4:53 am, Friday, 17 April 2026

মিতু হত্যা : নিজের মামলায় বাবুলকে গ্রেফতারের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট :: স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় নিজের দায়ের করা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে গ্রেফতারের দেখাতে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ রবিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল হালিমের আদালত এ আদেশ দেন।

যদিও একই ঘটনায় মিতুর বাবার আরেক মামলায় বাবুল আক্তার বর্তমানে কারাগারে আছেন।

বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী জানান, একই ঘটনায় মিতুর বাবার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। একই ঘটনায় দুই মামলা আদালতে চলতে পারে না। আমরা উচ্চ আদালতে যাব।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে। স্ত্রী খুনের ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদসহ নানা নাটকীয়তার পর ২০১৬ সালের আগস্টে বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই নানাভাবে স্ত্রী খুনে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার আলোচনা শুরু হয়। ঘটনার পরের বছর মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন প্রথম এই খুনে বাবুলের জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ্যে আনেন। এরপর ২০২০ সালের শুরুতে বাবুলের করা মামলার তদন্তভার পড়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওপর। এরপর আস্তে আস্তে জট খুলতে থাকে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টিকারী চাঞ্চল্যকর এ মামলার।

২০২১ সালে পিবিআইয়ের তদন্তে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের লক্ষ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয় পিবিআই। আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদনে দাখিলের পর ১২ মে মিতুর বাবা বাদি হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় বাবুল আক্তারসহ ৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার করে পিবিআই। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মিতু হত্যা : নিজের মামলায় বাবুলকে গ্রেফতারের নির্দেশ

Update Time : 09:34:29 am, Sunday, 9 January 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় নিজের দায়ের করা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে গ্রেফতারের দেখাতে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ রবিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল হালিমের আদালত এ আদেশ দেন।

যদিও একই ঘটনায় মিতুর বাবার আরেক মামলায় বাবুল আক্তার বর্তমানে কারাগারে আছেন।

বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী জানান, একই ঘটনায় মিতুর বাবার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। একই ঘটনায় দুই মামলা আদালতে চলতে পারে না। আমরা উচ্চ আদালতে যাব।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে। স্ত্রী খুনের ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদসহ নানা নাটকীয়তার পর ২০১৬ সালের আগস্টে বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই নানাভাবে স্ত্রী খুনে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার আলোচনা শুরু হয়। ঘটনার পরের বছর মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন প্রথম এই খুনে বাবুলের জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ্যে আনেন। এরপর ২০২০ সালের শুরুতে বাবুলের করা মামলার তদন্তভার পড়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওপর। এরপর আস্তে আস্তে জট খুলতে থাকে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টিকারী চাঞ্চল্যকর এ মামলার।

২০২১ সালে পিবিআইয়ের তদন্তে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের লক্ষ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয় পিবিআই। আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদনে দাখিলের পর ১২ মে মিতুর বাবা বাদি হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় বাবুল আক্তারসহ ৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার করে পিবিআই। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।