1:20 pm, Friday, 17 April 2026

যে কারণে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনালের বল বদলে গেল

ডেস্ক রিপোর্ট : চলমান কাতার বিশ্বকাপের অন্যসব বিষয়গুলোর মতো ফুটবলও দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিশেষ প্রযুক্তির বলটির নাম ‘আল রিহলা’। যা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ফুটবল। কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত মোট ৬০টি ম্যাচ চার্জিং সিস্টেমের বল আল রিহলা দিয়ে খেলা হয়েছে। তবে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচে দেখা যাবে না আল রিহলা বলকে।

কারণ ফিফা পরবর্তী চার ম্যাচের জন্য নিয়ে এসছে অন্য বল। নতুন ওই বলের নাম ‘আল হিলম’। যার অর্থ স্বপ্ন। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস বানিয়েছে এই বিশেষ বল।-ফিফা

সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি আল হিলম বলে আইএমইউ সেন্সর ব্যবহার করেছে অ্যাডিডাস। যার ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলোয়াড়দের অবস্থান নির্ণয় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করে নির্ভুলভাবে অফসাইড শনাক্ত করা যাবে।

নতুন এ বল যুক্ত করার করাণ, চলমান কাতার বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে অফসাইড নিয়ে বিতর্কে সৃষ্টি হয়েছিল। আরও নিখুঁতভাবে অফসাইড শনাক্ত করতে প্রযুক্তি-সংবলিত বলটি প্রস্তুত করা হয়েছে। বলটি স্থানীয় পরিবেশ ও তাপমাত্রার কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে বলে জানায় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আল হিলম বলের সোনালি ত্রিভুজাকার নকশা দোহা শহর ঘিরে ঝকঝকে মরুভূমিকে ইঙ্গিত করে। এ ছাড়া বিশ্বকাপ ট্রফির রং ও কাতারের জাতীয় পতাকার প্যাটার্ন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বলের ডিজাইন করা হয়েছে। প্রতিটি বিশ্বকাপেই ফুটবল সরবরাহের দায়িত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠান নতুনত্ব নিয়ে আসে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

যে কারণে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনালের বল বদলে গেল

Update Time : 07:10:27 am, Monday, 12 December 2022

ডেস্ক রিপোর্ট : চলমান কাতার বিশ্বকাপের অন্যসব বিষয়গুলোর মতো ফুটবলও দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিশেষ প্রযুক্তির বলটির নাম ‘আল রিহলা’। যা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ফুটবল। কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত মোট ৬০টি ম্যাচ চার্জিং সিস্টেমের বল আল রিহলা দিয়ে খেলা হয়েছে। তবে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচে দেখা যাবে না আল রিহলা বলকে।

কারণ ফিফা পরবর্তী চার ম্যাচের জন্য নিয়ে এসছে অন্য বল। নতুন ওই বলের নাম ‘আল হিলম’। যার অর্থ স্বপ্ন। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস বানিয়েছে এই বিশেষ বল।-ফিফা

সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি আল হিলম বলে আইএমইউ সেন্সর ব্যবহার করেছে অ্যাডিডাস। যার ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলোয়াড়দের অবস্থান নির্ণয় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করে নির্ভুলভাবে অফসাইড শনাক্ত করা যাবে।

নতুন এ বল যুক্ত করার করাণ, চলমান কাতার বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে অফসাইড নিয়ে বিতর্কে সৃষ্টি হয়েছিল। আরও নিখুঁতভাবে অফসাইড শনাক্ত করতে প্রযুক্তি-সংবলিত বলটি প্রস্তুত করা হয়েছে। বলটি স্থানীয় পরিবেশ ও তাপমাত্রার কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে বলে জানায় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আল হিলম বলের সোনালি ত্রিভুজাকার নকশা দোহা শহর ঘিরে ঝকঝকে মরুভূমিকে ইঙ্গিত করে। এ ছাড়া বিশ্বকাপ ট্রফির রং ও কাতারের জাতীয় পতাকার প্যাটার্ন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বলের ডিজাইন করা হয়েছে। প্রতিটি বিশ্বকাপেই ফুটবল সরবরাহের দায়িত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠান নতুনত্ব নিয়ে আসে।