7:12 am, Tuesday, 14 July 2026

শুকিয়ে যাচ্ছে ভেনিসের খাল

ডেস্ক রিপোর্ট : ইতালির বলতে গেলে পুরো বিশ্বের অন্যতম পর্যটকমুখর শহর হচ্ছে ভেনিস। শহরজুড়ে ছোট ছোট খাল। আর সেই খাল পাড়ি দিতে হতো গোন্দোলায় চড়ে। গোন্দোলা একটি ঐতিহ্যবাহী সরু ও লম্বা ভেনিসিয়ান দাঁড়টানা নৌকা। কিন্তু পানি অভাবে গন্ডোলায় চড়া কঠিন হয়ে গেছে। ওয়াটার ট্যাক্সি ও ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সও চলা দায়।
খালগুলো শুকিয়ে যাওয়ার জন্য কম বৃষ্টিপাত, ভেনিসে বাতাসের উচ্চ চাপ, পূর্ণিমা এবং সমুদ্র উচ্চতাকে দায়ী করা হচ্ছে।
গত সোমবার (২০ জানুয়ারি) লিগামবিয়েন্তে নামে একটি পরিবেশবাদী গোষ্ঠী জানিয়েছে, ইতালির নদী-নালাগুলো প্রচণ্ড পানির অভাবে ভুগছে। বিশেষ করে দেশটির উত্তর দিকের অবস্থা খারাপ।
ইতালির সর্ববৃহৎ নদী ‘পো’, যেটি আল্পস থেকে বয়ে উত্তর-পূর্ব দিকের আদ্রিয়াকের দিকে বয়ে গেছে। সেই পো নদীতে এখন সাধারণ সময়ের চেয়ে ৬১ শতাংশ কম পানি রয়েছে বলে জানিয়েছে লিগামবিয়েন্তে।
খরা পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারণ করার পর গত বছর পো নদীর আশপাশের অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। ওই পো নদীর ওপর নির্ভর করেই ইতালির এক তৃতীয়াংশ কৃষি পণ্য উৎপাদিত হয়। গত বছর পো নদীতে গত ৭০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরা দেখা যায়।
ইতালির বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বর্তমান এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ইতালিতে অন্তত ৫০ দিন মুষলধারে বৃষ্টির প্রয়োজন।
জানা গেছে, পো নদী ছাড়াও দেশটির উত্তরাঞ্চলের গার্দা লেকের পানি রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে। লেকের পানি এখন এতটাই কম যে এখন সান বিয়াগিওর ছোট দ্বীপে হেঁটেই যাওয়া যাচ্ছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে বন্যার পানি নামলেও তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট, বিপর্যস্ত জনজীবন

শুকিয়ে যাচ্ছে ভেনিসের খাল

Update Time : 08:07:37 am, Wednesday, 22 February 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : ইতালির বলতে গেলে পুরো বিশ্বের অন্যতম পর্যটকমুখর শহর হচ্ছে ভেনিস। শহরজুড়ে ছোট ছোট খাল। আর সেই খাল পাড়ি দিতে হতো গোন্দোলায় চড়ে। গোন্দোলা একটি ঐতিহ্যবাহী সরু ও লম্বা ভেনিসিয়ান দাঁড়টানা নৌকা। কিন্তু পানি অভাবে গন্ডোলায় চড়া কঠিন হয়ে গেছে। ওয়াটার ট্যাক্সি ও ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সও চলা দায়।
খালগুলো শুকিয়ে যাওয়ার জন্য কম বৃষ্টিপাত, ভেনিসে বাতাসের উচ্চ চাপ, পূর্ণিমা এবং সমুদ্র উচ্চতাকে দায়ী করা হচ্ছে।
গত সোমবার (২০ জানুয়ারি) লিগামবিয়েন্তে নামে একটি পরিবেশবাদী গোষ্ঠী জানিয়েছে, ইতালির নদী-নালাগুলো প্রচণ্ড পানির অভাবে ভুগছে। বিশেষ করে দেশটির উত্তর দিকের অবস্থা খারাপ।
ইতালির সর্ববৃহৎ নদী ‘পো’, যেটি আল্পস থেকে বয়ে উত্তর-পূর্ব দিকের আদ্রিয়াকের দিকে বয়ে গেছে। সেই পো নদীতে এখন সাধারণ সময়ের চেয়ে ৬১ শতাংশ কম পানি রয়েছে বলে জানিয়েছে লিগামবিয়েন্তে।
খরা পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারণ করার পর গত বছর পো নদীর আশপাশের অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। ওই পো নদীর ওপর নির্ভর করেই ইতালির এক তৃতীয়াংশ কৃষি পণ্য উৎপাদিত হয়। গত বছর পো নদীতে গত ৭০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরা দেখা যায়।
ইতালির বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বর্তমান এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ইতালিতে অন্তত ৫০ দিন মুষলধারে বৃষ্টির প্রয়োজন।
জানা গেছে, পো নদী ছাড়াও দেশটির উত্তরাঞ্চলের গার্দা লেকের পানি রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে। লেকের পানি এখন এতটাই কম যে এখন সান বিয়াগিওর ছোট দ্বীপে হেঁটেই যাওয়া যাচ্ছে।