4:13 pm, Saturday, 15 August 2026

মৌলভীবাজার সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরোদ্ধে সালিশের টাকা আতœসাতের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজার সালিশ বৈঠকের ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা আতœসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। ৫নং আখাইলকুড়া ইউনিয়নের জুমাপুর গ্রামের ভোক্তভ‚গী লখনু মিয়া সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ নিকট সালিশে জমা করা টাকা ৭ বছর যাবৎ ধরণা দিয়েও টাকা ফেরৎ পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। জানাযায়, জুমাপুর গ্রামের আব্দুল গনি গংদের সাথে একি গ্রামের মৃত হাজী আইয়ুব মিয়ার ছেলে মো: লখনু মিয়ার জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে মামলা চলছিল। মামলা নং- জি,আর ১৭৪/১৩, নন জি,আর ৩/১৪, পিটিশন মামলা-৯১/১৪, মামলা নং-৯০/১৪, মামলা নং-৪৩/১৪। উল্লেখিত মামলা চলমান অবস্থাায় এলকার বিশিষ্ট ব্যক্তিগন উভয় পক্ষের বিরোধ সমাধান করার লক্ষ্যে মো: লাল মিয়া (মেম্বার) , ছালেহ আকরাম রিপন, দ‚র্গাপুর, আতাউর রহমান সোহেল, জুমাপুর, সেলিম আহমদ জুমাপুর মুহিবুর রহমান(রুমান) জুমাপুর,মো: আমিন মিয়া সালিশ বৈঠকের ব্যবস্থা করেন। আখাইলকুড়া ইউনিয়নের আব্দুল মতিন মিয়ার বাড়িতে ১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ২০১৪ ইং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মছব্বির এরশাদ, মুহিবুর রহমান তরফদার, ঔই সময়ের ৫ নং আখাইলকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামীম আহমদ, সে সময়ের উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান, মৌলভীবাজার পৌরসভার কমিশনার জালাল আহমদ, সালেহ আকরাম রিপন, সেলিম আহমদ, নোমান আহমদ, হেলাল আহমদ, সাবেক মেম্বার লাল মিয়া বিরোধ নিস্পত্তির জন্য বৈঠকে বসেন। এসময় প্রস্তাব করা হয় উভয় পক্ষ ৬ লাখ টাকা সালিশের নিকট জমা করবেন। সালিশ বৈঠকের সিন্ধান্ত মোতাবেক উভয় পক্ষ ৩ লাখ করে ৬ লাখ জমা করেন সালিশের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেযারম্যান মিজানুর রহমান মিজানের সামনে। বিচারে আব্দুল গনি গংদেরে দোষী সাবস্ত করে ৯০ হাজার টাকা ধানের ক্ষতি প‚রন বাবৎ দেওয়ার রায় হয়। বিচারের রায়ের পর উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান বিচারে একটি বোর্ড পৌর কমিশনার জালাল আহমদ, হেলাল মিয়া, সালেহ আকরাম রিপন ও সেলিম আহমদের দিয়ে গঠন করে দেন। বিচারে রায় সঠিক ভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে ৩ শত টাকার স্টাম্পে উভয় পক্ষের স্বাক্ষর নেওয়া হয় ও শালিস বোর্ডের ৫ জনসহ উপস্থিাত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা স্বাক্ষর করেন। লিখিত স্ট্যাম্প সালেহ আকরাম রিপনের নিকট জমা রাখা হয়। সালিশ বোর্ডের জমা টাকা সেলিম আহমদের নিকট রাখা হয়। এবং সালিশ বোর্ডের মাধ্যমে সার্ভেয়ার নবদীপ দাশ বিরোধ প‚র্ণ জমির ভাগ বাটোয়ারা করে ইউনিয়ন অফিসের চৌকিদার সনদ সুত্র ধর বঁশের খুটি মেরে চিহ্নত করে । পরবর্তীতে লখনু মিয়া সালিশের মাধ্যমে সকল মামলা তুলে নেন। মামলা তুলে নেওয়ার পর আব্দুল গনির সালিশে জমা রাখা ৩ লাখের মধ্যে সেলিম আহমদ ২লাখ ১০হাজার ফেরৎ নেন। কিন্তু লখনু মিয়ার মোট ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেন নাই। দীর্ঘ দিন যাবৎ টালবাহানা করতে থাকেন। লখনু মিয়া নিরোপায় হয়ে বিচারের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গে নিকট যোগাযোগ করলে তাঁরাও সেলিম আহমদকে অনুরুধ করে টাকা ফেরৎ করাতে পারেননি। সালিশ বৈঠকের অনেকে বিষটির সত্যতা স্বীকার করেন। বর্তমানে সেলিম আহমদ নেতৃত্ব দিয়ে বিরোধ নিস্পত্তি হওয়া লখনু মিয়ার সাড়ে ৫ বিঘা জমি আব্দুল গনি গংদেরে দিয়ে আবারও দখল করিয়ে নিয়েছেন। লখনু মিয়া টাকাও জমি হারিয়ে কোন সমাধান পাচ্ছেন না। লখনু মিয়া দ্বারে দ্বারে হেটেও সুবিচারের ব্যবস্থাা পাচ্ছেন না।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজার সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরোদ্ধে সালিশের টাকা আতœসাতের অভিযোগ

Update Time : 02:44:14 pm, Saturday, 12 March 2022

স্টাফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজার সালিশ বৈঠকের ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা আতœসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। ৫নং আখাইলকুড়া ইউনিয়নের জুমাপুর গ্রামের ভোক্তভ‚গী লখনু মিয়া সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ নিকট সালিশে জমা করা টাকা ৭ বছর যাবৎ ধরণা দিয়েও টাকা ফেরৎ পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। জানাযায়, জুমাপুর গ্রামের আব্দুল গনি গংদের সাথে একি গ্রামের মৃত হাজী আইয়ুব মিয়ার ছেলে মো: লখনু মিয়ার জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে মামলা চলছিল। মামলা নং- জি,আর ১৭৪/১৩, নন জি,আর ৩/১৪, পিটিশন মামলা-৯১/১৪, মামলা নং-৯০/১৪, মামলা নং-৪৩/১৪। উল্লেখিত মামলা চলমান অবস্থাায় এলকার বিশিষ্ট ব্যক্তিগন উভয় পক্ষের বিরোধ সমাধান করার লক্ষ্যে মো: লাল মিয়া (মেম্বার) , ছালেহ আকরাম রিপন, দ‚র্গাপুর, আতাউর রহমান সোহেল, জুমাপুর, সেলিম আহমদ জুমাপুর মুহিবুর রহমান(রুমান) জুমাপুর,মো: আমিন মিয়া সালিশ বৈঠকের ব্যবস্থা করেন। আখাইলকুড়া ইউনিয়নের আব্দুল মতিন মিয়ার বাড়িতে ১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ২০১৪ ইং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মছব্বির এরশাদ, মুহিবুর রহমান তরফদার, ঔই সময়ের ৫ নং আখাইলকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামীম আহমদ, সে সময়ের উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান, মৌলভীবাজার পৌরসভার কমিশনার জালাল আহমদ, সালেহ আকরাম রিপন, সেলিম আহমদ, নোমান আহমদ, হেলাল আহমদ, সাবেক মেম্বার লাল মিয়া বিরোধ নিস্পত্তির জন্য বৈঠকে বসেন। এসময় প্রস্তাব করা হয় উভয় পক্ষ ৬ লাখ টাকা সালিশের নিকট জমা করবেন। সালিশ বৈঠকের সিন্ধান্ত মোতাবেক উভয় পক্ষ ৩ লাখ করে ৬ লাখ জমা করেন সালিশের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেযারম্যান মিজানুর রহমান মিজানের সামনে। বিচারে আব্দুল গনি গংদেরে দোষী সাবস্ত করে ৯০ হাজার টাকা ধানের ক্ষতি প‚রন বাবৎ দেওয়ার রায় হয়। বিচারের রায়ের পর উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান বিচারে একটি বোর্ড পৌর কমিশনার জালাল আহমদ, হেলাল মিয়া, সালেহ আকরাম রিপন ও সেলিম আহমদের দিয়ে গঠন করে দেন। বিচারে রায় সঠিক ভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে ৩ শত টাকার স্টাম্পে উভয় পক্ষের স্বাক্ষর নেওয়া হয় ও শালিস বোর্ডের ৫ জনসহ উপস্থিাত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা স্বাক্ষর করেন। লিখিত স্ট্যাম্প সালেহ আকরাম রিপনের নিকট জমা রাখা হয়। সালিশ বোর্ডের জমা টাকা সেলিম আহমদের নিকট রাখা হয়। এবং সালিশ বোর্ডের মাধ্যমে সার্ভেয়ার নবদীপ দাশ বিরোধ প‚র্ণ জমির ভাগ বাটোয়ারা করে ইউনিয়ন অফিসের চৌকিদার সনদ সুত্র ধর বঁশের খুটি মেরে চিহ্নত করে । পরবর্তীতে লখনু মিয়া সালিশের মাধ্যমে সকল মামলা তুলে নেন। মামলা তুলে নেওয়ার পর আব্দুল গনির সালিশে জমা রাখা ৩ লাখের মধ্যে সেলিম আহমদ ২লাখ ১০হাজার ফেরৎ নেন। কিন্তু লখনু মিয়ার মোট ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেন নাই। দীর্ঘ দিন যাবৎ টালবাহানা করতে থাকেন। লখনু মিয়া নিরোপায় হয়ে বিচারের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গে নিকট যোগাযোগ করলে তাঁরাও সেলিম আহমদকে অনুরুধ করে টাকা ফেরৎ করাতে পারেননি। সালিশ বৈঠকের অনেকে বিষটির সত্যতা স্বীকার করেন। বর্তমানে সেলিম আহমদ নেতৃত্ব দিয়ে বিরোধ নিস্পত্তি হওয়া লখনু মিয়ার সাড়ে ৫ বিঘা জমি আব্দুল গনি গংদেরে দিয়ে আবারও দখল করিয়ে নিয়েছেন। লখনু মিয়া টাকাও জমি হারিয়ে কোন সমাধান পাচ্ছেন না। লখনু মিয়া দ্বারে দ্বারে হেটেও সুবিচারের ব্যবস্থাা পাচ্ছেন না।