8:35 am, Saturday, 10 October 2026

নরসিংদীতে মা ও দুই সন্তানের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট : নরসিংদীর বেলাবোতে নিজ বাড়িতে মা ও দুই সন্তানের গলা কাটা মরদেহ পাওয়া গেছে।

বেলাবো উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের বাবলা গ্রামে আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে তাদের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন ৩৬ বছর বয়সী রাহিমা বেগম এবং তার ১২ বছর বয়সী ছেলে রাব্বি শেখ ও সাত বছর বয়সী মেয়ে রাকিবা শেখ। এদের মধ্যে দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। আর মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। তারা বেলাবো উপজেলার পাটুলি ইউনিয়নের শেখবাড়ি এলাকায় থাকতেন।

রাহিমার স্বামী গিয়াস উদ্দিন শেখের ভাগনে মোমেন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, রাহিমা বেগম পেশায় দর্জি ছিলেন। রোববার সকালে নিহতদের বাড়িতে বিলকিস নামের এক নারী বানাতে দেওয়া কাপড় আনতে যায়। সেখানে গিয়ে দরজার নিচ দিয়ে রক্ত দেখতে পান। এ সময় তাঁর চিৎকারে স্থানীয়রা ঘরে ঢুকে তিনজনের মরদেহ দেখতে পায়। পরে পুলিশ খবর দেওয়া হয়।

পুলিশ বলছে, নিহত রহিমার স্বামী পেশায় একজন রঙ মিস্ত্রি। কাজের সুবাদে শনিবার গাজীপুরে যান তিনি। সকালে বাড়ি এসে দেখেন স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ পড়ে আছে।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান বলেন, ঠিক কী কারণে হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে আমরা তদন্ত শুরু করেছি।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

সিলেটে জাতীয়দাবাচ্যাম্পিয়নশীপ আঞ্চলিকজোনএর উদ্ভোধন

নরসিংদীতে মা ও দুই সন্তানের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার

Update Time : 10:28:06 am, Sunday, 22 May 2022

ডেস্ক রিপোর্ট : নরসিংদীর বেলাবোতে নিজ বাড়িতে মা ও দুই সন্তানের গলা কাটা মরদেহ পাওয়া গেছে।

বেলাবো উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের বাবলা গ্রামে আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে তাদের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন ৩৬ বছর বয়সী রাহিমা বেগম এবং তার ১২ বছর বয়সী ছেলে রাব্বি শেখ ও সাত বছর বয়সী মেয়ে রাকিবা শেখ। এদের মধ্যে দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। আর মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। তারা বেলাবো উপজেলার পাটুলি ইউনিয়নের শেখবাড়ি এলাকায় থাকতেন।

রাহিমার স্বামী গিয়াস উদ্দিন শেখের ভাগনে মোমেন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, রাহিমা বেগম পেশায় দর্জি ছিলেন। রোববার সকালে নিহতদের বাড়িতে বিলকিস নামের এক নারী বানাতে দেওয়া কাপড় আনতে যায়। সেখানে গিয়ে দরজার নিচ দিয়ে রক্ত দেখতে পান। এ সময় তাঁর চিৎকারে স্থানীয়রা ঘরে ঢুকে তিনজনের মরদেহ দেখতে পায়। পরে পুলিশ খবর দেওয়া হয়।

পুলিশ বলছে, নিহত রহিমার স্বামী পেশায় একজন রঙ মিস্ত্রি। কাজের সুবাদে শনিবার গাজীপুরে যান তিনি। সকালে বাড়ি এসে দেখেন স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ পড়ে আছে।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান বলেন, ঠিক কী কারণে হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে আমরা তদন্ত শুরু করেছি।