3:25 pm, Tuesday, 19 May 2026

কুলাউড়ায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত চার জয়িতার বীরত্বের গল্প

স্টাফ রিপোর্টার: কুলাউড়া উপজেলায় ২০২২ সালে ৩ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন সুফিয়া রহমান ইতি, চম্পা বেগম ও  রেখা রাণী দাস। যারা নানা প্রতিকুলতাকে ডিঙিয়ে জীবন সংগ্রামে সফলতা অর্জন করেছেন।
অর্থিৈনতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারীঃ সুফিয়া রহমান ইতি ছিলেন নিতান্ত নি¤œ মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি মেয়ে। বাবা ছিলেন স্বল্প বেতনভূক্ত একজন সরকারী রেল কর্মচারী। পিতার সামান্য আয় রোজগারে সংসারের চাকা সচল রাখতে রীতিমত হিমসীম খেতে হতো তার মাকে। ৬ ভাইবোনের লেখাপড়ার খরচ যোগান দেয়া ছিল সুফিয়া রহমান ইতির পিতার কষ্টসাধ্য বিষয়। এর জন্য ভাই বোনদের কেউ কেউ প্রাইভেট টিউশানী পড়িয়ে নিজের লেখাপড়ার খরচ যোগাতেন। সুফিয়া রহমান ইতির ছোট বোন এসএসসি পাশ করার পর টাকার অভাবে যখন কলেজে ভর্তি হতে পারছিল না তখন তিনি স্থানীয় একটি বুটিক শপে চাকরী নেন এবং কিছু টাকা অগ্রীম নিয়ে বোনকে কলেজে ভর্তি করান। এভাবেই শুরু হলো তার পথ চলা। এরপর তিনি চাকরির পাশাপাশি সিলেট হতে বিউটিফিকেশনের উপর ১ বছর মেয়াদী প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর ডিপ্লমা সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেন। প্রথম দিকে তিনি বাড়িতেই বিউটিফিকেশনের কাজ শুরু করেন। এরপর পরিচিতি বাড়ার সাথে কুলাউড়ায় মিলি প্লাজাতে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে সেখানে বিউটি পর্লারের ব্যবসা শুরু করেন। এটাই ছিল কুলাউড়ার প্রথম কোন বিউটি পার্লার। এরপর তিনি বিউটিফিকেশনের উপর আরো কয়েকটি কোর্স সম্মন্ন করেন। বর্তমানে তিনি একজন সফল ব্যবসয়ী। তার পার্লারে বেতনভুক্ত কয়েকটি মেয়ে নিয়মিত কাজ করে। তিনি দরিদ্র, বিধবা এবং স্বামী পরিত্যাক্তা মেয়েদেরকে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি চাকরী দিয়ে একদিকে যেমন সমাজসেবা করছেন, অন্যদিকে মেয়েদেরকে অর্থনৈতিকভাবেও স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলছেন। সুফিয়া রহমান ইতি তার ব্যবসা থেকে আয় করা টাকা দিয়ে দুই বোনের বিয়ে দিয়েছেন এবং নিজের বিয়ের সমস্ত খরচ নিজেই বহণ করেন। তিনি ধীরে ধীরে ব্যবসার প্রসার ঘটিয়েছেন। তিনি ২০১৪ সালে ঢাকাতে একটি নিজের নামে বিউটি পার্লার এর দোকান দেন। এপর তিনি কুলাউরার দক্ষিণবাজার রোডে আরো একটি বিউটি পার্লার দোকান দেন। এভাবে তার মাধ্যমে অনেক অসহায় মেয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পেরেছেন। তিনি তার উপার্জিত টাকা দিয়ে নিজের নামে কিছু জমি ক্রয় করেছেন। সুফিয়া রহমান ইতি হলেন একজন বহুমুখি প্রতিভার দৃষ্টান্ত। তিনি ক্রিড়া এবং সংস্কৃতি অঙ্গেেনও সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ১০০ মিটার, ২০০ মিটার দৌড়ে মৌলভীবাজার জেলায় চাম্পিয়ন হন। তিনি নাচেও পারদর্শি, একজন সফল গার্লস গাইড। তিনি বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির একজন গর্বীত সদস্য। তিনি কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির নারী উদ্যোগক্তা সাংগঠনিক সম্পাদক। নারীর ক্ষমতায়নে তার ভূমিকা অসামান্য।  কুলাউড়ার মত একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারী হয়েও সমাজ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা প্রসংশা যোগ্য। অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসাবে তিনি সমাজের একজন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সফল জননী নারীঃ কুলাউড়া উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম চম্পা বেগমের। অল্প বয়সে বিয়ে হয় একজন রিক্সা চালকের সাথে। বিয়ের পর কিছুদিন ভালই চলছিল। এরপর একে একে তার ৮ (আট) সন্তানের জন্ম হয়। সংসারে অভাব অনটন নিত্যসঙ্গী। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি চোখেমুখে অন্ধকার দেখেন। কিভাবে তিনি তার ৮ (আট) সন্তানকে মানুষ করবেন? এই চিন্তায় ব্যাকুল থাকতেন। তিনি যখন যা পেরেছেন সেই কাজ করেছেন। কারো কথায় কান দেন নাই। তিনি বিভিন্ন উপায়ে আয় রোজগার করে পরিবারের খাবার জুগিয়েছেন সাথে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়াও চালিয়ে গেছেন। তিনি অনেক কষ্ট করে হলেও তার ছেলেমেয়েদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। চম্পা বেগমের প্রথম সন্তান মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করে এক্সিম ব্যাংকে অফিসার পদে কর্মরত। দ্বিতীয় সন্তান এইচ.এস.সি পাশ করার পর পানের ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন। তৃতীয় সন্তান বিএ কমপ্লিট করার পর প্রবাসে কর্মরত। ৩য় ও ৪র্থ ছেলে এইচ.এস.সি অধ্যায়নরত রয়েছেন। চম্পা বেগম তার বড় এবং মেঝ মেয়েকে এস.এস.সি পাস করার পর সুপাত্র দেখে বিয়ে দিয়েছেন। ৩য় মেয়ে বর্তমানে মাস্টার্সে পড়ালেখা করছে। সমাজের লোকজন এখন চম্পা বেগমকে নিয়ে গর্ববোধ করেন। একসময় যারা তাকে অবহেলা করেছিল খারাপ কথা বলেছিল আজ তারাই চম্পা বেগমের থেকে পিছিয়ে পেেরছে।
সমাজ উন্নয়নে অবদান রেখেছেন যে নারীঃ একজন সমাজ সেবক হিসাবে রেখা রানী দাস এলাকার যে কোন সমস্যা সমাধানে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, যৌতুক বিরোধী আন্দোলন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিষয় গুলিতে তিনি সোচ্চার ভূমিকা রাখেন। সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের সাথে এলাকার স্বল্প শিক্ষিত ও নিরক্ষর মহিলাদের তিনি সম্পৃক্ত করার কাজটি অত্যান্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন। মানুষের প্রতি তার দরদ এবং ভালোবাসার স্বীকৃতি স্বরুপ এলাকার জনগণ তাকে ইউপি নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনে ভোট দিয়ে ইউপি সদস্য হিসাবে নির্বাচিত করেন। ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সমাজসেবার মত বিষয়টি তার কাছে আরো সহজ হয়ে যায়। তিনি আরো বেশী করে মানুষের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন। তিনি এলাকার রাস্তা-ঘাট, পুল-কার্লভাট ইত্যাদি নির্মান ও উন্নয়নে জোড়ালো ভূমিকা রাখেন। করোনা কালীন সময়ে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায় গিয়েছেন সকলের মাঝে মাস্ক, স্যানিটাইজার নিয়মিত বিতরণ করেছেন। মানুষজনকে সচেতন করেছেন। গত বন্যার সময় মানুষের বাড়ী বাড়ী যেয়ে তাদের পাশে থেকেছেন সাহস জুগিয়েছেন। বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরন করেছেন। আর এই ভাবেই তিনি সমাজসেবায় অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন।
Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট কার্যক্রম অব্যাহত

কুলাউড়ায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত চার জয়িতার বীরত্বের গল্প

Update Time : 03:16:31 pm, Tuesday, 9 May 2023
স্টাফ রিপোর্টার: কুলাউড়া উপজেলায় ২০২২ সালে ৩ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন সুফিয়া রহমান ইতি, চম্পা বেগম ও  রেখা রাণী দাস। যারা নানা প্রতিকুলতাকে ডিঙিয়ে জীবন সংগ্রামে সফলতা অর্জন করেছেন।
অর্থিৈনতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারীঃ সুফিয়া রহমান ইতি ছিলেন নিতান্ত নি¤œ মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি মেয়ে। বাবা ছিলেন স্বল্প বেতনভূক্ত একজন সরকারী রেল কর্মচারী। পিতার সামান্য আয় রোজগারে সংসারের চাকা সচল রাখতে রীতিমত হিমসীম খেতে হতো তার মাকে। ৬ ভাইবোনের লেখাপড়ার খরচ যোগান দেয়া ছিল সুফিয়া রহমান ইতির পিতার কষ্টসাধ্য বিষয়। এর জন্য ভাই বোনদের কেউ কেউ প্রাইভেট টিউশানী পড়িয়ে নিজের লেখাপড়ার খরচ যোগাতেন। সুফিয়া রহমান ইতির ছোট বোন এসএসসি পাশ করার পর টাকার অভাবে যখন কলেজে ভর্তি হতে পারছিল না তখন তিনি স্থানীয় একটি বুটিক শপে চাকরী নেন এবং কিছু টাকা অগ্রীম নিয়ে বোনকে কলেজে ভর্তি করান। এভাবেই শুরু হলো তার পথ চলা। এরপর তিনি চাকরির পাশাপাশি সিলেট হতে বিউটিফিকেশনের উপর ১ বছর মেয়াদী প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর ডিপ্লমা সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেন। প্রথম দিকে তিনি বাড়িতেই বিউটিফিকেশনের কাজ শুরু করেন। এরপর পরিচিতি বাড়ার সাথে কুলাউড়ায় মিলি প্লাজাতে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে সেখানে বিউটি পর্লারের ব্যবসা শুরু করেন। এটাই ছিল কুলাউড়ার প্রথম কোন বিউটি পার্লার। এরপর তিনি বিউটিফিকেশনের উপর আরো কয়েকটি কোর্স সম্মন্ন করেন। বর্তমানে তিনি একজন সফল ব্যবসয়ী। তার পার্লারে বেতনভুক্ত কয়েকটি মেয়ে নিয়মিত কাজ করে। তিনি দরিদ্র, বিধবা এবং স্বামী পরিত্যাক্তা মেয়েদেরকে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি চাকরী দিয়ে একদিকে যেমন সমাজসেবা করছেন, অন্যদিকে মেয়েদেরকে অর্থনৈতিকভাবেও স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলছেন। সুফিয়া রহমান ইতি তার ব্যবসা থেকে আয় করা টাকা দিয়ে দুই বোনের বিয়ে দিয়েছেন এবং নিজের বিয়ের সমস্ত খরচ নিজেই বহণ করেন। তিনি ধীরে ধীরে ব্যবসার প্রসার ঘটিয়েছেন। তিনি ২০১৪ সালে ঢাকাতে একটি নিজের নামে বিউটি পার্লার এর দোকান দেন। এপর তিনি কুলাউরার দক্ষিণবাজার রোডে আরো একটি বিউটি পার্লার দোকান দেন। এভাবে তার মাধ্যমে অনেক অসহায় মেয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পেরেছেন। তিনি তার উপার্জিত টাকা দিয়ে নিজের নামে কিছু জমি ক্রয় করেছেন। সুফিয়া রহমান ইতি হলেন একজন বহুমুখি প্রতিভার দৃষ্টান্ত। তিনি ক্রিড়া এবং সংস্কৃতি অঙ্গেেনও সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ১০০ মিটার, ২০০ মিটার দৌড়ে মৌলভীবাজার জেলায় চাম্পিয়ন হন। তিনি নাচেও পারদর্শি, একজন সফল গার্লস গাইড। তিনি বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির একজন গর্বীত সদস্য। তিনি কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির নারী উদ্যোগক্তা সাংগঠনিক সম্পাদক। নারীর ক্ষমতায়নে তার ভূমিকা অসামান্য।  কুলাউড়ার মত একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারী হয়েও সমাজ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা প্রসংশা যোগ্য। অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসাবে তিনি সমাজের একজন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সফল জননী নারীঃ কুলাউড়া উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম চম্পা বেগমের। অল্প বয়সে বিয়ে হয় একজন রিক্সা চালকের সাথে। বিয়ের পর কিছুদিন ভালই চলছিল। এরপর একে একে তার ৮ (আট) সন্তানের জন্ম হয়। সংসারে অভাব অনটন নিত্যসঙ্গী। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি চোখেমুখে অন্ধকার দেখেন। কিভাবে তিনি তার ৮ (আট) সন্তানকে মানুষ করবেন? এই চিন্তায় ব্যাকুল থাকতেন। তিনি যখন যা পেরেছেন সেই কাজ করেছেন। কারো কথায় কান দেন নাই। তিনি বিভিন্ন উপায়ে আয় রোজগার করে পরিবারের খাবার জুগিয়েছেন সাথে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়াও চালিয়ে গেছেন। তিনি অনেক কষ্ট করে হলেও তার ছেলেমেয়েদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। চম্পা বেগমের প্রথম সন্তান মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করে এক্সিম ব্যাংকে অফিসার পদে কর্মরত। দ্বিতীয় সন্তান এইচ.এস.সি পাশ করার পর পানের ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন। তৃতীয় সন্তান বিএ কমপ্লিট করার পর প্রবাসে কর্মরত। ৩য় ও ৪র্থ ছেলে এইচ.এস.সি অধ্যায়নরত রয়েছেন। চম্পা বেগম তার বড় এবং মেঝ মেয়েকে এস.এস.সি পাস করার পর সুপাত্র দেখে বিয়ে দিয়েছেন। ৩য় মেয়ে বর্তমানে মাস্টার্সে পড়ালেখা করছে। সমাজের লোকজন এখন চম্পা বেগমকে নিয়ে গর্ববোধ করেন। একসময় যারা তাকে অবহেলা করেছিল খারাপ কথা বলেছিল আজ তারাই চম্পা বেগমের থেকে পিছিয়ে পেেরছে।
সমাজ উন্নয়নে অবদান রেখেছেন যে নারীঃ একজন সমাজ সেবক হিসাবে রেখা রানী দাস এলাকার যে কোন সমস্যা সমাধানে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, যৌতুক বিরোধী আন্দোলন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিষয় গুলিতে তিনি সোচ্চার ভূমিকা রাখেন। সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের সাথে এলাকার স্বল্প শিক্ষিত ও নিরক্ষর মহিলাদের তিনি সম্পৃক্ত করার কাজটি অত্যান্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন। মানুষের প্রতি তার দরদ এবং ভালোবাসার স্বীকৃতি স্বরুপ এলাকার জনগণ তাকে ইউপি নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনে ভোট দিয়ে ইউপি সদস্য হিসাবে নির্বাচিত করেন। ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সমাজসেবার মত বিষয়টি তার কাছে আরো সহজ হয়ে যায়। তিনি আরো বেশী করে মানুষের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন। তিনি এলাকার রাস্তা-ঘাট, পুল-কার্লভাট ইত্যাদি নির্মান ও উন্নয়নে জোড়ালো ভূমিকা রাখেন। করোনা কালীন সময়ে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায় গিয়েছেন সকলের মাঝে মাস্ক, স্যানিটাইজার নিয়মিত বিতরণ করেছেন। মানুষজনকে সচেতন করেছেন। গত বন্যার সময় মানুষের বাড়ী বাড়ী যেয়ে তাদের পাশে থেকেছেন সাহস জুগিয়েছেন। বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরন করেছেন। আর এই ভাবেই তিনি সমাজসেবায় অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন।