আব্দুর রাজ্জাক রাজা :: মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ বাজার,শমসেরনগর,মুন্সিবাজার আদমপুর ও মাধবপুর সহ গ্রাম-গঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটিগুলোতে ডিশ,ইন্টারনেট আর জেনারেটরের তারে অনেকটাই ডাকা পড়ে গেছে। নিয়ম অমান্য করে বিদ্যুতের খুঁটি জুড়ে অন্যান্য তারের জটলায় বাড়ছে জীবনের ঝুঁকি। শুধু তাই নয়,মাঝে-মধ্যেই ঘটছে ছোট-ছোট দুর্ঘটনা। অপরিকল্পিতভাবে খুঁটির সঙ্গে জড়িয়ে রাখা তারগুলোর কারণে শর্টসার্কিটের সৃষ্টিও হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হয়। আর এ বিষয়ে নীতিমালা না থাকায় কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না বিদ্যুৎ-সেবা নিশ্চিতকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।
জানা গেছে,উপজেলার ব্যবসা বহুল বাজার সহ প্রতিটি এলাকার বিদ্যুতের খুঁটিতে বিদ্যুতের তারের চাইতে অন্যান্য তারের জটলা বেশী লক্ষ্য করা গেছে। তারগুলোর বড় অংশ ডিশ লাইন ও ইন্টারনেট লাইনের। কোন তার কিভাবে পেঁচানো রয়েছে তা বোঝারও উপায় নেই। কোনো কোনো খুঁটিতে বর্ধিত তারগুলো গোল করে পেঁচিয়ে রাখা হয়েছে। এই তারগুলোর থেকে মাঝে-মধ্যেই শর্টসার্কিট হয়ে থাকে। অনেক সময় ট্রান্সফরমারের সঙ্গে লেগে ট্রান্সফরমারে আগুন লেগে যায়। নষ্ট হচ্ছে রাষ্ট্রীয় যন্ত্র। আবার অনেক ক্ষেত্রে ফিউজ কেটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকে। এতে একদিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় যন্ত্রাংশ তেমনি দূর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বিদ্যুৎ গ্রাহক এবং পথচারীরা। ডিশ লাইনের রেগুলেটারে দেওয়া হচ্ছে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ। ঘাটতি হচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভানুগাছ বাজার,মুন্সিবাজার ও শমশেরনগর বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, প্রায় সময় বিভিন্ন বিদ্যুতের খুঁটির লাইনের পাশের্^ ছেঁড়া তার ঝুলে থাকে। এতে বোঝার উপায় থাকে না সেটা বিদ্যুতের তার নাকি ডিশ কিংবা ইন্টারন্টের তার। এতে করে পথচারীদের আতঙ্কে থাকতে দেখা যায়।
এদিকে পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের কয়েকজন লাইনম্যন অভিযোগ করে বলেন,অপরিকল্পিত ভাবে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে অন্য সার্ভিস প্রোপাইটারদের বিভিন্ন ক্যাবল থাকায় পোলে উঠতে যেমন সমস্যা হয়ে থাকে তেমনি সংযোগ মেরামতসহ বিভিন্ন কাজে ও বিঘœ ঘটে। শুধু তাই নয় ডিশ লাইনের রুকবক্সে নরমাল তার দিয়ে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ায় লাইনের কাজ করতে গিয়ে শক খেতে হয়। অপর দিকে কোন তার ছিঁড়ে ঝুঁলে থাকলে বোঝার উপায় থাকে না সেটা বিদ্যুতের না অন্য কোনো তার। ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী বা পথচারীরা আতঙ্কিত হয়ে থাকে তার ঝুলে থাকা পর্যন্ত।
কমলগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডিজিএম গোলাম ফারুক মীর দাবি করেন, এখন বিদ্যুতের খুঁটি সমুহ সার্বজমিন হয়ে পড়েছে। খুঁটি সমুহতে নানা প্রজাতির তারে জটলায় কাজে বিঘœ ঘটে। খুঁটিতে তার ব্যবহার কারীদের মৌখিক ভাবে অপসারনের জন্য বলা হলে ও তারা অপসারন করছে না।

নিজস্ব প্রতিবেদক 























