এদিকে হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আটকরা হলেন- শেখ শহীদুল্লাহ বিল্পব ও সানোয়ার গাজী। আটককালে তারা নিজেদের বনানী থানা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলে দাবি করেছেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুলের সামনে থেকে তাদের আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগ। এদিন বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজধানীর বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এরপরই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি জোরদার করা হয়। এরপর ওই এলাকা থেকেই দুজনকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।
হামলার ঘটনার পর বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হিরো আলমকে আহত অবস্থায় রাজধানীর রামপুরায় বেটার লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
উপ-নির্বাচনে হিরো আলমের প্রধান সমন্বয়ক মো. ইলিয়াস বলেন, আমরা সারাদিন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে রাজধানীর বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর বেটার লাইফ হাসপাতালে নেওয়া হয় হিরো আলমকে। চিকিৎসা চলছে। পরে বিস্তারিত জানা যাবে।
এর আগে হামলার ঘটনার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হিরো আলম বলেন, আমি সারাদিন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। বিকেল ৩টা পর বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল কেন্দ্রে গেলে কিছু লোক আমার ওপর হামলা চালায়।
এদিন দুপুর ২টার দিকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আদর্শ বিদ্যানিকেতন কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ভোট নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন হিরো আলম।ভোট নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কীভাবে হচ্ছে এটি জনগণকে দেখানোর জন্য আমরা মাঠে আছি। আর আমরা তো নির্বাচন নিয়ে হতাশ। নির্বাচন কমিশনে বারবার ফোন দিয়েছি, কিন্তু একবারও ফোন দিয়ে কোনো খোঁজখবর নেয়নি তারা।
এসময় ওই কেন্দ্রে তেমন ভোটার দেখা না গেলেও হিরো আলমের সঙ্গে উপস্থিত জনতাকে সেলফি তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়তে দেখা যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক 
























