থেকেই তরুণ ফুটবলারদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এমনকি ম্যাচ চলাকালীন ওয়াটার ব্রেকের সময়েও তাকে তরুণদের পরামর্শ দিতে দেখা গেছে। পুরোটা সময় তিনি বেঞ্চে থাকা তরুণ তুর্কি এনড্রিকের খুব কাছাকাছি ছিলেন এবং মাঝেমধ্যে কোচ কার্লো আনচেলত্তির পেছন থেকে মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে ইশারা-ইঙ্গিতও করছিলেন।

ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বিপক্ষ দলের খেলোয়াড় ও স্টেডিয়ামে উপস্থিত অন্যান্য ক্রীড়াতরকারা নেইমারকে ঘিরে ধরেন। ম্যাচের স্কোয়াডে নাম না থাকায় নিয়ম অনুযায়ী তিনি মিক্সড জোনে এসে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি, তবে ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের থমথমে ড্রেসিংরুমে তিনিই ছিলেন অন্যতম প্রধান ত্রাতা। দলের এই অস্বস্তিকর ও হতাশাজনক অভিষেকের পর তরুণদের মানসিকভাবে চাঙ্গা করতে এবং শান্ত রাখতে নেপথ্যে মূল ভূমিকা রাখছেন নেইমারই।

মেডিকেল টিমের প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী নেইমারের সেরে উঠতে তিন সপ্তাহ সময় লাগার কথা ছিল, যার চূড়ান্ত সময়সীমা জানা যাবে আগামী বুধবার। সেই হিসেবে হাইতি ম্যাচের আগে তার ফেরার সময়টা খুবই কম। তবে বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্টে স্নায়ুচাপ সামলাতে পারেন এবং মাঠে বলের দখল (পজিশন) ধরে রাখতে পারেন, এমন অভিজ্ঞ ফুটবলারের বড্ড অভাব ব্রাজিলে। আর তাই বড্ড দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই নেইমারের মাঠে ফেরা এখন সেলেসাওদের জন্য সময়ের দাবি।